kalerkantho


বায়ুদূষণে ঢাকায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য

তৌফিক মারুফ ও আরিফুর রহমান   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বায়ুদূষণে ঢাকায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য

শহরের সব সড়কে বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়মিত পানি না ছিটানো, অপরিকল্পিতভাবে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি ও ভবন নির্মাণ অথবা যেখানে সেখানে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার মতো অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের ফলে ঢাকায় ‘ধূলিদূষণ’ নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্তু এর সঙ্গে আরো অনেক অস্বাস্থ্যকর কর্মকাণ্ডের কারণে এবার ঢাকার বায়ুদূষণ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুটি সংস্থার যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণের দিক থেকে ঢাকা বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে; যদিও বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরা ওই গবেষণার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে তাঁরা দেশে ধুলা ও বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে এবং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে স্বীকার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশনের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এত দিন বায়ুদূষণে সবার ওপরে ছিল চীনের পেইচিং। গত দুই বছরে পেইচিংকে টপকে ওই স্থান দখল করেছে ভারতের দিল্লি। এর পরেই শীর্ষ ১০ দূষিত বায়ুর শহরের মধ্যে এবার দ্বিতীয় স্থানে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তানের করাচি, চীনের পেইচিং, মঙ্গোলিয়ারউলানবাটোর, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, ভারতের মুম্বাই, কলকাতা, চীনের সাংহাই ও নেপালের কাঠমাণ্ডু। বায়ুদূষণের দিক থেকে বিশ্বে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে জাপানের টোকিও। কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বায়ুদূষণের পরিমাপ করে ওই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ওই প্রতিবেদনে বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে বছরে এক লাখ ২২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

আর বায়ুদূষণের কারণে শিশুমৃত্যুর হারের দিক থেকে পাকিস্তানের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। পিএম ২.৫ ছাড়াও বায়ুর অন্যান্য দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতির দিক থেকে সামগ্রিক দূষণের একটি চিত্র ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। তাতে শীর্ষ বায়ুদূষণকারী দেশ হিসেবে চীন, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের পরেই রয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান।

জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সরকারের ‘নির্মল বায়ু এবং টেকসই পরিবেশ’ প্রকল্পের পরিচালক মনজুরুল হান্নান গতকাল শনিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সম্প্রতি প্রকাশিত যে গবেষণায় ঢাকাকে বায়ুদূষণের দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় বলে তুলে ধরা হয়েছে তা মোটেই ঠিক নয়। কারণ যারা এটা করেছে তাদের গবেষণা পদ্ধতিই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। তারা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ওই গবেষণা করেছে। কিন্তু এর চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী পদ্ধতি রয়েছে আমাদের কাছেই, আমরা প্রতিদিন দেশের ১১টি পয়েন্টে যা দিয়ে পরিমাপ করে থাকি। আর আমাদের পদ্ধতিটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত একটি পদ্ধতি। ’ ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই প্রতিবেদনে বায়ুদূষণে যে মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে তাও অবান্তর। এটা হতেই পারে না। আমরা পুরো বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করছি। ’

উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) সর্বশেষ এক জরিপ প্রতিবেদনে ৯১টি দেশের এক হাজার ৬০০টি শহরের মধ্যে ঢাকা ২৩তম বলে উল্লেখ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদন অনুসারে অন্য সময়ের (এপ্রিল-অক্টোবর) চেয়ে শীতের সময় (নভেম্বর-মার্চ) বায়ুদূষণের মাত্রা (পিএম-২.৫-এর নিরিখে) বাড়ে প্রায় পাঁচ গুণ। এ সময় বাতাসে সবচেয়ে ক্ষতিকর সূক্ষ্ম বস্তুকণা (পার্টিকেল ম্যাটার-২.৫ বা পিএম ২.৫) অস্বাভাবিক মাত্রায় থাকে। অপেক্ষাকৃত স্থূল বস্তুকণা পিএম-১০-এর মাত্রাও অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।

