kalerkantho


গরুর মাংসে সাত থাবা

► ঢাকার বাজারে এক লাফে ৫৩০ টাকা কেজি
► হুন্ডিবাজ-সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য
► ভারত থেকে গরু আনতে ঘাটে ঘাটে হয়রানি ও খরচ, বাড়ে দাম
► হাটে বাড়তি খাজনা আদায়
► লাইসেন্স নিয়ে বিপত্তি

এস এম আজাদ   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গরুর মাংসে সাত থাবা

বছরখানেক আগেও রাজধানীর বাজারগুলোতে গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। এখন সেই দাম ঠেকেছে কেজিপ্রতি ৫৩০ টাকা পর্যন্ত। এর মধ্যে গত সপ্তাহে গরুর মাংস ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে চার দফা দাবিতে ছয় দিনের ধর্মঘট পালন করেছে। ধর্মঘটের পর দোকান খুলেই তারা এক দফা দাম বাড়িয়েছে। এখন আবার দাবি আদায়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দাবি পূরণ না হলে দাম আরো বাড়ানো, এমনকি ফের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারিও দিচ্ছে তারা।

গরুর মাংসের এমন লাগামছাড়া দামের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে মাংসের বাজারে অস্থিরতার পেছনে পাওয়া গেছে অন্তত সাত কারণ। জানা গেছে, গরু, মহিষ, ছাগলসহ গবাদি পশুর দাম বাড়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরোধের জেরেই বাজারে  অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। আর ভারত থেকে আনা গরুর দাম বাড়ছে হুন্ডি সিন্ডিকেটের অপতত্পরতায়। হুন্ডির মাধ্যমে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতির ক্ষতির পাশাপাশি মাংসের বাজারও অস্থির করে তুলেছে হুন্ডির কারবারিরা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় স্থায়ী পশুর হাট গাবতলীকেন্দ্রিক অন্তত অর্ধশত হুন্ডি ব্যবসায়ী আছে, যারা গরুর ব্যাপারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভারতে পাচার করছে। হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাঠিয়ে গরু আনার ব্যবস্থা করে দেয় তারা। হুন্ডির কমিশন ও সীমান্ত পার করাসহ বিভিন্ন খাতে ভারতীয় একটি গরুর পেছনে খরচ হয়ে যাচ্ছে প্রায় ৫১ হাজার টাকা। গরুর দাম ৫০ হাজার টাকার বেশি হলে গাবতলীর হাটে নির্ধারিত খাজনা বা হাসিলের চেয়ে বেশি টাকা আদায় করছে ইজারাদার। এ জন্য রসিদও দেওয়া হয় না। যদিও মাংস ব্যবসায়ী হিসেবে তাদের কম টাকার খাজনা দেওয়ার সুবিধা পাওয়ার কথা। ইজারাদার খাজনা বেশি হারে আদায় করলেও আগে চামড়া বিক্রি করে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারত ব্যবসায়ীরা। এখন চামড়ার বাজারে মন্দার কারণে সে পথও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পশু কেনার পর জবাই করে মাংস বিক্রির বদলে ব্যাপারীদের মতো জীবিত পশু সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে মাংস ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি টের পেয়ে গাবতলী হাটের ইজারাদার সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া মাংস ব্যবসায়ী সুবিধায় (কম খাজনায়) কাউকে গরু কিনতে দিচ্ছে না। হুন্ডি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটও ইজারাদারের পক্ষ নিয়েছে। এ অবস্থায় তাদের কাছে কোণঠাসা হয়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল মাংস ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, রাজধানীতে পাঁচ হাজারেরও বেশি মাংস ব্যবসায়ীর মধ্যে অনেকেরই ট্রেড লাইসেন্স নেই। পারিবারিক ব্যবসার লাইসেন্স পরে নবায়ন

করেনি অনেকে। এসব ব্যবসায়ী দোকানের বাইরেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ঠিকা হিসেবে মাংস সরবরাহ করে। সম্প্রতি মাংস ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে কম খাজনায় পশু কেনা এবং তা (লাইসেন্স) দোকানে রেখে মাংস বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা পড়েছে আরো বিপাকে। এর প্রভাব পড়ছে বাজারে, বাড়ছে মাংসের দাম।

মাংস ব্যবসায়ীরা দাবি করছে, হুন্ডির কারবার, সীমান্তের সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত খাজনা আদায় ও চামড়ার দরের অস্থিতিশীলতা কমানো গেলে গরুর মাংসের দাম ৩০০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনতে পারবে তারা। মাংসের বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটসহ পুরো বিষয়টি সরকারের নজরে আনতেই ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল।

তবে গাবতলী হাটের ইজারাদারের দাবি, সেখানে নিয়ম মেনেই খাজনা রাখা হয়। কোনো সিন্ডিকেটও নেই।

