kalerkantho


গ্যাসের দাম বাড়ল গড়ে ২২.৭ শতাংশ

বাড়তে পারে বিদ্যুৎ গণপরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গ্যাসের দাম বাড়ল গড়ে ২২.৭ শতাংশ

ভোক্তা পর্যায়ে দেড় বছরের ব্যবধানে সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। দুই দফায় গড়ে গ্যাসের দাম বাড়বে ২২ দশমিক ৭ শতাংশ।

এ দাম কার্যকর হবে প্রথম দফায় আগামী ১ মার্চ থেকে আর দ্বিতীয় দফায় ১ জুন থেকে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিইআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গ্যাসের দাম বাড়ানোর এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল ২৬ শতাংশ হারে। তার আগে ২০০৯ সালে বেড়েছিল ১১ শতাংশ। এ হিসাবে ছয় বছরের ব্যবধানে ওই দুই দফায় মিলে গ্যাসের দাম বেড়েছিল ১৭ শতাংশের কিছু বেশি। এবার পর পর দুই মাসে দুই দফায় তার চেয়েও বেশি বেড়েছে।

বিইআরসির গতকালের ঘোষণায় আগামী ১ মার্চ থেকে আবাসিক খাতে গ্যাসের দাম দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা এবং এক চুলার জন্য ৭৫০ টাকা করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ১ জুন থেকে আবাসিক খাতে দুই চুলার জন্য ৯৫০ টাকা এবং এক চুলার জন্য ৯০০ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে আবাসিক পর্যায়ে দুই চুলার জন্য ৬৫০ টাকা এবং এক চুলার জন্য ৬০০ টাকা দিতে হয়।

২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বর্ধিত এই দাম কার্যকর করে বিইআরসি। এর আগে দাম ছিল দুই চুলার জন্য ৪৫০ টাকা এবং এক চুলার জন্য ৪০০ টাকা।

গৃহস্থালি কাজে মিটারে গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১ মার্চ থেকে ৯.১০ টাকা এবং ১ জুন থেকে ১১.২০ টাকা করা হয়েছে। গৃহস্থালিতে বর্তমানে মিটারে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম সাত টাকা। গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের বর্ধিত বিল পরিশোধ করতে হবে প্রথম দফায় এপ্রিল মাসে আর দ্বিতীয় দফায় জুলাই মাসে।

বিইআরসির সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, সিএনজির দাম হবে ১ মার্চ থেকে প্রতি ঘনমিটার ৩৮ টাকা এবং ১ জুন থেকে ৪০ টাকা। সিএনজির বর্তমান দাম প্রতি ঘনমিটার ৩৫ টাকা।

এই হিসাবে গাড়ির গ্যাসের জন্য মালিকদের খরচ বাড়বে ১৪.২৮ শতাংশ। বিশেষজ্ঞ ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনের নেতারা বলছেন, স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়বে গণপরিবহনে। রাস্তায় নামলেই তার মাসুল দিতে হবে যাত্রীদের। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উত্পাদন, সার, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতেও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত, যার ফলে শিল্পোত্পাদনে খরচ এবং পরিণতিতে দ্রব্যমূল্য বাড়বে।

গতকাল বিইআরসির সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, বাণিজ্যিক ইউনিটে গ্যাসের দাম হবে ১ মার্চ থেকে ১৪.২০ টাকা এবং ১ জুন থেকে ১৭.০৪ টাকা। বাণিজ্যিক খাতে গ্যাসের বর্তমান দাম প্রতি ইউনিট ১১.৩৬ টাকা। এ ছাড়া ক্যাপটিভ পাওয়ারের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম হবে ১ মার্চ থেকে প্রতি ঘনমিটার ৮.৯৮ টাকা এবং ১ জুন থেকে ৯.৬২ টাকা। ক্যাপটিভে গ্যাসের বর্তমান দাম ৮.৩৬ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের দাম ১ মার্চ থেকে ২.৯৯ টাকা এবং ১ জুন থেকে ৩.১৬ টাকা হবে। এই খাতে বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ২.৮২ টাকা। বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে বাড়বে বিদ্যুতের উত্পাদন ব্যয়। এর ফলে বিদ্যুতের দামও বাড়াতে হবে।

চা বাগানে গ্যাসের দাম ১ মার্চ থেকে ৬.৯৩ টাকা আর ১ জুন থেকে ৭.৪২ টাকা করা হয়েছে। এ খাতে গ্যাসের বর্তমান দাম প্রতি ঘনমিটার ৬.৪৫ টাকা। এ ছাড়া সার কারখানায় গ্যাসের দাম হবে ১ মার্চ থেকে ২.৬৪ টাকা এবং ১ জুন থেকে ২.৭১ টাকা। এ খাতে গ্যাসের বর্তমান দাম ২.৫৮ টাকা।

