kalerkantho


শত্রুসমৃদ্ধ ‘মোল্লা লীগের’ শাসন

লায়েকুজ্জামান   

১৮ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



শত্রুসমৃদ্ধ ‘মোল্লা লীগের’ শাসন

‘বিএনপি আমলে ডেমরায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভামঞ্চে যারা আগুন দিয়েছিল, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-অত্যাচার চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছিল, তারাই এখন ডেমরার সর্বময় নিয়ন্ত্রক। এখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য, টেন্ডার, বালুমহাল, চাঁদাবাজি একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ করছে তারা। এলাকার স্কুল-কলেজের পরিচালনা পর্ষদ, সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ঠাঁই পেয়েছে তারাই। এদেরকে ডেমরা এলাকার ক্ষমতার সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত করেছে স্থানীয় এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার পরিবার। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা ক্ষোভে-দুঃখে-হতাশায় রাজনীতি ছেড়ে ঘরে বসে আছে।’ দুঃখ-ক্ষোভ মেশানো কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকার সারুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম ভুঁইয়া।

রাজধানীর ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-৫ আসন। এই আসনের এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা গুরুতর অসুস্থ। প্রায় এক বছর তাঁকে প্রকাশ্যে কোথাও দেখা যায়নি। তাঁর অবর্তমানে ওই এলাকার রাজনীতি দেখভাল করেন তাঁর তিন ছেলে। বড় ছেলে মশিউর রহমান মোল্লা ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। মেজো ছেলে মাহফুজুর রহমান শ্যামল দলের বড় কোনো পদে না থাকলেও এলাকার সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি ডেমরা শামসুল হক খান উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি। ছোট ছেলে মনির হোসেন বড় ভাইকে সহযোগিতা করেন। এ ছাড়া এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার তিন মেয়ের জামাই মফিজুল ইসলাম বকুল, জসিম উদ্দিন রিপন ও রফিকুল ইসলাম যুক্ত রয়েছেন এই নির্বাচনী এলাকার নানা দখল-বাণিজ্যে। যাত্রাবাড়ী থানার মা ও শিশু হাসপাতালের টেন্ডার থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার এই তিন মেয়েজামাই।

দলের নেতাকর্মীদের কৌশলে দূরে সরিয়ে বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে বাণিজ্য-বেসাতিতে মশগুল এমপির পরিবার। আবার এমপি পরিবারের সঙ্গে না থেকেও বেশ কয়েকজন দলের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় গড়ে তুলছে বিপুল সম্পদ। এদের কারো কারো রয়েছে একাধিক অট্টালিকা। অন্যদিকে এসব কারণে কোণঠাসা হয়ে রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়েছে এই এলাকার নিবেদিতপ্রাণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সংখ্যায় এরা বিপুল।

ডেমরা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ১৯৮৬ সালের মার্চ মাসে ডেমরায় যারা শেখ হাসিনার জনসভার মঞ্চে আগুন দিয়েছিল, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর গুলি চালিয়েছিল, জাতীয় পার্টির সেই হাসিবুর রহমান হাসু, আবদুল্লাহ, ইসরাফিল আলম পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে বর্তমানে এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা ও তাঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠজন। তারাই এখন নিয়ন্ত্রণ করছে ডেমরা আওয়ামী লীগ। তারাই বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে বর্তমানে এই নির্বাচনী এলাকায় দলের দুর্নাম বাড়াচ্ছে। মোল্লা পরিবারের সদস্য ও তাদের ঘনিষ্ঠজনরা মিলে এভাবে ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকায় মোল্লা লীগের শাসন কায়েম করেছে।  

