kalerkantho


ভর্তি-নিয়োগ জালিয়াতচক্রের হাতের মোয়া

এস এম আজাদ   

২২ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ভর্তি-নিয়োগ জালিয়াতচক্রের হাতের মোয়া

দেখতে ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মতোই। গায়ে বড় করে লেখা ‘মাস্টারকার্ড’।

ওপরে নম্বরও দেওয়া আছে। এই কার্ডের বিশেষত্ব হচ্ছে, এতে মোবাইল ফোনের সিম কার্ডও ঢোকানো যায়। আছে কেবল বা তার লাগানোর পোর্ট। ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন নাম রয়েছে এই কার্ডের। সবচেয়ে প্রচলিত নাম ‘ব্লুটুথ কমিউনিকেশন হ্যান্ড ডিভাইস’। এই বিশেষ ডিভাইস দিয়েই ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের জালিয়াতি। এর সূত্র ধরে খোঁজ নিতে গিয়ে মিলছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এই জালিয়াতির সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) এক কর্মকর্তা, রাজধানীর ফার্মগেটের ‘ওমেকা’ কোচিং সেন্টারসংশ্লিষ্ট দুই কলেজশিক্ষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায়ও জালিয়াতি ধরা পড়ে।

এরপর সিআইডি ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে ছয়জনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা সবাই ব্লুটুথ কমিউনিকেশন হ্যান্ড ডিভাইস ব্যবহার ও বিক্রিসহ জালিয়াতি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।

সর্বশেষ গত সোমবার রাতে ঢাবি থেকে সেখানকার সাত ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তারা সবাই গত বছর এই ডিভাইস জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাবিতে ভর্তি হয়েছে। এই সাতজনকে গ্রেপ্তারের আগে গত তিন সপ্তাহে চার হোতাকে গ্রেপ্তারের তথ্যও জানিয়েছে সিআইডি। ওই চারজনের মধ্যে ঢাবির ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাভিদ আনজুম তনয় (২৪) তিন দিনের রিমান্ড শেষে গতকালই ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এনামুল হক আকাশ (১৯) নামের গাজীপুরের পুবাইলের এক তরুণকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। রাজধানীর আগারগাঁও থেকে গত ১ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সোবহান নাফি এবং ৩ নভেম্বর ধানমণ্ডি থেকে গ্রেপ্তারের পর আনিন চৌধুরী আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। ২০ অক্টোবর গ্রেপ্তারের পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন রানা, ঢাবির ছাত্র আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ইশরাক আহমেদ রাফীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। ডিভাইস জালিয়াতি ধরা পড়ার দিনই ১২ ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীকে আটকের পর এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সিআইডির একাধিক সূত্র কালের কণ্ঠকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ই-কমার্স ওয়েবসাইট অ্যামাজন ডটকম এবং চীন থেকে ডিভাইসটি (মাস্টারকার্ডসদৃশ) সংগ্রহ করে তিন বছর ধরে জালিয়াতি করছে একটি বড় সিন্ডিকেট। এই চক্রের অন্যতম হোতা বিকেএসপির সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) অলিপ কুমার বিশ্বাস। তাঁর এলিফ্যান্ট রোডের বাসায় বসেই প্রশ্ন ফাঁস ও উত্তর পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিল চক্রটি। সিআইডির অভিযানে গাঢাকা দিয়েছেন অলিপ। তবে চলতি সপ্তাহে কর্তৃপক্ষ তাঁকে বরখাস্ত করেছে। ফার্মগেটের ওমেকা কোচিং সেন্টার সংশ্লিষ্ট দুই কলেজশিক্ষকেরও নাম পেয়েছে সিআইডি। বহিষ্কৃৃত রানা ছাড়াও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের নামও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। গত তিন বছরে এই ডিভাইস জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে কমপক্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে গড়ে দুই থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে জালিয়াতচক্র। চক্রের হোতারা ডিভাইস দিয়ে সনদপত্র জামানত রেখে টাকা আদায় করে। এরপর ‘কাটআউট’ পদ্ধতিতে বেরিয়ে যায়। পরিচয় গোপন রেখে কাজ সারে তারা। এ কারণে গত কয়েক বছর জালিয়াতি ধরা পড়লেও নেপথ্যের হোতাদের সন্ধান মেলেনি। এবার ডিভাইস সরবরাহকারী থেকে ব্যবহারকারী পর্যন্ত নেটওয়ার্ক ধরে কাজ করছে সিআইডি।

