kalerkantho


স্বপ্ন জয়ের পথে বাংলাদেশ

আবুল কাশেম   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



স্বপ্ন জয়ের পথে বাংলাদেশ

যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো আর শূন্য ভাণ্ডার নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ ‘বিজয় যাত্রা’য় এগিয়েছে অনেক দূর। বাংলাদেশের ধারেকাছে নেই এখন পাকিস্তান। অর্থনৈতিক মাপকাঠিতে এক দশক আগেই পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গ্রহণযোগ্যতা কিংবা ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার খাতায় বাংলাদেশের নাম এখন অনেক ওপরে। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর কাছ থেকে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া বাংলাদেশের মুকুটে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন পালক। অর্থনৈতিক, সামাজিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক—সব স্তরেই রচিত হচ্ছে বিজয়গাঁথা। আক্ষরিক অর্থেই সমুদ্র থেকে মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে বাংলাদেশের বিজয়ের চিহ্ন।

২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসনামলে রাষ্ট্রীয় আয়ের পুরোটা যেত পশ্চিম পাকিস্তানে। বাঙালির ব্যক্তিগত আয়ের অংশও চলে যেত তখনকার ২২ পরিবারের পকেটে। ৪৬ বছর আগের উদ্যোক্তাশূন্য বাংলাদেশে এখন লাখো উদ্যোক্তা। সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানিতে পাকিস্তানকে তো পেছনে ফেলেছেই, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান অর্জন করে রেখেছে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত। একসময়কার আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ এখন আমদানি বিকল্প পণ্যের শিল্প-কারখানা গড়ে তুলেছে দেশজুড়ে। খাদ্য উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ সারির দেশগুলোর কাতারে বাংলাদেশের নাম লিখিয়েছে কৃষকরা। আয়তনে বিশ্বের ৯৪তম দেশ হয়েও সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় এবং ধান ও মাছ উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে বাংলাদেশ। খরাসহিঞ্চু ধান ও সবজি চাষে মঙ্গা দূর হয়েছে উত্তরাঞ্চল থেকে, উদ্ভাবিত হয়েছে বন্যা ও লবণাক্ততাসহিষ্ণু জাত। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে। দারিদ্র্য হ্রাসসহ নানা ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যকে ‘বিশ্বের বিস্ময়’ হিসেবে তুলে ধরছে বিশ্বব্যাংকসহ নানা সংস্থা।

বিশ্বব্যাংকের মাপকাঠিতে এরই মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ। উন্নয়ন-অগ্রগতির আরো বড় স্বীকৃতি আসছে আগামী মার্চে। ওই সময় জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএনসিডিপি) ত্রিবার্ষিক বৈঠকে প্রথম ঘোষণা আসবে, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার তিনটি শর্তই পূরণ করেছে। ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি শর্তই পূরণ করে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটাবে।

কোনো রকম যুদ্ধ-সংঘাত বা বৈরিতা ছাড়াই দুই প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের বিপক্ষে সমুদ্রবিজয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি টেরিটরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল এলাকায় একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকার প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মহীসোপান নিয়ে জাতিসংঘে চলমান মামলায়ও ভারত ও মিয়ানমারের বিপক্ষে জয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সাল নাগাদ এ মামলার রায় হতে পারে।

ভারতের নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের ফলে বাংলাদেশ যাতে শুকনো মৌসুমে পানিশূন্যতায় না ভোগে, সে জন্য দেশটির সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সই এবং এর নবায়ন বাংলাদেশের বড় সফলতা। এ ছাড়া স্বাধীনতার পরপর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে স্থলসীমান্ত চুক্তি হয়েছিল সম্প্রতি তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার সমাধান করা বাংলাদেশের বড় অর্জন বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

অভ্যন্তরীণ শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত সশস্ত্র পাহাড়িদের সঙ্গে ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তি ওই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে। পাহাড়ের সঙ্গে সমতলের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমছে। সেখানে শিক্ষার বিস্তার এবং জীবনমানের পরিবর্তন ঘটছে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারকাজে সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ ও গোষ্ঠীর চাপ সত্ত্বেও শীর্ষস্থানীয় অপরাধীদের বিচার শেষে রায় কার্যকর করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচারও শেষ হয়েছে। এ দুটি বিচার করতে পারা স্বাধীন বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য। 

৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে ১৭৫ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ এখন এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করছে। গত ৩০ নভেম্বর বিশ্বের ৩১টি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। ২০৪১ সালে উন্নত দেশে উন্নীত হওয়ার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করারও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

মহাকাশ জয়েও সাফল্যের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ আগামী মার্চে মহাকাশে উেক্ষপণ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডনে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বের গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের কাছে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত। রাস্তাঘাট, সেতু, রেল ধ্বংস হয়ে গেছে। বাড়িঘর স্বজনহারা লাখ লাখ মানুষকে খাওয়ানো তাঁর বড় চিন্তা।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সেই দেশ অবকাঠামো নির্মাণে চমক দেখিয়ে চলেছে। যমুনার ওপর বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু তৈরি হয়েছে দুই দশক আগেই। নিজস্ব অর্থে পদ্মার ওপর ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করার সাহস দেখাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার পর বিশাল এ প্রকল্প হাতে নেওয়ার ঘটনা অনেক দেশ ও সংস্থাকে বিস্মিত করেছে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হয়েছে। ঢাকায় মেট্রো রেল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বাস্তবায়িত হচ্ছে কর্ণফুলী ট্যানেল নির্মাণ কার্যক্রম। এ ছাড়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ, গঙ্গা ব্যারাজ ও যমুনা ট্যানেল নির্মাণের পরিকল্পনা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার পরিচয় তুলে ধরছে বিশ্বের সামনে।

