kalerkantho


বিমানকে বদলে ফেলার সুযোগ হাতছাড়া!

আশরাফুল হক রাজীব   

১২ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০



বিমানকে বদলে ফেলার সুযোগ হাতছাড়া!

৩ জুলাই, সোমবার। সচিবালয়ে চলছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।

একপর্যায়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহমেদকে বলেন, ‘এপিএ করছি ঠিকই। কিন্তু কী লাভ? বিমানের মিড লেভেলে (মধ্যস্তরে) কোনো জবাবদিহি নেই। লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে অচলাবস্থা। ঠিক সময়ে বিমান ছাড়ে না। অনলাইনে টিকিট বুকিং নিতে গেলে দেখা যায় সিট নেই। অথচ বিমান উড্ডয়নের সময় রহস্যজনকভাবে দেখা যায় খালি যাচ্ছে। ’ মন্ত্রীর এ কথার জবাবে বিমানের এমডি মাথা নুইয়ে কোমলভাবে বলেন ‘স্যার, আমরা তো চেষ্টা করছি। ’

মন্ত্রী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিবসহ মন্ত্রণালয় ও বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। উপস্থিত একজন কর্মকর্তা ঘটনাটি কালের কণ্ঠকে জানিয়ে বলেন, “ওই চেষ্টা পর্যন্তই শেষ।

বিমানকে সোজা করে দাঁড় করানোর চেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও করেছেন। তিনি ‘হাঙ্গেরি ঘটনার’ পর বিমানকে পুনর্গঠন করে লাভজনক করার জন্য বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে বলেছিলেন ‘যা করা দরকার, আপনি তাই করুন। ’ মন্ত্রী হিসেবে রাশেদ খান মেননও চেষ্টা করছেন। কিন্তু ওই পর্যন্তই। বিমান যেখানে ছিল সেখানেই আছে। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ‘ব্লাংক চেক’ কাজে লাগাতে পারেননি বিমানমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়। বিমানের কোনো উন্নতি নেই। বরং অনেক ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। ” ওই কর্মকর্তা হতাশার সঙ্গে বলেন, বোয়িং কম্পানির অত্যাধুনিক এয়ারক্রাফট দিয়ে বিমানকে আমূল বদলে ফেলার সুযোগ ছিল। বিমানকে ঢেলে সাজানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সবুজসংকেত পাওয়ার এ সুযোগকে মন্ত্রী বা বিমান কেউই কাজে লাগাতে পারেননি।

দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীরা বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন। একের পর এক প্রতিবেদনেও ধরা পড়ছে বিমানের বিশৃঙ্খলার চিত্র। শিডিউলের ঠিক নেই। ১২টার ফ্লাইট কয়টায় ছাড়বে এটা বিমানও বলতে পারে না। গত হজ মৌসুমে ২১টি হজ ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে হজযাত্রীর অভাবে। বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো অভ্যন্তরীণ রুটে চুটিয়ে ব্যবসা করছে। তারা দিনে একাধিক ফ্লাইট চালাচ্ছে। তাদের যাত্রীর অভাব হচ্ছে না। যাত্রীর অভাব হয় শুধু বিমানের বেলায়। গত রোজার শেষ দিকে নভোএয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজসহ অন্যান্য বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো যেখানে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালিয়েছে, সেখানে বিমান অভ্যন্তরীণ রুটে সব ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে। গত ২১ জুন বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটের সব ফ্লাইট বাতিল করায় যাত্রী দুর্ভোগ বেড়েছিল। ড্যাশ-৮ মডেলের দুটি উড়োজাহাজের ত্রুটি সারাইয়ের কাজ করার কারণে এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। ড্যাশ-৮ মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে ঢাকাসহ দেশের আটটি রুট ও বিভিন্ন আঞ্চলিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান। এ দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে একটি প্রায় সব সময়ই বিকল হয়ে পড়ে থাকে। সবেধন নীলমণি অন্য ড্যাশ উড়োজাহাজও বিকল হয়ে পড়ায় অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়। অথচ অন্য এয়ারলাইনসগুলো অনেক আগেই ড্যাশ-৮ মডেলের এয়ারক্রাফট বাদ দিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ঢাকা-কলকাতা রুট থেকে ড্যাশ-৮ এয়ারক্রাফট প্রত্যাহার করার জন্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেন। অবশ্য এর আগে থেকেই অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রুট পরিচালনার জন্য কানাডা থেকে এয়ারক্রাফট আনার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ডাকে সময়মতো সাড়া দেয়নি বিমান।