ওই অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের স্ট্যান্ডার্ড (মান) অনুসারে বায়ূতে দূষণের মাত্রা থাকার কথা ‘পিএম-১০’ মাত্র ৫০ প্রতি কিউবিক মাইক্রোগ্রামে প্রতিবছর এবং ‘পিএম ২.৫’ থাকার কথা মাত্র ১৫ প্রতি কিউবিক মাইক্রোগ্রামে প্রতিবছর। আর বাস্তবে নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ঢাকায় ‘পিএম-১০’ থাকে ১০০-২৫০ প্রতি কিউবিক মাইক্রোগ্রামে প্রতিবছর, অন্যদিকে ‘পিএম-২.৫’ থাকে ৭০-১৬৫ প্রতি কিউবিক মাইক্রোগ্রামে প্রতিবছর।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঢাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে বায়ুদূষণ। বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট ও হৃদেরাগের প্রকোপ দ্রুত বেড়ে যাওয়ার পেছনে বায়ুর সঙ্গে মিশে থাকা নানা রাসায়নিক দূষণই দায়ী। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে ঢাকার বায়ুদূষণে দায়ী মাধ্যমগুলোর সবার ওপর রয়েছে ধুলা ও পরিবহন-বিষ। সড়কগুলোতে যানজটের সময় দূষণের মাত্রা থাকে সব চেয়ে ক্ষতিকর পর্যায়ে। থেমে থাকা পরিবহন থেকে নির্গত ধোঁয়ায় দূষণের মাত্রা বেশি থাকে। এর ওপর একই সময় একই স্থানে অনেক পরিবহনের ইঞ্জিন থেকে নির্গত বর্জ্যধোঁয়া একই এলাকায় ঘুরপাক খেয়ে ওই এলাকার জনস্বাস্থ্যকে আরো বেশি ক্ষতির মুখে ঠেলে দেয়। শুকনো মৌসুমে রাজধানীতে বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর—এক. রাজধানীর আশপাশে ইটভাটার কার্যক্রম, দুই. বৃষ্টিহীনতা এবং তিন. নির্মাণ কর্মযজ্ঞ। এসবই শীতকালীন বৈশিষ্ট্য। এর ওপর যানবাহনঘটিত দূষণ তো আছেই। ফলে রাজধানীতে পিএম-২.৫ ও পিএম-১০-এর মাত্রা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনের (নিপসম) বিশেষজ্ঞ ড. মঞ্জুরুল হক খান জানান, বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণার তথ্য অনুসারে ঢাকায় শুধু বায়ুদূষণের কারণে বছরে ১০ হাজার ৮০০ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে এবং কয়েক লাখ মানুষ অসুস্থ হয়। এ ক্ষেত্রে পরিবহনসহ অন্যান্য মাধ্যমের দূষিত বায়ুর সঙ্গে কার্বন, সালফার, নাইট্রোজেন, সিসাসহ নানা ধরনের ক্ষুদ্র কণিকা থাকে, যা চোখে দেখা না গেলেও মানুষের শরীরে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, চোখের সমস্যা, সর্দি-কাশি, যক্ষ্মা, হৃদেরাগ, জন্ডিস, হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য ও জলবায়ুবিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত বায়ুদূষণ, যার বড় অংশ হচ্ছে ধুলা।

পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ধুলা ও ধোঁয়ার কারণে ঢাকা মহানগরীর পরিবেশ বিপদের মুখে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের তেমন কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, পরিবেশ বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা তৈরির জন্য সরকার, বেসরকারি সংগঠন ও সচেতন মহলকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। মূল উদ্যোগটি সরকারকেই নিতে হবে।

বায়ুদূষণ বিশেষজ্ঞরা জানান, বাতাসে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, সিসা, তামা, ক্যাডমিয়াম, নিকেল, ধূলিকণা থাকে। প্রতিটি উপাদানের একটি সহনীয় মাত্রা রয়েছে। কোনো উপাদান ওই মাত্রার বেশি বা ক্ষেত্রবিশেষে কম হলে তা বায়ুদূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পরিবেশবিদরা বলেন, ডিজেল-পেট্রল-অকটেনচালিত পরিবহন বা কলকারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া বাতাসকে দূষিত করে। রাস্তাঘাটে জমে থাকা ধুলা, গ্যাস-পানি-টেলিফোন-স্যুয়ারেজ লাইনের জন্য তোলা মাটি, রাস্তা মেরামতের সামগ্রী, নির্মাণসামগ্রী সময়মতো অপসারণ না করা বা সঠিকভাবে ঢেকে না রাখার কারণেও বায়ুদূষণ হচ্ছে। দূষণ জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহামুদুর রহমান জানান, ধুয়া ও ধুলাজনিত দূষণের ফলে শ্বাসকষ্ট, যক্ষ্মা, হাঁপানি, চক্ষুরোগ, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি রোগের জীবাণু ছড়ায়। রাস্তার পাশের বা ফুটপাতের দোকানে রাখা খাবারও ধোঁয়া-ধুলায় দূষিত বা বিষাক্ত হয়ে পড়ে। এসব খেয়ে মানুষ রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন জ্বালানির কারণে বাতাসে অনেক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মিশে দূষণ ঘটায়। দূষণজনিত কারণে ক্যান্সারসহ নানা জটিল  রোগ দেখা দিতে পারে।

