kalerkantho


উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক শেষ

উন্নয়নশীল কাতারে দুই ঝুঁকি, সামাল দিতে টাস্কফোর্স

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



উন্নয়নশীল কাতারে দুই ঝুঁকি, সামাল দিতে টাস্কফোর্স

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ার পর বাংলাদেশকে বড় আকারে দুই ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে হবে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন এ অভিমত দিয়ে বলেছেন, প্রথমত, স্বল্পোন্নত দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ বহির্বিশ্ব থেকে এখন যতটা সহজ শর্তে ঋণ পায়, উন্নয়নশীল দেশ হয়ে গেলে সেটি পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডার বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হবে। বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) বৈঠকে গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন ড. জাহিদ হোসেন। বিডিএফের দুই দিনব্যাপী বৈঠক শেষ হয়েছে গতকাল।

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে গতকালের বৈঠকে গবেষণা প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ড. জাহিদ হোসেন। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, জাপান, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশ অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স (ওডিএ) হিসেবে যেসব ঋণ পায়, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলে সেসব ঋণের শর্ত কঠিন হয়ে যাবে। স্বল্পোন্নত দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ এখন রপ্তানিতে বিশেষ ভর্তুকি দিয়ে থাকে, যা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। উন্নয়নশীল দেশ হয়ে গেলে রপ্তানিতে বিশেষ ভর্তুকি দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। স্বল্পোন্নত দেশ হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ উন্নত বিশ্ব থেকে অনুদান পেয়ে থাকে। উন্নয়নশীল দেশ হয়ে গেলে সেই অর্থায়নও বন্ধ হবে। এলডিসিভুক্ত হওয়ায় জাতিসংঘকে কম চাঁদা দিতে হয় বাংলাদেশকে। উন্নয়নশীল দেশ হলে চাঁদার হার দ্বিগুণ হবে। এ ছাড়া জাতিসংঘের বিভিন্ন সভায় অংশ নিতে সরকারি প্রতিনিধিদল বিনা পয়সায় যাওয়ার যে সুযোগ পেয়ে থাকে, সেটিও বন্ধ হবে।

দুই দিনব্যাপী বিডিএফ বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন তোলা হয়। সেগুলোর মধ্যে ছিল—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাসংক্রান্ত। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের কম বরাদ্দ নিয়েও প্রশ্ন আছে উন্নয়ন সহযোগীদের। জিডিপির অনুপাতে রাজস্ব আদায়ের হার, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ উন্নয়ন সহযোগীদের। ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি এসডিজি বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব আদায়ের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আয়োজিত বিডিএফ বৈঠকের শেষ দিন গতকাল মোট চারটি কর্ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর একটি ছিল ‘এলডিসি থেকে উত্তরণ : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আযম এও বাণিজ্যসচিব শুভাশিষ বসু।

বিডিএফ বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এলডিসি থেকে উত্তরণে ঝুঁকির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আযম বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণে আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে বাংলাদেশ কোথায় কোথায় সমস্যায় পড়বে, সেসব বিষয়ে কাজ করছে টাস্কফোর্স।’

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিডিএফ বৈঠকে উপস্থিত উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে সম্মত হয়েছেন, তবে এ জন্য সরকারকে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

প্রবন্ধে ড. জাহিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হোক—এটা সবার চাওয়া। কিন্তু এলডিসি থেকে বের হলে কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তার কোনো উদাহরণ ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সামনে নেই। শুধু অনুমান করতে পারি।’ ১৯৯১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই সময়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়া পাঁচটি দেশের উদাহরণ দিয়ে ড. জাহিদ বলেন, ‘বতসোয়ানা, মালদ্বীপ, সামোয়া, গিনি ও কেপ ভাদ্রে—এই পাঁচটি দেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে গেছে। এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করলে ভুল হবে। কারণ পাঁচটি দেশের জনসংখ্যা বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম—দুই কোটি থেকে তিন কোটি। আমাদের শুধু ঢাকা শহরেই দুই কোটি মানুষের বসবাস।’

ড. জাহিদ মনে করেন, এলডিসি থেকে উত্তরণ হলেই যে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়বে, এমন ধারণা করা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণায় পরিবর্তন আসবে। কিন্তু এফডিআই বাড়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব কাজ করবে না। কারণ এফডিআই বাড়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিবেশ, নীতি কৌশল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, অবকাঠামো, প্রাকৃতিক সম্পদ—এসব কিছু নির্ভর করে। এ ছাড়া উন্নয়নশীল দেশ হলেই প্রবাসী আয় বেড়ে যাবে এমন ধারণাও ঠিক নয়। কারণ প্রবাসী আয় বাড়ার ক্ষেত্রে এলডিসি স্ট্যাটাস নির্ভর করে না। নির্ভর করে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা, প্রবৃদ্ধি ও আয়—এসব বিষয়ের ওপর। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলে রপ্তানিতে অতিরিক্ত ৭ শতাংশ ট্যারিফ চার্জ দিতে হবে। এতে করে বাংলাদেশের রপ্তানি সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কমে যাবে। এর পরিমাণ ১৫০ কোটি থেকে ২২০ কোটি ডলার। তবে উন্নয়নশীল দেশে গেলে এসব সুবিধা বাংলাদেশ যাতে না হারায়, সে জন্য বিকল্প কিছু প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