রাজধানীর ১৮২টি কাঁচাবাজারে প্রায় পাঁচ হাজার মাংস বিক্রেতা আছে, যারা ঢাকা মেট্রোপলিটন সমিতির সদস্য। সারা দেশে মাংস ব্যবসায়ীদের ৩১টি বড় সংগঠন আছে। কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি। এ সংগঠনের সভাপতি গোলাম মর্তুজা মন্টু, মহাসচিব রবিউল আলম এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ আবদুল বারেক ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদসহ অন্য নেতাদের দাবি, ভারতীয় গরুর ওপর নির্ভরতার কারণে মাংস ব্যবসায়ীরা এখন ক্ষতিগ্রস্ত।

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, ‘ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুযায়ী, বছরে বাংলাদেশ থেকে ৩৯ হাজার কোটি রুপির সমপরিমাণ টাকা ভারতে পাচার হয়। বেশির ভাগটাই হুন্ডির মাধ্যমে। আমাদের হিসাবে তা ৫০ হাজার কোটিরও বেশি হবে। এর অর্ধেক পাচার হয় গরু ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে। হুন্ডির মাধ্যমে সারা দেশের গরু ব্যবসায়ীদের যে পরিমাণ টাকা পাচার হয় তার অর্ধেক হয় গাবতলী থেকে। ’

ব্যবসায়ীরা বলছে, বাংলাদেশে বছরে গড়ে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ গরু জবাই হয়। এর মধ্যে গড়ে ৬৫ হাজার গরু জবাই হয় ঈদুল আজহার সময়। নব্বইয়ের দশকে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হতো। সরকারের পশুসম্পদ মন্ত্রণালয় উন্নয়নমুখী উদ্যোগ নেওয়ায় দেশে পশু ও মাংসের উত্পাদন বেড়েছে। তবে এখনো চাহিদা মেটাতে প্রায় ২০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছে, ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও পশ্চিমবঙ্গে গরুর খামারগুলো গড়ে উঠেছে বাংলাদেশে গরু বিক্রির জন্যই। সেখান থেকে অবৈধ পন্থায় গরু আনতে অনেক ঝুঁকি সামলাতে হচ্ছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের। ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজিতে বেড়ে যাচ্ছে দাম। ভারতে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয় ১৬০ টাকায়। অথচ বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের হাতে গরু আসা পর্যন্ত হিসাব করলে প্রতি কেজি মাংসের মূল্য ৪৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশে চাহিদা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যের কারণে ভারতের গরু ব্যবসায়ীরা নেপাল-ভুটান থেকেও গরু এনে বাংলাদেশে পাঠায়। এতে লাভবান হচ্ছে হুন্ডি ব্যবসায়ী ও সীমান্ত এলাকায় গরু পারাপারে জড়িত দালালচক্র।

বিকল্প হিসেবে নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমার থেকে বৈধ পথে গরু আমদানি শুরুর প্রস্তাব দিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে ভারতীয় একচেটিয়া বাজার যেমন বন্ধ হবে, তেমনি হুন্ডির কারবারও বন্ধ হবে।  

যেভাবে হুন্ডিতে আসে গরু : গাবতলী হাটের কয়েকজন ব্যাপারী ও মাংস ব্যবসায়ী জানান, ভারতীয় গরু আনায় জড়িত হুন্ডির মূল সিন্ডিকেট এখন গাবতলীতে। এ সিন্ডিকেটের প্রধান মজিবুর রহমান ওরফে কালা মইজা নামের এক ব্যক্তি, যিনি হাটের ইজারাদার লুত্ফর রহমানের ঘনিষ্ঠ। গাবতলীর হাটে অর্ধশত হুন্ডি ব্যবসায়ী আছে, যারা সারা দেশ থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চুক্তি করে ভারতে টাকা পাঠিয়ে গরু আনার ব্যবস্থা করে। এ জন্য প্রতি গরুতে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা হুন্ডির কমিশন নেয় তারা। গরুর ব্যাপারীদের কাছ থেকে প্রথমে টাকা নেয় হুন্ডির কারবারিরা। এরপর ব্যাপারীকে একটি স্লিপ ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই স্লিপে ভারতের কোনো ব্যক্তির নাম-ঠিকানা থাকে। সেসব নামের বেশির ভাগই সোনার ব্যবসায়ী। ব্যাপারী স্লিপ নিয়ে ভারতে নির্দিষ্ট স্থানে গেলে গরু কেনা থেকে শুরু করে সীমান্ত পারাপারের সব কাজই করে ভারতের সেই ব্যক্তি। হুন্ডিতে পরিশোধ হয় সেই টাকা।

মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে একটি ট্রাকে ১৬টি গরু আসে। সীমান্ত এলাকায় যেসব সিন্ডিকেট সদস্য আছে তারা প্রতি জোড়া গরু বাংলাদেশে ঢোকানোর জন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা নেয়। ফলে গরুর মূল্য ১০ হাজার টাকা হলেও বাংলাদেশে ঢোকার আগেই তা ৫০ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়।