বিমানের মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিমানের কোনো জবাবদিহি নেই। এপিএ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মিড লেভেলে জবাবদিহি না থাকার কথা বললেও আসলে পুরো বিমানেই কোনো জবাবদিহি নেই। মন্ত্রী বা মন্ত্রণালয়ের কোনো তদারকির সুযোগ নেই। বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমদ তাঁর মতো করে বিমান চালিয়েছেন। বিমানের নীতিনির্ধারণী সব বিষয়ে মাথা ঘামিয়েছেন। ’ বিদ্যমান সমস্যাবলি নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ এনামুল বারীর ভাষ্য হচ্ছে, বর্তমান বাস্তবতায় পরিচালনা পর্ষদ মন্ত্রীর তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন।

বিমান পরিচালনা পর্ষদে কারা থাকবেন তা নির্ধারণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে। জামালউদ্দিন আহমদ যখন বিমানের চেয়ারম্যান ছিলেন তখন তাঁকে সরিয়ে মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিলেন তৎকালীন মন্ত্রী জি এম কাদের। কিন্তু তাতে সাড়া দেননি প্রধানমন্ত্রী। জামালউদ্দিনের ওপর প্রধানমন্ত্রীর আস্থা ছিল। কিন্তু এখন আর সেই অবস্থা নেই। খোদ প্রধানমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে ডেকে বলেছেন বিমানের জন্য যা প্রয়োজন আপনি তা করুন। এই সুযোগ এখনো কাজে লাগাতে পারেননি রাশেদ খান মেনন।

এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি স্বীকার করেন খোদ বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিমানে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে কিছু কাজ হয়েছে। শিগগিরই আরো ভালো কিছু কাজ হবে। ’

বিমানের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে কার্গো হ্যান্ডলিং। কার্গো হ্যান্ডলিং বিমানের অন্যতম লাভজনক খাত। অথচ এই লাভজনক খাতটি পেশাগতভাবে পরিচালনা করেনি বিমান। এয়ারক্রাফট থেকে যাত্রীদের লাগেজ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত উপকরণ নেই বিমানের। যে কটি রয়েছে সেগুলোর চালকরাও দক্ষ নন। ফলে ২৭ মিনিটে যাত্রীদের লাগেজ তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার যে ঘোষণা বিমান দিয়েছে তা কাগজেই রয়ে গেছে। কার্গো নিয়েও বিমান হিমশিম খাচ্ছে। বিদেশ থেকে একটি কার্গো এলে তা ছাড় করানোর জন্য এজেন্টদের নানা টেবিলে ধরনা দিতে হয়। অথচ অটোমেশন বা ওয়ান স্টপ সার্ভিস করা হলে সব কিছু এক জায়গায়ই শেষ করা সম্ভব ছিল।

