kalerkantho


ধর্মান্ধতা থেকেই হামলা

♦ জাফর ইকবালের শরীরে ছয়টি আঘাত
♦ হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা করে ফয়জুর
♦ অন্তত তিন সহযোগী ছিল
♦ বাবা-মায়ের আত্মসমর্পণ
♦ দুই পুলিশ প্রত্যাহার

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা, নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট ও শাবি প্রতিনিধি    

৫ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



ধর্মান্ধতা থেকেই হামলা

জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুরের প্রতি ঘৃণা আর তার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন। হামলাকারীর গ্রাম দিরাই থেকে তোলা ছবি। ছবি : কালের কণ্ঠ

লেখক ও অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বর্তমানে সম্পূর্ণ সচেতন ও সুস্থ আছেন; স্বাভাবিক কথাবার্তা বলছেন; তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরো কয়েক দিন লাগবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পুলিশ বলছে, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই উপর্যুপরি কুপিয়েছে ফয়জুর রহমান ওরফে ফয়জুল। প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, সে জঙ্গি মতাদর্শে বিশ্বাসী। সে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ (শাবিপ্রবি) সিলেটে সক্রিয় আনসার আল ইসলামের সদস্য বলেও সন্দেহ। গুরুতর আহত হওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। গতকাল রবিবার র‌্যাবের হেফাজত থেকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে সিলেটের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় ফয়জুরের। ঢাকা থেকে সিলেটে গিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা।

হামলার ঘটনার সময় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ড. জাফর ইকবালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তাঁদের নাম-পরিচয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। গতকাল রাত পৌনে ১১টার দিকে হামলাকারী ফয়জুরের মা-বাবা সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। হামলার প্রতিবাদে গতকালও বিক্ষোভে উত্তাল ছিল সিলেট, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

এদিকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন বিশিষ্ট লেখক ও শাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তাঁর মাথায় চারটি, পিঠে একটি ও বাঁ হাতে একটি আঘাত লেগেছে। তবে তা মারাত্মক আঘাত নয় বলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সিএমএইচে জাফর ইকবালের চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড ও সামরিক চিকিৎসাসেবার প্রধান মেজর জেনারেল মুন্সী মুজিবর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সকালে (রবিবার) তাঁকে পানিজাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে। তাঁর পেটে কোনো আঘাত নেই। রাতে তাঁর সঙ্গে স্ত্রী ও মেয়ে ছিলেন।’ তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত শনিবার রাত ১১টা ৫৮ মিনিটে ড. জাফর ইকবালকে সিএমএইচে আনা হয়। তখন সেখানে ২০-২২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে মুন্সী মুজিবর রহমান হাজির ছিলেন। সিলেট মেডিক্যাল কলেজ থেকেও কয়েকজন চিকিৎসক এসেছিলেন। শনিবার রাতে জাফর ইকবালকে সিএমএইচে ভর্তি করার পরই পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ড গতকাল সকাল ৯টায় তাঁর সর্বশেষ অবস্থা মূল্যায়ন করে।

বোর্ডের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জাফর ইকবাল মানসিকভাবে দৃঢ় আছেন এবং পরিস্থিতি বুঝতে পারছেন। আজ (গতকাল) সকালে তরল খাবার দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরো কয়েক দিন লাগবে। চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না জানতে চাইলে মুন্সী মুজিবর রহমান বলেন, ‘আপাতত তেমন সুপারিশ আমরা করছি না।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তাঁকে যে অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে তার নেচার ‘শার্প কাটিং’। হামলা সম্পর্কে ড. জাফর ইকবাল কিছু বলেছেন কি না—এ প্রশ্নে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা কোনো প্রশ্ন করিনি।’ অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত রাতে আইজিপি ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা এসেছিলেন। আজ (গতকাল) এখন পর্যন্ত আর কেউ আসেননি।

হামলায় ফয়জুর ছাড়াও অন্তত তিনজন ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার স্বার্থে আগে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয় এবং ফয়জুর আটক হওয়ার পর সহযোগীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। ফয়জুরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ঘটনাস্থলে পাঠানো হলেও পারিপার্শ্বিক কারণে সে হামলা চালিয়ে ‘সফল’ হতে পারেনি। ফয়জুর আত্মঘাতী দলের সদস্য বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা। সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত তিন বছরে সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ এবং ঢাকায় সিলেটের ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদকে হত্যা করে আনসার আল ইসলামের সদস্যরা। সিলেটেই খুন হন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী জগেজ্যাতি। এসব ঘটনার সূত্র ধরে সিলেটকেন্দ্রিক আনসার আল ইসলামের ব্যাপারে তদন্ত চলছে। র‌্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।

এরই মধ্যে ফয়জুরের মামা, চাচাসহ সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ ও র‌্যাব। গতকাল ফয়জুরের নাম উল্লেখ করে এবং আরো অজ্ঞাতপরিচয় আসামির কথা বলে জালালাবাদ থানায় মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার গত রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুরের বাবা আতিকুর রহমান ও মা মিনারা বেগম রাত পৌনে ১১টার দিকে জালালাবাদ থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন।

মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া গত রাতে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, দায়িত্বে অবেহলার দায়ে অধ্যাপক জাফর ইকবালের নিরাপত্তায় থাকা দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তিনি তাঁদের নাম ও পদবি কী তা জানাননি।

