kalerkantho


‘ঘাঁটিতে’ জাপাকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ

রফিকুল ইসলাম, বরিশাল   

১৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



‘ঘাঁটিতে’ জাপাকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ

একসময় বাকেরগঞ্জ ছিল জেলা। ছিল ১৩ জমিদারের বসবাস। জেলা থেকে বাকেরগঞ্জ এখন উপজেলা। একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলা সংসদীয় আসন বরিশাল-৬। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি এখানে খুবই মজবুত। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়জয়কার অবস্থা। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ ছাড় দিচ্ছে জাতীয় পার্টিকে। কিন্তু স্থানীয় রাজনীতিতে এ নিয়ে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা আসনটি আর জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে চায় না।

অন্যদিকে সংসদের বাইরে থাকা বিএনপিতে এ সমস্যা না থাকলেও দলটির ভেতরে বিরোধ রয়েছে।

ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ : সংসদের বর্তমান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের নির্বাচনী এলাকা বাকেরগঞ্জ। জাতীয় সংসদের ১২৪ নম্বর নির্বাচনী এলাকাটিতে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে তিনি মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য হন। বর্তমানে এ আসনের সংসদ সদস্য তাঁর স্ত্রী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র নাসরিন জাহান রতনা আমিন। ২০১৪ সালে রুহুল আমিন আসনটি ছেড়ে দেন সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তাঁর স্ত্রী রতনা আমিনকে। তিনি নির্বাচন করেন পটুয়াখালী সদর আসন থেকে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। পৌরসভার মেয়র ও ১০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা। ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও আওয়ামী লীগের। যদিও নির্বাচনে দুটি ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি প্রার্থী দিয়েছিল। নির্বাচনের ফলাফলে তাদের অবস্থান ছিল শেষের দিকে। তা ছাড়া ’৯৬ সালে এ আসনে মাসুদ রেজা ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। সেই হিসাবে আসনটি আওয়ামী লীগের। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জোট হলে আগামী নির্বাচনেও রতনা আমিন জোটের মনোনয়ন পাবেন বলে জানা গেছে।

তবে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বলছে, আগামী নির্বাচনে এ আসনটি অন্য কোনো দলকে দেবে না তারা। নিজেদের আসন নিজেদের হাতেই রাখা হবে। নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয় দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ মল্লিককে। শেষ পর্যন্ত আসনটি  ছেড়ে দেওয়া হয় এরশাদের জাতীয় পার্টিকে। আওয়ামী লীগের ওপর ভর করেই মহাজোটের অংশীদার জাতীয় পার্টি নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল।



এসব বিবেচনায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাচ্ছেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ মল্লিক, বাকেরগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম চুন্নু, পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মাসুদ রেজার স্ত্রী জেলা পরিষদের সদস্য আইরীন রেজা। তাঁদের মধ্যে মনোনয়ন দৌড়ে সামসুল আলম চুন্নু, আবদুল হাফিজ মল্লিক ও লোকমান হোসেন ডাকুয়া এগিয়ে রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছে, মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মনোনয়ন পেলে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের  নেতাকর্মীরা দলের কাউকে স্বতন্ত্র প্রার্থী করার কথা ভাবছে। কারণ জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের কর্মীদের মূল্যায়ন করেননি। এমনকি তিনি এলাকার উন্নয়নেও ভূমিকা রাখেননি। আওয়ামী লীগের কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন বলে দলীয় কর্মীরা আভাস দিয়েছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায়ের বঞ্চিত নেতারা তাঁকে (স্বতন্ত্র প্রার্থী) নেপথ্যে থেকে ভোটের বৈতরণী পার করিয়ে দিতেও পারেন।

এ আসনে নির্বাচন করার কথা রয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোহসীনের। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে বহু বছর ধরে তিনি এ এলাকায় সামাজিক-সাংস্কৃতিক নানা কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছেন এবং প্রচারও চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ছাত্রনেতা মোহসীন বলেন, ‘সারা দেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু বিগত ৯ বছরে স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন করতে পারেননি। উল্টো সামাজিক নিরাপত্তার টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘নদীভাঙন থেকে বাকেরগঞ্জকে রক্ষা, স্কুল উন্নয়ন এবং সর্বশেষ গোমা ব্রিজ প্রকল্প নিজের প্রচেষ্টায় একনেকে অনুমোদন করিয়েছি। মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চাইব।’

উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুল আলম চুন্নু বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলের বাস্তবতায় এ আসনটি আমাদের ঘাঁটি। ১৯৯২ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের সংগঠিত করে আসছি। ফলে ’৯৬ সালে এ আসনটি পুনরুদ্ধার করি। তারই ধারাবাহিকতায় গেল স্থানীয় নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীরা সবাই বিজয়ী হয়েছেন। কিন্তু পর পর দুইবার এখানে জাতীয় পার্টির এমপি হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে পিছিয়ে আছে এ এলাকাটি। ব্যক্তিগতভাবে আমি বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘তৃণমূল থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটাই দাবি, এবারের নির্বাচনে আমি নৌকা নিয়ে নির্বাচন করব। আমার বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীও তৃণমূলের দাবি মেনে নেবেন।’

পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া বলেন, ‘সংসদ সদস্য বাদে অধিকাংশ জনপ্রতিনিধিই আওয়ামী লীগের। আমাদের পক্ষে নির্বাচন করা খুব সহজ। কিন্তু আমাদের ব্যবহার করে জাতীয় পার্টি নির্বাচিত হচ্ছে। নির্বাচিত হয়ে ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। ফলে আসনটি কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তার দায়ভার বহন করতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে। এভাবে চলতে থাকলে আওয়ামী লীগ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমাদের দাবি, আগামী নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচন করবে।’  