শুধু ঢাবি নয়, এই ডিভাইসের মাধ্যমে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভর্তি পরীক্ষায়ও জালিয়াতি হয়েছে। এখন নাম উঠে আসা এক ডজন হোতা ও ডিভাইসের মূল খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

সূত্র জানায়, প্রাথমিক তদন্তে বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাসের নাম পায় পুলিশ। তাঁর ছোট ভাই উৎপল এবং জেনিথও চক্রের সঙ্গে জড়িত। জেনিথ ক্লায়েন্ট বা ক্রেতা সংগ্রহ করে। ইলেকট্রনিক ডিভাইস সরবরাহকারী অলিপ ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেছেন। কলেজে থাকাকালে তিনি ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। পরীক্ষার্থীদের কাছে সংগৃহীত টাকা তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর একটি রসিদও পেয়েছে পুলিশ। রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে বাসা নিয়ে থাকলেও তাঁর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীতে।

জব্দকৃত মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন ব্যক্তির আইডিতে প্রশ্নপত্রের ছবি ও রোল নম্বর পেয়েছে সিআইডি। ঘটনার তদন্তে ঢাবির ছাত্র সমীর, মিজান, আজাদ, ওমেকা কোচিংয়ের তন্ময়, মাইলস্টোন স্কুলের সাবেক ছাত্র সুব্রতর নাম জানা যায়।

সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনার অন্যতম হোতা তনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। গত ১৪ নভেম্বর রংপুরের কামালকাছনা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রথমে দুই দিন ও পরে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে গতকাল সে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এর আগে তয়ন পুলিশকে জানায়, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টাকার বিনিময়ে ডিভাইস এবং পরীক্ষার আগে কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁস করে বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে সে ঢাকা, জগন্নাথসহ বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে সহায়তা করে। তনয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ নভেম্বর পুবাইল থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত সোমবার থেকে সে দুই দিনের রিমান্ডে আছে। তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ আকাশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী। দুই-তিন বছর ধরে সে এই চক্রে জড়িত। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাবি উপাচার্যের অনুমতি নিয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় সোমবার রাতে তানভীর আহমেদ মল্লিক, বায়জিদ, নাহিদ ইফতেখার, ফারদিন আহমেদ সাব্বির, প্রসেনজিৎ দাস, রিফাত হোসাইন ও আজিজুল হাকিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা গত বছর ওই ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাবিতে ভর্তি হয়েছে। শুধু ঢাবি নয়, ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষা ও মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষাতেও জালিয়াতির তথ্য পেয়েছি আমরা। সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিটি ভর্তির জন্য দুই থেকে সাত লাখ করে টাকার লেনদেন হয়েছে। এই চক্রে এক কলেজশিক্ষকসহ কয়েকজনের নাম এসেছে। এগুলো আমরা তদন্ত করে দেখছি। ’

সিআইডির একাধিক সূত্র জানায়, ২০ অক্টোবর গ্রেপ্তারের পর ঢাবি ছাত্র ও বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা রানা, মামুন ও রাফিকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর ২৪ অক্টোবর রানা ও রাফি আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেও মামুন দেয়নি। পরে আবার তাকে রিমান্ডে নেয় সিআইডি। ২৮ অক্টোবর মামুনও স্বীকারোক্তি দেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আগারগাঁওয়ের তালতলা থেকে নাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্র সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দিতে তনয়সহ একটি বড় সিন্ডিকেটের নাম জানায়। সে বলে, আগে সে ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল। তখন এই চক্রের সঙ্গে পরিচয়। সে আনিন চৌধুরীর নাম জানায়। এরপর ধানমণ্ডি থেকে আনিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। আনিনের অ্যাকাউন্টে মোর্শেদ চৌধুরী নামে এক অভিভাবক ১১ লাখ টাকা দিয়েছেন তাঁর মেয়েকে মেডিক্যালে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার জন্য। আনিন ও নাফিকে জিজ্ঞাসাবাদে ডিভাইস চক্রের সূত্র পেয়ে তনয় ও আকাশকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারীরা।