ঘাটে ঘাটে টাকা লাগে : পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন ব্যাপারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতীয় গরুর দাম আগে কম ছিল, এখন ঘাটে ঘাটে টাকা দিতে হয়;  দাম বেড়েছে। আগে বর্ডারে ৬০০ টাকা দিলেই কাজ হতো। এখন লাখে ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়। লোকাল মার্কেটে গরু না পাওয়ায় আমরা ভারতের গরু আনি। ’

ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতিটি ভারতীয় গরু আনতে হুন্ডি কারবারিকে ছয় হাজার, সীমান্তে পারাপারের জন্য ৪০ হাজার, হাটে গড়ে দুই হাজার টাকা বেশি খাজনা দেওয়া এবং চামড়ার মূল্য থেকে তিন হাজার টাকা কম পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাংস ব্যবসায়ীরা।

মাংস ব্যবসায়ীরা জানায়, মাংস ব্যবসায়ীদের মুনাফার একটি খাত চামড়া। সেখানেও মন্দা চলছে। আগে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকায় গরুর চামড়া বিক্রি করা গেলেও এখন হাজারীবাগের ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ৯০০ টাকার বেশি মূল্য দেয় না। ছাগলের চামড়া একসময় ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হতো। তা এখন ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। গাবতলী হাটে মাংস ব্যবসায়ীদের জন্য গরুর নির্ধারিত খাজনার চেয়ে বেশি আদায় করছেন ইজারাদার। সরকারি নির্ধারিত ফি অনুযায়ী গরুর জন্য ৫০, মহিষের জন্য ৭০ ও ছাগলের জন্য ১৫ টাকা খাজনা দেওয়ার নিয়ম। তবে ইজারাদার ও কাইলা মইজা সিন্ডিকেট মাংস ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে ২০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত খাজনা আদায় করছে।

ব্যবসায়ীরা বলছে, পাড়া-মহল্লার অনেক মাংস বিক্রেতার সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নেই। কিছু এলাকা সম্প্রতি সিটি করপোরেশনের আওতায় পড়েছে, যেখানে এখনো ব্যবসায়ীরা ট্রেড লাইসেন্স নেয়নি। লাইসেন্স আছে, এমন অনেক ব্যবসায়ীও হাটে কাগজপত্র নিয়ে যায় না। তখন তাদের কাছ থেকেও সাধারণ ক্রেতার জন্য নির্ধারিত শতকরা সাড়ে তিন টাকা দরে খাজনা আদায় করে ইজারাদার।

যে দাবিতে ধর্মঘট : চার দাবিতে ধর্মঘট ডেকেছিল মাংস ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে রয়েছে—ডিএনসিসির কতিপয় কর্মকর্তার সহায়তায় গাবতলী হাটের ইজারাদার অতিরিক্ত খাজনা আদায় করছে, তা বন্ধ করতে হবে। চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। ‘কাইলা মইজা’ নামের এক ব্যক্তি হুন্ডি ব্যবসায়ীদের হোতা। এ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বৈধ পন্থায় গরু আমদানির সুযোগ দিতে হবে। ডিএনসিসিরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ইজারাদার, যাঁরা ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর আগে গত বছরের ১৯ জুনও ধর্মঘট করেছিল মাংস ব্যবসায়ীরা।

অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ সম্পর্কে গাবতলী হাটের ইজারাদার লুত্ফর রহমান বলেন, এখানে নিয়ম অনুযায়ী খাজনা আদায় করা হয়। কোনো সিন্ডিকেট নেই। সুযোগের অপব্যবহার করে মাংস ব্যবসায়ীরা হাট থেকে পশু কিনে হাটের বাইরে ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করে খাজনার টাকা থেকে কমিশন নিচ্ছে। বিষয়টি ধরা পড়ায় মাংস ব্যবসায়ীরা উল্টো অভিযোগ তুলেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুল বারেক বলেন, ‘মাংসের দাম বাড়ায় জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এখানে আমাদের লাভ নেই। কম দামে পশু কিনতে পারলে আমরাও কম দামে মাংস বেচতে পারব। এখন শুধু হুন্ডি কারবারি ও হাটের সিন্ডিকেট লাভবান হচ্ছে। ’

অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে ইতিমধ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি লুত্ফর রহমানকে শোকজ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ইজারাদারকে শোকজের পাশাপাশি সেখানে মোবাইল কোর্ট করা হবে, যেন অতিরিক্ত খাজনা আদায় না হয়। আর আমরা মাংস ব্যবসায়ীদের তালিকা চেয়েও এখনো পাইনি। এখন নিজেরাই এ তালিকা করছি। ’


মন্তব্য