গতকাল গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য আবদুল আজিজ খান, রহমান মুরশেদ, মিজানুর রহমান ও মাহমুদুল হক ভূইয়া।

বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মানুষের পকেটের ওপর যাতে চাপ না পড়ে সে জন্য দুই দফায় বাড়ানো হয়েছে। কম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে ৯৪.০৯ শতাংশ হারে বাড়ানোর আবেদন ছিল। আমরা পর্যালোচনা করে দুই দফায় ২২.৭ শতাংশ হারে বাড়িয়েছি। ’

দাম বৃদ্ধির জন্য পেট্রোবাংলার প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি হয়। শুনানি শেষে বিইআরসি আবাসিক খাতে দুই চুলার জন্য এক হাজার এবং এক চুলার জন্য ৮০০ টাকা প্রস্তাব করেছিল। আর যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজির দাম প্রতি ঘনমিটার ৪০ টাকা প্রস্তাব করেছিল।

দাম বাড়ায় সরকারের তহবিলে যাবে ৩,৩৩০ কোটি টাকা : গত বছর বিইআরসির কাছে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছিল সাতটি বিতরণ কম্পানি। তখন এ বিষয়ে বিইআরসির গঠিত কারিগরি কমিটি তাদের মূল্যায়নে বলেছিল, সব কটি গ্যাস বিতরণ কম্পানি লাভে রয়েছে। কোনো গ্যাস বিতরণ কম্পানি লোকসানে নেই। গ্যাস বিতরণ কম্পানি লাভে থাকলে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা যায় না। দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নেই বলেও তখন কারিগরি কমিটি তাদের মূল্যায়নে বলেছিল।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে গ্রাহকের পকেট থেকে চার হাজার ১৮০ কোটি টাকা বাড়তি যাবে গ্যাস কম্পানিগুলোর তহবিলে। আর এ অর্থের শতকরা ৮১ ভাগ যাবে বিভিন্ন কর ও শুল্ক বাবদ সরকারি তহবিলে। সে অর্থে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে সরকার গ্রাহকের কাছ থেকে তিন হাজার ৩৩০ কোটি ৪৪ টাকা গ্রাহকের কাছ থেকে নেবে। কারণ গ্যাস খাতে গ্রাহকের দেওয়া অর্থ থেকে সরকার সম্পূরক শুল্ক, করপোরেট ট্যাক্স ও গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে অর্থ জমা করে, যার পরিমাণ গ্রাহকের দেওয়া বিলের ৮১ শতাংশ। এর মধ্যে সম্পূরক শুল্কই রয়েছে ৫১ শতাংশ। অথচ সাধারণ খাদ্যদ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহৃত জিনিসপত্রে গড়ে ২০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে।

 ২০০৯ সাল থেকে গ্যাসের ওপর সম্পূরক শুল্ক আরোপ করে সরকার। তবে সে শুল্ক এখনো দেশের গ্যাস বিতরণ কম্পানিগুলো দেয়নি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একাধিকবার এ নিয়ে পত্র দিয়েছে গ্যাস কম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলাকে। এ দেনার পরিমান সুদসহ ২২ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা।

অযৌক্তিকভাবে অধিক হারে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত গ্যাসের মতো পণ্য থেকে সম্পূরক শুল্ক নেওয়া এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আদালতে রিট আবেদন করবে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ক্যাব)। এ প্রসঙ্গে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম গত রাতে টেলিফোনে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যেভাবে সরকার জনগণের পকেট ফাঁকা করে গ্যাস খাত থেকে রাজস্ব নিচ্ছে তা অযৌক্তিক। এই রাজস্ব নেওয়ার কারণে দামও বৃদ্ধি করতে হয়েছে গ্যাসের। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমরা আদালতে রিট মামলা করব। ’

ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ : ব্যবসা ও শিল্প খাতের উদ্যোক্তা ও নেতারা মনে করছেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের শিল্প-কলকারখানা। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য উত্পাদনে পিছিয়ে পড়বে দেশের শিল্প খাত। এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ এ বিষয়ে গত রাতে বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়ানোয় রফতানিমুখী শিল্প খাত চরম ক্ষতির মুখে পড়বে। এতে উত্পাদন খরচ বাড়বে। প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাবে রপ্তানি খাত। যত দিন পর্যন্ত শিল্পে সঠিক মূল্যে কোয়ালিটি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে না তত দিন গ্যাসের দাম স্বাভাবিক রাখা উচিত ছিল। এখন যখন দাম বাড়ানোই হয়েছে তখন রপ্তানিকারকদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় অথবা ইনসেনটিভ দিতে হবে, যাতে তারা আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে। ’ তিনি আরো বলেন, এলএনজি ও এলপিজি এলে এমনিতেই জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে। এই অল্প সময়ের জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানো ঠিক হয়নি। অন্যদিকে বিদ্যুৎ উত্পাদনক্ষমতা ১৫ হাজার মেগাওয়াট থাকলেও সঞ্চালন লাইনের অভাবে আট হাজার মেগাওয়াট ব্যবহৃত হচ্ছে। অচিরেই বেসরকারি খাতকে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন নির্মাণে যুক্ত করা উচিত। তাহলে সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। পাশাপাশি শিল্পেও কোয়ালিটি বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত সম্ভব হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে অ্যাপারেলে চাহিদা কমছে। তার ওপর ক্রেতারা পোশাকের দাম কমিয়েছে, আরো কমাতে চাপ দিচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন কারণে পণ্যের উত্পাদন খরচ বাড়ছে। নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ানোয় প্রতিযোগী সক্ষমতা কমবে। এ অবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

রপ্তানিকারক সমিতির (ইএবি) সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, বর্তমানে রপ্তানি খাতে মূল চ্যালেঞ্জ হলো সক্ষমতা কমা। অন্যদিকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন, ব্রেক্সিট, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তেলের দামের সমন্বয় এবং স্ব-স্ব দেশ নীতি সহায়তা দেওয়ায় প্রতিযোগী দেশগুলোর সক্ষমতা বেড়েছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ানোয় রপ্তানিমুখী শিল্প আরো ঝুঁকির মুখে পড়ল। তিনি আরো বলেন, ‘২০১৫ সালে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাকের বাজার ছোট হয়েছে। ৪৮৩ বিলিয়ন ডলারের বাজার কমে ৪৪৫ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। অন্য দেশগুলো মার্কেট শেয়ার ধরে রাখতে নানা নীতি সহায়তা ও ইনসেনটিভ প্যাকেজ ঘোষণা করছে। আমাদের দেশে হচ্ছে এর উল্টো। ’

বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি আসলাম সানি বলেন, বর্তমানে শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস পাওয়া যায় না। দিনে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা প্রেসার থাকে না। এক কথায় বলতে গেলে, উদ্যোক্তারা এ সময় গ্যাসের বদলে বাতাস পাচ্ছে, অথচ বিল ঠিকই দিতে হচ্ছে। এতে শিল্পের উত্পাদন ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন মার্কিন প্রশাসন ও ব্রেক্সিটের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দাম ১৯ শতাংশ কমেছে, ইউরোর দাম কমেছে ৮ থেকে ১০ শতাংশ। এ অবস্থায় ইউরোপের ক্রেতারা তৈরি পোশাকের দাম ৭ থেকে ৮ শতাংশ কমাতে চাপ দিচ্ছে। নতুবা অন্য বাজার থেকে পণ্য কেনার হুমকি দিচ্ছে। সব মিলিয়ে উভয় সংকটে রয়েছে রপ্তানিকারকরা। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ানোর ফলে রপ্তানিমুখী শিল্পের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়ল।

প্রস্তাবে দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা দেখাতে পারেনি গ্যাস বিতরণ কম্পানিগুলো, তার পরও কেন বিইআরসি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করল—এমন প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘দেশে জ্বালানির দামের মধ্যে বৈষম্য রয়েছে। যারা জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করে তাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা ব্যয় হয়, এলপিজি দিয়ে এ ব্যয় আড়াই হাজার টাকার মতো। আর পাইপলাইনের গ্যাসের মাধ্যমে সে ব্যয় এক হাজার টাকার কম। এ কারণে আমরা জ্বালানি বৈষম্য কমাতে গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করেছি। ’

তাহলে এলপিজি ব্যবহারের ওপর সরকার ভর্তুকি দেবে কি না জানতে চাইলে মনোয়ার ইসলাম বলেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত আপাতত সরকারের নেই।

গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্ট্রেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সিএনজি মালিকদের এ প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ফারহান নূর গতরাতে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, গ্যাস বিতরণ কম্পানিগুলো যেখানে মুনাফা করছে সেখানে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ দাম বাড়ানোর ঘোষণা বিস্ময়কর।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে গণবিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। গতরাতে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ দাবি জানিয়ে বলেছেন, সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু চিহ্নিত ব্যবসায়ীকে অতিরিক্ত মুনাফা দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য