সিআইডির একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘তনয়ের অ্যাকাউন্ডে ৬০ লাখ টাকার লেনদেন পাওয়া গেছে। ভর্তি জালিয়াতিতে কয়েক কোটি টাকার কারবার হয়ে গেছে। এখানে আলাদা সিন্ডিকেট আছে। ডিভাইসও আলাদাভাবে সংগ্রহ করা হয়। তবে চেইন এক জায়গায়। কাট-আউটের মাধ্যমে বের হয়ে যাওয়ার কারণে অলিপসহ অন্যরা ধরা পড়েনি। অলিপ নিজে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ’ জালিয়াতির টাকার ব্যাপারে ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘গরিব ঘরের ছেলে প্রসেনজিৎ গত বছর ৬০ হাজার টাকা দিয়ে সুবিধা পায়। আর ইফতেখার দিয়েছিল সাড়ে চার লাখ। এভাবে ভিন্ন অ্যামাউন্ট নেয়। তনয়ের মতো মাঝে যারা, তারা বেশি টাকা পেলে নিজের পকেটে পুরে। ’

সিআইডি সূত্র জানায়, জালিয়াতচক্র চীন থেকে ওই ডিভাইস আমদানি করছে। আবার অনেকে আন্তর্জাতিক ই-কমার্স ওয়েবসাইট অ্যামাজন ডটকম থেকে ডিভাইসটি সংগ্রহ করে। ভারতেও আট হাজার রুপিতে ডিভাইসটি পাওয়া যায়। একটি দল ডিভাইসের সাহায্যে পরীক্ষার্থীদের সংযুক্ত করে উত্তর বলে দিত। দলের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক এবং বাসায় উত্তর তৈরি করা একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত। তারা শিক্ষার্থীদের ওই ডিভাইসে সংযুক্ত করে ‘১-ক, ২-খ’—এভাবে ক্রম অনুসারে উত্তর বলে দিত। তারা চারটি সেটের প্রশ্নই বলত। ঢাবি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন নেওয়া নিষিদ্ধ হলেও সেখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তাদের একটি চক্র স্মার্ট ফোন দিয়ে প্রশ্নের ছবি তুলে পাঠায়। এ জন্য ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পায় তারা। এভাবে প্রশ্ন প্রকাশে জড়িত বলে মনির নামে এক দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারিতে রেখেছে সিআইডি। সূত্র মতে, মাস্টারকার্ডের মতো দেখতে পাতলা ডিভাইসটি শিক্ষার্থীরা শরীরে বহন করে। পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীর কানে থাকে অতি ক্ষুদ্র ‘লিসেনিং কিট’। এ ডিভাইসের মাধ্যমে বাইরে থেকে হলের ভেতরে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তর বলে দেওয়া যায়।

তদন্তকারী এক কর্মকর্তা জানান, চক্রটি শিক্ষার্থীদের আসল সার্টিফিকেটের কপি জামানত হিসেবে জমা রেখে ডিভাইসগুলো সরবরাহ করে। পরীক্ষা শেষে ডিভাইস ফেরত দিয়ে সার্টিফিকেট ফেরত নেয় শিক্ষার্থীরা। গত বছরও ঢাবিতে সিআইডি একটি চক্রকে ধরে এমন তথ্য পায়। তখনই একই ডিভাইস ব্যাপারের প্রমাণ মেলে।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম ও আসলাম উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, জালিয়াতচক্রের সঙ্গে জড়িতরা তিন বছর ধরে বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করেছে। এই বড় চক্রটিকে ধরতে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। বিকেএসপির কর্মকর্তা ও শিক্ষকের ব্যাপারে জানতে চাইলে সিআইডির কর্মকর্তারা বলেন, তদন্তের স্বার্থে নাম বা জড়িতদের ব্যাপারে বলা যাবে না। এখনো তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অলিপের ব্যাপারে আমরা জানতে পেরেছি। সে প্রতিষ্ঠানেও অনুপস্থিত আছে। নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে দুই-তিন আগে আমরা তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছি। তদন্তের প্রমাণ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

 


মন্তব্য