হাফিজ মল্লিক বলেন, ‘ভোটের মাঠে এখানে যেকোনো দলের চেয়ে আওয়ামী লীগ পিছিয়ে নেই। মহাজোটের অংশীদার জাতীয় পার্টি এখানে নির্বাচনে জিতলেও তার পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগের সমর্থন। আমাদের নেতাকর্মীরাই দিন-রাত পরিশ্রমের মাধ্যমে তাদের বিজয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছিল। এ অবস্থায় মনোনয়ন প্রশ্নে নেত্রী এসব বিষয় মাথায় রাখবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস।’

আওয়ামী লীগের অভিযোগ প্রসঙ্গে রতনা আমিন বলেন, ‘নির্বাচনের পর থেকে সব উন্নয়নমূলক কাজ উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে করেছি। তাঁদের সঙ্গে কোনো মতবিরোধ নেই। তাঁরাও বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।’

মনোনয়ন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, ‘মহাজোটের অন্যতম শরিক দল হিসেবে জাতীয় পার্টি যে আসনগুলোর চাহিদা পাঠায় সেই তালিকার শীর্ষভাগেই বরিশাল-৬ আসনটি থাকে। আমার বিশ্বাস আগামীতেও এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে মহাজোট উপহার দেবে।’ 

জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘এ আসন থেকে পর পর সাতবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেছি। চারবারই নির্বাচিত হয়েছি। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনে রতনা আমিন নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৮ সাল থেকেই দীর্ঘ ৯ বছর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের সঙ্গে রয়েছি। এ সময়ে ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করেছি। কবাই সেতুর প্রকল্প অনুমোদন করিয়েছি। এ সেতু নির্মাণ হলে পাতাবুনিয়া-দুমকী-বাউফলের সঙ্গে বাকেরগঞ্জের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে।’

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রায় সব জনপ্রতিনিধিই আওয়ামী লীগের। তাই এ আসনে আসছে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। কিন্তু জোটের কারণে পর পর দুইবার এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে দলটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। তাই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এ আসনটি মিত্রদের ছেড়ে দিতে চাচ্ছে না। তার পরও কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ আসনটি ফের জাতীয় পার্টি পেলে দলীয় কর্মীরা ক্ষুব্ধ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে কর্মীরা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।’ 

বিএনপি এগিয়ে : সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মো. ইউনুস খান ১৯৯১ সালের নির্বাচনে এখানে বিএনপির টিকিটে সংসদ সদস্য হন। তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৯৪ সালের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য হন বিএনপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতা) অধ্যক্ষ আবদুর রশিদ খান। ’৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম আনোয়ার চৌধুরী বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে বিজয়ী হন। ওই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপিকে হটিয়ে আসনটি দখল করেন আওয়ামী লীগের মাসুদ রেজা।

জাসদ থেকে বিএনপিতে এসেই আবুল হোসেন খান ২০০১ সালে এ আসনে সংসদ সদস্য হন। ২০০৮ সালে মহাজোট  থেকে নির্বাচন করেন রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি বিএনপি প্রার্থী আবুল হোসেন খানকে হারিয়ে সংসদ সদস্য হন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই রুহুল আমিনকে ভোটে বিজয়ী করে।

আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন প্রশ্নে খুব একটা ঝামেলা না থাকলেও এখানে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকট। দলে একক আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন খানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছে, বহু দিন ধরেই বাকেরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপ রয়েছে। একটির নেতৃত্বে আছেন আবুল হোসেন খান এবং অন্যটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান।

শুরু থেকেই আবুল হোসেনের লক্ষ্য ছিল সব বিরোধিতা হটিয়ে নিজের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। সে লক্ষ্যে তিনি কাজও করেছেন। তবে উপজেলা বিএনপির একটি পক্ষ এতে বাদ সাধে। এর পরও বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপিকে সুশৃঙ্খল করতে আবুল হোসেনকে আহ্বায়ক করে কেন্দ্র একটি কমিটি করে দেয়। এই ধারাবাহিকতায় তিনিই যে এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাবেন সেটা যেমন নিশ্চিত, তেমনি তিনি নিজেও বলেছেন এ ব্যাপারে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পাওয়ার কথা।

অবশ্য আবুল হোসেন খানের এমন বক্তব্য মানতে নারাজ বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশী দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. শহীদ হাসান খান। ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিএনপি সমর্থক চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি শহীদ হাসান খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টি, জাসদ আর বাকশালের সাবেক নেতাদের নিয়ে আবুল হোসেন কমিটি করেছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে টাকা নিয়ে যাঁদের দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন, তাঁরা ২০০-৪০০ ভোট পেয়েছেন। মামলা-হামলা এড়াতে আন্দোলন করেছেন বরিশালে। খোঁজ রাখেননি কর্মীদের। তাঁকে শুধু কর্মীরা নয়, কেন্দ্রীয় বিএনপি বয়কট করবে।’

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আব্দুস শুকুর বাচ্চু বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমি ছাত্রদল থেকেই সম্পৃক্ত।  জেল-জুলুম-অত্যাচারের শিকার হয়েছি। তবুও তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। তাই তৃণমূল নেতাকর্মীরাই চাচ্ছে আমি নির্বাচনে অংশ নিই। তবে আমি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছি। তিনি বললে নির্বাচনে অংশ নেব।’

সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন বলেন, ‘এখানে বিএনপিতে কোনো রকম অন্তর্দ্বন্দ্ব কিংবা কোন্দল নেই। যদি  কেউ তেমন কিছু বলে থাকে তো মিথ্যা বলেছে। সামান্য ঝামেলা হয়েছিল, তা মিটিয়ে ফেলেছি। তা ছাড়া এখানে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত করা হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজে আমাকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। সে অনুযায়ী এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি।’



মন্তব্য