এর আগে গতকাল সিলেটে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৯-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, জাফর ইকবাল ইসলামের শত্রু—এই ধারণা করে তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে বলে ফয়জুর রহমান ওরফে ফয়জুল জানিয়েছে। গতকাল বিকেলেই তাকে জালালাবাদ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে প্রথমে রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে সিলেটের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিনি আরো বলেন, ‘সে কোনো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য কি না, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি। তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়জুর জানিয়েছে, সে দাখিল পাসের পর আলিমে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেয়। তবে কোন মাদরাসায় পড়াশোনা করেছে এ বিষয়ে একেক সময় একেক নাম বলছে।’ হামলার সময় তার সঙ্গে আর কেউ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব অধিনায়ক বলেন, ‘এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে সাধারণত একাধিকজন অংশ নিয়ে থাকে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিবারই সে বলেছে, একাই সে হামলা করতে এসেছিল।’ ঘটনার পর ফয়জুলের কাছ থেকে পুলিশ একটি চাবি ও একটি ছোরা পেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে বলেছে চাবিটি তার সাইকেলের। তবে সে হেঁটেই হামলা চালাতে এসেছে।’

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ফয়জুর শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই শেখপাড়া গ্রামে পরিবারের সঙ্গে থাকত। গতকাল সকাল ১০টার দিকে শহরতলির কুমারগাঁও শেখপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, ফয়জুরের বাড়ি তালাবদ্ধ। গত শনিবার রাতে পুলিশ তালা ভেঙে বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর আবার তালা মেরে দেয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই বাড়িটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছে কৌতূহলী জনসাধারণ। টুকেরবাজার ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘ফয়জুরকে কারো সঙ্গে মিশতে দেখতাম না। সে মাঝেমধ্যে বাড়ির বাইরে আসত, তবে কারো সঙ্গে মিশত না। ফয়জুর বুকের ওপর হাত দিয়ে নামাজ পড়ত। আমাদের মতো নামাজ পড়ত না।’

ফয়জুরের বাবা হাফিজ আতিকুর রহমান সিলেট শহরতলির একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। তাঁদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়। ফয়জুর একসময় মাদরাসাছাত্র ছিল। প্রায় চার বছর আগে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে ফেরি করে কাপড় বিক্রি শুরু করে ফয়জুর। একা ভিন্নভাবে নামাজ পড়ার কারণে তাকে গ্রামের মসজিদ থেকে বের করে দেয় মুসল্লিরা। এরপর সে আর বাড়িতে যায়নি। স্থানীয় এবং তার গ্রামের বাড়ির একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। ফয়জুরের বাড়ি দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের কলিয়ারকাপন গ্রামে। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ফয়জুর তৃতীয়। তার বড় ভাই এনামুল বর্তমানে মাদরাসায় পড়ছে। মেজো ভাই আব্দুল বিদেশে। চার বছর আগে সিলেট শহরতলির কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়ায় বাড়ি তৈরি করে তার পরিবার। এরপর থেকে এখানেই থাকছে সে। গ্রাম থেকে ১০-১৫ বছর আগে তারা সিলেট চলে আসে।

সিটিটিসির এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ফয়জুর অসুস্থ থাকায় তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছে না। সে আরেকটু সুস্থ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করা হবে। তিনি জানান, শাবিপ্রবির কয়েকজন ছাত্র আনসার আল ইসলামের আদর্শ গ্রহণ করেছে বলে তথ্য আছে। কয়েকজন ধরাও পড়েছে। ফলে আনসার আল ইসলামের দলকে সন্দেহে নিয়েই প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ২০১৫ সালে সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাসকে কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। ২০১৬ সালে রাজধানীর সূত্রাপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও সিলেটেরই ব্লগার নাজিমউদ্দিন সামাদকে একইভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। দুই ঘটনায়ই সিলেটকেন্দ্রিক আনসার আল ইসলামের জঙ্গিরা জড়িত। এ ছাড়া সিলেটে ব্লগার জগেজ্যাতিকে হত্যা করা হয় ২০১৩ সালে। সে ঘটনায়ও উগ্রপন্থীদের সন্দেহ করা হয়।

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি জানান, জাফর ইকবালের ওপর হামলার ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটির প্রধান হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল গণি। অন্য সদস্যরা হলেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান। উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ড. জাফর ইকবালের হামলা নিন্দনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা ক্যাম্পাসে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি।’

হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন ঘটনার দিন রাতেই মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় একটি এজাহার দেন। গতকাল রবিবার বিকেলে মামলাটি সন্ত্রাস দমন আইনে রেকর্ড করা হয়েছে। জালালাবাদ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, এজাহারে হামলাকারী আটককৃত যুবক ফয়জুরকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে র‌্যাব দুজনকে আটক করেছে। তাঁরা হলেন ফয়জুলের চাচা আবুল কাহ্হার ও সিলেট নগরের রাজা ম্যানশনের একটি কম্পিউটার দোকানের মালিক মঈন উদ্দিন। দ্বিতীয়জনের কম্পিউটারের দোকানে অভিযুক্ত আট মাস চাকরি করেছে। এর আগে শনিবার রাতে শহরতলির শেখপাড়া গ্রাম থেকে ফয়জুরের মামা ফয়জুর রহমানকে আটক করে পুলিশ।

গতকাল দিনভর প্রতিবাদে উত্তাল ছিল শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস। সকালে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে শুরু হয় দিনব্যাপী আন্দোলন। আজ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবেন শিক্ষকরা।

ঢাকায় সিএমএইচে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা সিএমএইচের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান, চিফ সার্জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান, নিউরো সার্জন কর্নেল মু. আমিনুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আমিনুর রহমান, ড. জাফর ইকবালের স্ত্রী সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইয়াসমিন হক, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ এবং কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।



মন্তব্য