ঢাকা মহানগরে আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ থানা কমিটি হয়নি। ঘোষণা করা হয়েছে শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম। পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় বিএনপি-জামায়াত থেকে আসা লোকদের দলীয় পদ দেওয়া হয়নি সত্য, কিন্তু প্রস্তাবিত যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তাতে এদের নাম আছে বলে জানা গেছে। আর এরাই এমপি পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় নির্বাচনী এলাকার স্কুল-কলেজসহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষপদগুলো দখল করে নিয়েছে। পাশাপাশি বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও ফ্রিডম পার্টি থেকে আসা লোকদের এই এলাকার চাঁদাবাজির উৎসস্থলগুলোতে দায়িত্ব দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এমন অনেক নাম বর্তমানে নির্বাচনী এলাকার মানুষের মুখে মুখে। এদের মধ্যে ডেমরা থানায় বিএনপি থেকে আসা  বেলায়েত হোসেন বাবু, হেদায়েত উল্লাহ পণ্ডিত বাবু, হাসিবুর রহমান হাসু, আনোয়ার হোসেন, সায়েদাবাদের আবুল কালাম, তৈয়ব, যাত্রাবাড়ী থানায় ফ্রিডম পার্টি থেকে আসা বাচ্চু, বিএনপি থেকে আসা খোকন অন্যতম। সারুলিয়ার জাকির মাস্টার, আজমত আলী, মাদক কারবারি বজলু কসাই, কোটিপতি বাস হেলপার বাবলু, সালাউদ্দিন, পরিবহন শাহজাহান, মাদক কারবারি সাঈদ ইকবাল, ডেমরার দৌড় সালাউদ্দিনের ভাগনিজামাই ওসমান অন্যতম।

এদের মধ্যে ফ্রিডম পার্টি থেকে আসা বাচ্চু নিয়ন্ত্রণ করে যাত্রাবাড়ী মোড়ের যানবাহনের চাঁদাবাজি। হাসিবুর রহমান হাসু, বেলায়েত হোসেন বাবু, হেদায়েত উল্লাহ পণ্ডিত, আনোয়ার হোসেন নিয়ন্ত্রণ করে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার সব ধরনের যানবাহনের চাঁদাবাজি। সারুলিয়ার জাকির মাস্টার, আজমত আলী, মাদক কারবারি বজলু কসাই, কোটিপতি বাস হেলপার বাবলু, সালাউদ্দিন, পরিবহন শাহজাহান, মাদক কারবারি সাঈদ ইকবাল, ডেমরার দৌড় সালাউদ্দিনের ভাগনিজামাই ওসমান নিয়ন্ত্রণ করে এলাকার বালুমহালের বাণিজ্য ও নৌপথের চাঁদাবাজি।

সরেজমিনে ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা ঘুরে জানা গেছে, রাজনৈতিকভাবে অবহেলিত আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। আলাপকালে ওই নেতাকর্মীদের অনেকে এই প্রতিবেদককে জানায়, পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হলেও প্রস্তাবিত কমিটিতে দলের পুরনো ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের নাম রাখা হয়নি। আবার ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে যে স্থানগুলোতে সেখান থেকে পুরনো নেতাদের সরিয়ে নবাগতদের যুক্ত করা হয়েছে।

ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মাহফুজুর রহমান খান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় এক চোখ হারিয়েছেন। শরীরে অজস্র স্প্লিন্টার নিয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটানো এই নেতাকে প্রস্তাবিত কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়নি। এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা যখন করিম জুটমিলের সিবিএ সভাপতি ছিলেন সে সময় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন হেকিম মাতবর। বর্তমানে তাঁকে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে। দলে স্থান না পেয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছেন প্রবীণ নেতা আবদুল লতিফ মোল্লা, ইদ্রিস ভাণ্ডারি। একসময়ের দাপুটে নেতা এ টি এম গোলাম মোস্তফারও স্থান হয়নি দলে।

এমপি পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক না থাকায় রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়তে হয়েছে ডেমরা থানা যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি সাজেদুল ইসলাম বকুল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ নেতা মুজিবুর রহমান, ডেমরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন, একই কমিটির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ইকবাল খানকে। বর্তমানে পুরি-শিঙাড়ার দোকান করে সংসার চালান যুবলীগ নেতা আতাউল্লা। দোকানে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন একসময়ের দাপুটে যুবলীগ নেতা হানিফ। হতাশায় দেশ ছেড়ে চলে গেছেন যুবলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন। রাজনীতিতে টিকে থাকতে এলাকায় বঙ্গবন্ধু পরিষদ গঠন করে কর্মকাণ্ড চালান সারুলিয়ার আবুল কাশেম ভুঁইয়া।

