kalerkantho


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন

বিএনপির গাড়িবহরে হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে

হামলায় জড়িতরা গণতন্ত্রের শত্রু : নাসিম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জুন, ২০১৭ ০০:০০



বিএনপির গাড়িবহরে হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে

ছবি: কালের কণ্ঠ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খান। এরই মধ্যে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপির মহাসচিবের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা গণতন্ত্রের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। গতকাল সোমবার পৃথক অনুষ্ঠানে তাঁরা এ কথা বলেন।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) সই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হামলার ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই জানা যাবে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ হামলা চালিয়েছে। ’ তিনি আরো বলেন, ‘পাহাড়ের দুর্ঘটনা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এমন একটি বিষয় নিয়ে তারা কিভাবে রাজনীতি করে, এটা আমার বোধগম্য নয়। ’

গতকাল রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ২০১৭-৩০ মেয়াদি জাতীয় কৌশল অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম বিএনপির মহাসচিবের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘যারা এ ধরনের জঘন্য কাজ করেছে তারা কোনো দলের বন্ধু হতে পারে না। আওয়ামী লীগ এ কাজকে সমর্থন করে না। অতীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার ওপর অসংখ্যবার হামলা হয়েছে। আমার ওপরও সিরাজগঞ্জে হামলা হয়েছে, যেখানে একজন নিহত হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। ’

মির্জা ফখরুলের ওপর হামলা দুঃখজনক—হাছান মাহমুদ : রাঙ্গুনিয়ায় মির্জা ফখরুলের ওপর হামলা দুঃখজনক, অনভিপ্রেত এবং একই সঙ্গে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। এ ঘটনা নিয়ে নোংরা রাজনীতি না করার অনুরোধ করেন তিনি।

গতকাল শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এ হামলার ঘটনা রহস্যজনক। মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে চট্টগ্রাম বিএনপির একটি অংশ ও রাঙ্গুনিয়ার সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর গ্রুপের কেউ ছিল না। প্রশাসনের কাছ থেকে তাঁরা যে পথে যাওয়ার অনুমতি নিয়েছিলেন সে পথ পরিবর্তন করে অন্য পথে যাচ্ছিলেন। চট্টগ্রামের যত জায়গায় তাঁদের কর্মিসভা হয়েছিল সব সভায় মারামারি হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, পাহাড়ধসের ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতা, চিকিৎসাব্যবস্থা ও ত্রাণ সরবরাহসহ সব কার্যক্রম যখন প্রায় শেষ তখন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে ত্রাণ সরবরাহ করতে রাঙামাটি যাচ্ছিলেন। পথে তাঁদের গাড়িবহরের গাড়ির ধাক্কায় দুজন পথচারী গুরুতর আহত হলে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে দুঃখজনকভাবে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, ভূমিধসের এত দিন পর বিএনপি নেতারা কি ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন, নাকি একটি ঘটনা ঘটিয়ে সংবাদ তৈরির অপচেষ্টা করার জন্য গিয়েছিলেন?


মন্তব্য