ড. জাহিদের মতে, বিশ্বে অনেক দেশ আছে যারা এলডিসিভুক্ত না হয়েও এলডিসির সুবিধা পেয়ে থাকে। আবার অনেক দেশ আছে যারা এলডিসিভুক্ত দেশ হয়েও সুবিধা পায় না। বাংলাদেশ যখন এলডিসি থেকে বের হবে, তখন উন্নত বিশ্ব বাংলাদেশের কাছে আসবে এসব সুবিধা বাতিলের বিষয়ে কথা বলতে। তখন তাদের বোঝাতে হবে, ঋণের শর্ত কঠিন করলে, জিএসপি বাতিল করলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়বে। মানুষ আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে আসবে। তাদের বোঝাতে পারলে তখন ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত বিশ্ব সুবিধা বহাল রাখতে পারে।

এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে বাংলাদেশ কী কী সুবিধা পাবে সে বিষয়ে ড. জাহিদের মত, আত্মবিশ্বাস বাড়বে দেশের। সম্মান বাড়বে। ভিয়েতনামের মতো অনেক দেশের সঙ্গে এফটিএ করতে পারবে। জিএসপি প্লাস সুবিধাও পেতে পারে।

পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুরের কণ্ঠেও ছিল একই সুর। তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে বেশ কিছু ঝুঁকি তৈরি হবে। সে জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ তাঁর। প্রস্তুতি সম্পর্কে একটি ধারণাও দিলেন তিনি। জিএসপি প্লাস, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ করার সুযোগ, উৎপাদনশীলতা, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শ্রমিকের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি কারখানার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

আর ড. জাহিদ হোসেন এলডিসি থেকে উত্তরণের পর প্রভাব মোকাবেলায় তিনটি পরামর্শ দেন। সেগুলো হলো—জনসংখ্যার বোনাসকালকে কাজে লাগানো। ৬৫ শতাংশ কর্মক্ষম মানুষকে দক্ষ করতে তুলতে হবে। কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মসিউর রহমানও মনে করেন, সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার পেছনে আমাদের হাতে কিছু শক্ত ভিত্তি আছে। তার একটি হলো আমাদের জনসংখ্যা। বর্তমান জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ কর্মক্ষম। তাদেরকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।’ তাঁর মতে, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এখন দেশের উদ্যোক্তারা বিদেশ থেকে ঋণ নিচ্ছেন। একই সঙ্গে দেশের বাইরে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছেন। এতেই প্রমাণিত, বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়ছে। এখন থেকে পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনার কথাও বলেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করতে উন্নয়ন সহযোগীরা কোনো ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা ধীর নীতি অবলম্বন করেছি। কারণ মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, তাতে দৈনিক দেড় হাজার রোহিঙ্গাকে তারা ফেরত নেওয়ার কথা। দেখি কতজন শেষ পর্যন্ত ফিরে যায়। যখন দেখব মিয়ানমার আর রোহিঙ্গা ফেরত নিচ্ছে না, তখন আমরা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে তাদের জন্য সহযোগিতা চাইব। ইতিমধ্যে আমরা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগও করেছি।’

বৈঠকের শেষ দিনে আরো তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আলোচনা হয় নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে অর্থায়নই প্রধান চ্যালেঞ্জ নিয়ে। দুই দিনের বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতের কম বিনিয়োগ, জিডিপির অনুপাতে রাজস্ব আদায়ের হার কম, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উন্নয়ন সহযোগীরা।

নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধি ইউএসএআইডির আবাসিক প্রধান ও এলসিজি কো-চেয়ার ইয়ানিনা জারুজেলস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সব সময় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটের পক্ষে সহযোগিতা করে আসছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘এবারের বিডিএফ বৈঠক আমার জন্য শেষ বৈঠক। এরপর আর এখানে থাকতে পারব না।’ যে সরকারই পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসবে তারা এই বৈঠক অব্যাহত রাখবে—এমন আশা ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর মতে, নিজস্ব অর্থায়নে এসডিজি বাস্তবায়ন কঠিন। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা জরুরি। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লক্ষ্য নির্ধারণ করে বাস্তবায়নের কৌশল ঠিক করে কাজ শুরু করতে চায় সরকার।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকারকে শান্তিতে কাজ করতে দিতে হবে। কোনো হরতাল, অবরোধ যাতে না হয়, সে নিশ্চয়তা থাকতে হবে। স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, কারখানা তার নিজের মতো করে চলতে হবে। তাহলে কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

দুই দিনের সম্মেলনে কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈদেশিক বিনিয়োগ, স্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, উন্নয়নপ্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের আরো বেশি অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ, নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীরা একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হন।

গত বুধবার সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


মন্তব্য