গত কয়েক বছরে ডিজিটাইজেশনে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করছে। ভূমিব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের ফলে মানুষের দুর্ভোগ কমছে। ই-টেন্ডারিং, ই-জিপির ফলে দুর্নীতি কমছে। ১০ টাকায় কৃষক ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করার ঘটনাও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদাহরণ হিসেবে কাজে লাগছে।

মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে বাঙালির ১৯৫২ সালের রক্তদানের ঘটনার স্বীকৃতি দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেসকো। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণও বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ইউনেসকোর দলিলে। বৈশ্বিক ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সংসদ সদস্যদের দুটি সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের দুই সংসদ সদস্য। গ্রামীণ ব্যাংক ও এর প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয় করেছেন।  

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, “বিশ্বের বড় বড় গবেষণা সংস্থা ও মিডিয়া বাংলাদেশের অগ্রগতিকে বিস্ময়কর বলে অভিহিত করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি তাদের কাছে ধাঁধার মতো মনে হচ্ছে। কারণ স্বাধীনতার পরপর পাশ্চাত্যের অনেক পণ্ডিত ও মিডিয়া বাংলাদেশকে নিয়ে হতাশা দেখিয়েছে। হেনরি কিসিঞ্জারের মুখ থেকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র কথা শুনেছে। সেই বাংলাদেশের গত ৪৬ বছরে এতটা অগ্রগতি ও সাফল্য দেখে তারাও বিস্মিত। স্বাধীনতার পর আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৯০ ডলার, এখন তা ১৬১০ ডলারে পৌঁছেছে। পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে এই সেতুর ওপর দিয়ে ট্রান্স-এশিয়ান রেল চলবে। বর্তমানে চলমান ও পরিকল্পনায় থাকা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে বাংলাদেশের রূপই পাল্টে যাবে।”

ড. শামসুল আলম আরো বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ছাড়া বাংলাদেশের কিছু ঐতিহাসিক অর্জনও রয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই সমুদ্র সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি হয়েছে। বাংলাদেশ তার ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে পেরেছে। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল সমস্যাও মিটে গেছে।

তবে বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতির পথে এখনো বেশ কিছু অন্তরায় রয়ে গেছে। এসবের মধ্যে আছে রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, ঋণখেলাপের সংস্কৃতি, দুর্বল অবকাঠামো, শিল্পের অনগ্রসরতা, আমদানিনির্ভরতা, অশিক্ষিত ও অদক্ষ জনশক্তি, নদ-নদী মরে যাওয়াসহ পরিবেশদূষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যানজট ইত্যাদি।

দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের একটি সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় রাজনীতিতে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে তা এখনো কাটেনি। এ কারণে দেশে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

উন্নয়নের পথে বড় বাধা হয়ে আছে দুর্নীতিও। একসময় দুর্নীতিতে এক নম্বরে ছিল বাংলাদেশ। দুর্নীতির দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যে জাতিগত প্রচেষ্টার প্রয়োজন ছিল, তা সংগঠিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে দেশে দুর্নীতিবাজদের শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত হয়েছে। একটি প্রভাবশালী মহল এখনো নানাভাবে দুর্নীতি করে যাচ্ছে। ঋণের নামে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি সেবা দিতে গিয়ে ঘুষ নেওয়া, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন করছে একটি শ্রেণি। পেছন থেকে তাদের উৎসাহ জোগাচ্ছে কিছু প্রভাবশালী।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, শুধু বায়ুদূষণের কারণে দেশে প্রতিবছর ক্ষতি হয় জিডিপির ১ শতাংশ বা ২৫০ কোটি ডলার (২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা)।

যানজট এখন রাজধানীবাসীর সারা বছরের সমস্যা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এমন সমস্যা রয়েছে। দেশের অগ্রগতি ব্যাহত করে দিচ্ছে এ ভয়ংকর সমস্যা। যানজটের কারণে যে সময় নষ্ট হচ্ছে, অর্থনীতির বিচারে তা ভয়াবহ। এ সমস্যা উৎপাদনশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রপ্তানি বাণিজ্যকে অনিশ্চিত করে তুলছে; যদিও এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কিছু বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

একদিকে যেমন ব্যাংকের ঋণ বিতরণ বাড়ছে না, অন্যদিকে আগে বিতরণ হওয়া ঋণের টাকাও ফেরত পাচ্ছে না ব্যাংক। এতে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, চলতি বছরের জুন প্রান্তিক শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, যা এ সময় পর্যন্ত বিতরণ হওয়া ঋণের ১০.১৩ শতাংশ। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এ খাতে খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১২ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা।

 

 


মন্তব্য