একই অবস্থা যাত্রাবাড়ীতেও। যুগল কৃষ্ণ সরকার প্রবীণ নেতা। ১৯৭৫ সালের পর ডেমরা-যাত্রাবাড়ীর ঘরে ঘরে তাঁর পরিচিতি ছিল। এলাকায় তিলে তিলে আওয়ামী লীগের সংগঠন গড়েছেন। একসময় ডেমরা থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে গুরুত্বহীন হয়ে বসে আছেন। ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আকবর আলী দলে কোনো পদ পাননি। যাত্রাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই ছিল কৃষ্ণ দাস সাহার কণ্ঠ। ঢাকা মহানগর যুবলীগের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক এই নেতা দল থেকে বঞ্চিত হয়ে এখন রাজনীতিবিমুখ। মহানগর যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি আলী আহসান বাদলের ঠাঁই হয়নি দলে। ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক শরিফ উদ্দিন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক রমিজ উদ্দিন লিটন, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদ উল্লাহ, ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন রতন, একই কমিটির সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক গোলাম হোসেন, যুবলীগ শ্যামপুরের সাবেক সভাপতি শনিভূষণ দত্ত, ডেমরা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক তারেক আজিজ পাপ্পু, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু, একই কমিটির সভাপতি ওসমান গনি, ডেমরা থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি গোলাম মওলা, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হারুন মাস্টার, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাজ সুপারমার্কেটের মালিক মাহবুবুর রহমান পলাশসহ দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাদের স্থান হয়নি কমিটিতে। এমপি পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকায় এলাকার সামাজিক কর্মকাণ্ডেও ডাক পড়ে না তাঁদের।

ডেমরার চার ইউনিয়নের তিনটিতে বিএনপি অভিযোগ আছে, এমপি পরিবারের নেপথ্য সমর্থনে ডেমরার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের তিনটিতেই জিতেছে বিএনপি।

ডেমরা ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন হাবিবুর রহমান হাবু। এখানে দলীয় প্রার্থী বাদ দিয়ে এমপি পরিবারের লোকেরা সমর্থন দেয় বিএনপি ঢাকা মহানগরের সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন রতনকে। তিনি বিজয়ী হন।

সম্প্রতি এমপি পরিবার বাণিজ্য সুবিধা দিয়ে হাবুকে আবার কাছে টেনে নিয়েছে। মাতুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিএনপি প্রার্থী সদ্য প্রয়াত নাসির উদ্দিনকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেন এমপিপুত্র মশিউর রহমান সজল। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন শফিকুল ইসলাম দিলু। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমপির ছেলে মশিউর রহমান সজল প্রকাশ্যে আমার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকে সমর্থন দিয়েছিলেন।’

ধনিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন আবু বকর সিদ্দিক। এখানে এমপি সমর্থন দেন বিএনপি প্রার্থী জুম্মন মিয়াকে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকও অভিযোগ করেন, এমপি পরিবারের লোকেরা তাঁর বিরোধিতা করায় তিনি পরাজিত হয়েছেন।

একমাত্র সারুলিয়া ইউনিয়নে এমপি পরিবারের বিরোধিতার পরও জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমপি পরিবারের লোকেরা কী করেছে তা এলাকার সবাই জানে। জনগণ সঙ্গে ছিল বলে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জয়লাভ করেছি।’

এলাকার প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা যুগল কৃষ্ণ সরকার বলেন, ‘এখন আর একটি সামাজিক অনুষ্ঠানেও দাওয়াত পাই না। অপমানে-অবহেলায় ঘরে বসে ছিলাম। রফিকুল ইসলাম মাসুদ ডেমরার সভাপতি হওয়ার পর তিনি আবার ঘরে ঘরে এসে আমাদের সক্রিয় হওয়ার অনুরোধ করছেন। তবে ক্ষমতা তো এমপি পরিবারের হাতে।’

যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ মুন্না কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকায় এমপি এবং তাঁর পরিবারের লোকদের একচেটিয়া প্রাধান্য। আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের কোনো মূল্যায়ন নেই এখানে।’

ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম মাসুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নেত্রী আমাকে সভাপতি করার পর আমার প্রধান দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘরে বসে থাকা রাজনীতিবিমুখ নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের আবার সক্রিয় করা। আমি তা করার চেষ্টা করছি।’

ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা অসুস্থ থাকায় এসব বিষয়ে তাঁর বড় ছেলে, ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মোল্লা সজল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমপি পরিবার কথাটি নেতিবাচকভাবে বলে এলাকার জনপ্রিয় সংসদ সদস্য হাবুিবর রহমান মোল্লাকে হেয় করা হচ্ছে। গোটা নির্বাচনী এলাকাই আমাদের পরিবার।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কেউ এলাকায় চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, কখনো ছিলাম না। আমরা রাজনীতি করি। রাজনীতির কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

 

 



মন্তব্য