সরকারের ‘নির্মল বায়ু এবং টেকসই পরিবেশ’ প্রকল্প পরিচালক জানান, ৪৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরে বায়ুদূষণ পরিবীক্ষণের জন্য ১১টি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকায় স্থাপন করা হয়েছে তিনটি কেন্দ্র—দারুস সালাম এলাকায় একটি, সংসদ ভবন এলাকায় একটি ও মহাখালী এলাকায় একটি। চট্টগ্রামে আছে দুটি। খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে একটি করে কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয় আগারগাঁওয়ে, পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ে।

প্রকল্পের পরিচালক মনজুরুল হান্নান বলেন, নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত নির্মাণকাজ সবচেয়ে বেশি হয়। এ কারণে পিএম-২.৫-এর মাত্রা বেড়ে যায়। তিনি বলেন, রাজধানীতে নির্মাণকাজে আনুপাতিক হারে পানি ব্যবহার করা হয় না; বৃষ্টিও হয় না। ফলে দ্রুত ধুলাবালি ছড়িয়ে যায়। ওই কর্মকর্তা বলেন, নির্মাণ বিধিমালা মেনে চললে দেশে এত ধুলা ও বায়ুদূষণ থাকতে পারে না।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ঢাকায় বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উপাদান ধুলা। মূলত নির্মাণকাজের স্থল থেকে উত্পত্তি হয় বলে গণমাধ্যমে একে উন্নয়নের ধুলা বলা হচ্ছে। গাড়ি চলাচলের কারণেও অপরিচ্ছন্ন রাস্তা থেকে অবিরত ধূলিকণা বাতাসে মিশছে। উন্নত দেশে নির্মাণকাজ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা মেনে এ ধুলা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে প্রকৃতিগতভাবেই ধুলা বেশি হয়, শুষ্ক মৌসুমে যার মাত্রা আরো বেড়ে যায়। তবু নির্মাণকাজের উন্নত চর্চা অনুসরণ করে ঢাকার ধূলিদূষণও কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন নির্মাণ প্রকৌশলী ও পরিবেশবিদরা।

নির্মাণ প্রকৌশলের সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, নির্মাণকাজের স্থানে দিনে দুই-তিনবার পানি ছিটানো, পলিথিন শিট দিয়ে উপকরণ ঢেকে রাখা, ইট-বালিতে পানি ছিটিয়ে পলিথিনে ঢেকে পরিবহন করার মতো সহজ নিয়মগুলো উন্নত দেশে মেনে চলা হয়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বা সিঙ্গাপুরের নিজস্ব নির্মাণ বিধিতে বাতাসে ধুলা নিয়ন্ত্রণের জন্য আরো কিছু নিয়মের উল্লেখ রয়েছে। সেসব দেশের এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নীতিমালা মেনে রাস্তার কাজে ক্লোরাইড, নির্মাণসামগ্রীর ওপর পলিমার ব্যবহার, নির্মাণকাজের স্থানে বাতাস নিয়ন্ত্রণের জন্য পাথর বা গাছের গুঁড়ি দিয়ে ঘেরার ব্যবস্থা থাকে।

এ ছাড়া শহরের রাস্তা ও ফুটপাতের মাঝে উন্মুক্ত জায়গা না রেখে ধুলার উৎস কমানোর উদ্যোগ দিল্লিসহ ভারতের কয়েকটি শহরে নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত ঝাড়ুতে রাস্তার ধুলা আরো বেশি বাতাসে মেশে। এ কারণে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, পেভমেন্ট সুইপারের মতো যান্ত্রিক ঝাড়ু ব্যবহার করা হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন শহরে।


মন্তব্য