kalerkantho


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

মার্কিন জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে কংগ্রেসে বিল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মার্কিন জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে কংগ্রেসে বিল

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে এবং দিবসটি পালনে মার্কিন জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে কংগ্রেসে নতুন একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং বিলটি উত্থাপন করেন।

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের কাছে অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ একটি দিন। পাকিস্তানি শাসকরা উর্দুকে পূর্ব পাকিস্তানের তথা আজকের বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করলে ১৯৫২ সালের ওই দিনটিতে বাংলাদেশের ছাত্র-যুবসমাজ লড়াই করে ও জীবন বিসর্জন দিয়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি আদায় করে। ভাষার বৈচিত্র্য ও বহুভাষিক চর্চায় আরো সচেতনতার জন্য ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়। সেই থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী বার্ষিক ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

গ্রেস মেংয়ের উত্থাপিত বিলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের লক্ষ্য ও আদর্শকে সমর্থনের আহ্বান জানানো হয় কংগ্রেস সদস্যদের প্রতি। তা ছাড়া দিবসটিকে যথাযথ কর্মসূচি ও আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে পালনের জন্য মার্কিনদের সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে ওই বিলে।

কংগ্রেসে মেং নিউ ইয়র্কের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বহু বাংলাদেশি ও  বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ রয়েছে। এর আগেও তিনি কংগ্রেসে দুইবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে বিল উত্থাপন করেছেন, তবে তা পাস হয়নি।

কংগ্রেস সদস্য জোসেফ ক্রাউলেও একই রকম বিল উত্থাপন করেছেন কংগ্রেসে।

মেং বলেন, ‘এ বিল হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির এক ব্যতিক্রমী পন্থা। আবারও কংগ্রেসে এ বিল উত্থাপন করতে পারায় আমি গর্বিত। ’ তিনি আরো বলেন, ‘এ দিনটির তাত্পর্য এবং বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের কাছে দিবসটির গুরুত্ব সম্পর্কে মার্কিনদের অবগত করা দরকার। শিগগিরই আমি এ বিলের ওপর ভোট আশা করছি। ’

ওই বিলে বলা হয়, “ইউনেসকোর তথ্যমতে, বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা হুমকির মুখে রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের ছয় হাজার ভাষার মধ্যে গত তিন প্রজন্মের মধ্যেই দুই শতাধিক ভাষা ‘লুপ্ত’ হয়েছে। আরো দুই হাজার ২৭৯টি ভাষাকে ‘বিপন্ন’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ” সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন।


মন্তব্য