বিমানের জনবল নিয়ে সমস্যা রয়েছে। যেভাবে বিমান জনবল নিয়োগ দিচ্ছে তা বৈধ নয়। যেখানে জনবল দরকার নেই সেখানে অতিরিক্ত জনবল আছে। আর যেখানে জনবল বেশি দরকার সেখানে পর্যাপ্ত জনবল নেই। বিমানের কোনো অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামোই নেই।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাঙ্গেরি যাওয়ার সময় বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় তুর্কমেনিস্তানের আশখাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য কে দায়ী তা এখনো চিহ্নিত হয়নি। বিমান এ ঘটনায় সাতজনকে চিহ্নিত করলেও আজও পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত শেষ করতে পারেনি। এই সাতজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। ত্রুটির ঘটনায় তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকারকে প্রধান করে মূল কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি ১০ দফা সুপারিশ করে। তার মধ্যে প্রধান সুপারিশ ছিল বিমানকে এসেনশিয়াল সার্ভিস ঘোষণা করা। এ সুপারিশ পাওয়ার পর বিমানের সার্ভিসকে অত্যাবশ্যকীয় ঘোষণা করা হয়েছে। হাঙ্গেরি ঘটনার পর এটাই একমাত্র দৃশ্যমান অগ্রগতি। অত্যাবশ্যকীয় সার্ভিস ঘোষণার পরও বিমানে তা কার্যকর হচ্ছে না। এ সময় বিমানে ট্রেড ইউনিয়ন বন্ধ থাকার কথা থাকলেও তা বহাল রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিমানের নিয়োগবিধি সংশোধন করে তাতে মেধাবী, তরুণ ও কর্মঠ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ এবং তাঁদের পদোন্নতির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার জন্য তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে। তদন্ত কমিটির এ সুপারিশ আমলেই নিচ্ছে না বিমান। সংস্থাটি সাংগঠনিক কাঠামো না থাকার পরও দেদার জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। তদন্ত কমিটি বিমানে এএইচএম (এয়ারক্রাফট হেলথ মনিটরিং) প্রচলন করার সুপারিশ করেছে। এএইচএম চালু করা হলে ঢাকায় বসে এয়ারক্রাফটের অয়েল কোয়ালিটিসহ অন্যান্য প্যারামিটার পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। তদন্ত কমিটির এ সিদ্ধান্তও কার্যকর করেনি বিমান।

কমিটি বিভিন্ন সময় বিমান দুর্ঘটনা এবং এসংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করার সুপারিশ করে। বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এ কমিটি গঠন করলেও আজও তারা প্রতিবেদন চূড়ান্ত করতে পারেনি।

তদন্ত কমিটি আন্তর্জাতিক মানের সেবা দেওয়ার জন্য বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও কার্গো সার্ভিসকে আউটসোর্সিং করার সুপারিশ করে। গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্তও বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিমান।

তদন্ত কমিটির এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর কেন করা হয়নি জানতে চাইলে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এসব বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। ’

বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, বিমান পুনর্গঠনে বহু তদন্ত কমিটি হয়েছে। তাদের বহু প্রতিবেদনও সরকারের কাছে জমা আছে। এসব আসলে কোনো কাজে আসেনি। হাঙ্গেরি ঘটনার পর স্বপন কুমার সরকারের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের আগে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের নেতৃত্বে বিমান পুনর্গঠনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি মন্তব্য করেছিল, বিমান আজও বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে তার ইমেজ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতির সঙ্গে সঙ্গে চোরাচালানে বিমানকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা বিমানের ইমেজ আরো নষ্ট করেছে। চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার বিষয়টি বিমানকর্মীদের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। এ সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। জনবল নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা হলে, জিএসএ নিয়োগে একটি স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করা হলে বিমানে পক্ষপাতিত্ব ও  ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ কমে যাবে, তখন বিমানও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের এ সুপারিশ ফাইলবন্দি হয়ে আছে। তাঁর সুপারিশ গ্রহণ করা হয়নি ঠিকই, তিনি নিজ যোগ্যতায় পদোন্নতি পেয়ে সচিব হয়ে ভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিচালনা করছেন।

বিমানের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই সংস্থাটির প্রতি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো মমত্ববোধ তৈরি হয়নি। ব্যক্তিগত স্বার্থে একটু আঘাত লাগলেই এ সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন এ সংস্থারই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সংস্থাটি বর্তমানে আড়াই শতাধিক মামলা মোকাবেলা করছে। এত অধিক মামলা এ ধরনের আর কোনো রাষ্ট্রীয় সংস্থা মোকাবেলা করছে না।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিমানকে বদলে ফেলার সুযোগ ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগানো যায়নি। বিমানে লোক আসে, লোক যায় কিন্তু কেউ বিমানকে বদলানোর চেষ্টা করে না। ওখানে গিয়ে সবাই নিজেরটাই গুছিয়ে নেয়। ’


মন্তব্য