kalerkantho


জাতীয় শোক দিবস পালিত

অপশক্তি পরাজিত করার প্রত্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও গোপালগঞ্জ   

১৬ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



অপশক্তি পরাজিত করার প্রত্যয়

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে গতকাল মোনাজাতে অংশ নেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ছবি : পিআইডি

বছর ঘুরে আবার এসেছে জাতির শোকের দিন ১৫ আগস্ট। জাতির জনকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় যেকোনো অপশক্তি, বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক আপশক্তিকে রুখে দেওয়ার প্রত্যয়ে গতকাল বুধবার জাতি পালন করেছে জনককে হারানোর দিনটি। দিবসটি উপলক্ষে কোটি কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করার, প্রতিহত করার প্রত্যয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, আলোচনাসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজনসহ নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে গতকাল জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ছাড়াও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি ও বনানীতে ১৫ আগস্টে নিহতদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

গতকাল সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ধানমণ্ডি থেকে বনানী কবরস্থানে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সেখানে ১৫ আগস্টে নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল ১০টা ৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

পরে বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় দোয়া মাহফিল। এতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

১৫ আগস্টকে ঘিরে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সসহ আশপাশের গোটা এলাকা। টুঙ্গিপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয় কমপক্ষে ৩০টি চেকপোস্ট। রাউন্ড দ্য ক্লক পদ্ধতিতে নিয়োজিত রাখা হয় পুলিশ, আর্মড পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশ, ডিবি পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সদস্যদের।

প্রতি বছরের মতো এবারও আগস্ট মাসের শুরু থেকে সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে শুরু করা হয় কোরাআনখানি। জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা সদর, কাশিয়ানী, মুকসুদপুর সদর থেকে শুরু করে টুঙ্গিপাড়া সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স পর্যন্ত কালো কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসংবলিত পাঁচ শতাধিক তোরণ। সড়কের মোড়ে বা ল্যাম্পপোস্টে সাঁটানো হয় ব্যানার ও ফেস্টুন।

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মসূচি : গতকাল সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দলটির সর্বস্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকালে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের শপথ হবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেকোনো অপশক্তি, বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরাজিত করব, প্রতিহত করব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শঙ্কার মধ্যেই এগিয়ে যাই, মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে আমরা জীবনের জয়গান গাই, ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা সৃষ্টির পতাকা ওড়াই। এটাই আওয়ামী লীগের ইতিহাস।’

গতকাল সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় মিরপুরের সেনপাড়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনাসভার আয়োজন করে। এ ছাড়া দুপুরে বিভিন্ন স্থানে অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদের নেতৃত্বে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। তারা পরে বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্ট সব শহীদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেয়। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগ গুলশান চত্বরে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করে।

যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির পক্ষ থেকে এ কে এম নুরুজ্জামান, হারুনের রশীদ, আবদুজ্জাহের সাজুসহ উপকমিটির সদস্যরা ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী আওলাদ হোসেন সূত্রাপুর এলাকায় এবং সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন।

বাপুসের আলোচনা সভা : বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত্বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাবাজারে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন বাপুসের সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের দোয়া মাহফিল : বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আয়োজনে দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভূঞা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

ঢাকার আদালতসমূহের আলোচনাসভা : ঢাকায় অবস্থিত জেলা ও দায়রা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, বিশেষ জজ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল, সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের আয়োজনে জগন্নাথ সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল চৌধুরী। বক্তব্য দেন মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ, বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান খান, ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল কবির, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান হিরো প্রমুখ।

এ ছাড়া সম্প্রীতির বাংলাদেশ ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে জাতীয় শোক দিবস পালন : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন গতকাল যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধায় দিবসটি পালন করেছে।

উপহাইকমিশন প্রাঙ্গণে উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। পরে উপহাইকমিশনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোস্টেলে ‘বঙ্গবন্ধু  স্মৃতিকক্ষে’ স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪২ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হয়ে বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু ১৯৪৬ সালে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন।

বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সম্মেলন কক্ষে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও লায়ন্স ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি’র আয়োজন করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার মৌলানা আজাদ কলেজে (সাবেক ইসলামিয়া কলেজ) ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশগ্রহণ করবেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট বৃদ্ধিজীবী ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা : দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে কালো পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, রক্তদান কর্মসূচি, মিলাদ মাহফিল ও ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

জাতীয় শোক দিবস পালিত



মন্তব্য