kalerkantho


জার্মানি সফরে প্রধানমন্ত্রী

মার্কেলের সঙ্গে বৈঠক কাল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মার্কেলের সঙ্গে বৈঠক কাল

৫৩তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ সম্মেলন হবে।

এর ফাঁকে আগামীকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

গতকাল রাত ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে ইতিহাদ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। পথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতি শেষে স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার সকালে ফ্লাইটটি জার্মানিতে পৌঁছার কথা রয়েছে।

মিউনিখ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাবেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সুশোভিত মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে মিউনিখ ম্যারিয়ট হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। জার্মানি সফরকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানেই অবস্থান করবেন।

আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেবেন। সেখানে আগত অতিথিদের সম্মানে মিউনিখের মেয়র আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি। কাল মিউনিখে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দেবেন।

একই দিনে সম্মেলনের প্যানেল আলোচনায় জলবায়ু নিরাপত্তা এবং ‘গুড কপ ব্যাড কপ’ বিষয়ক পর্যালাচনা সভায়ও যোগ দেবেন। কাল সন্ধ্যায়ই প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে মিউনিখ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান বিশ্বের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় ‘বেস্ট থিংক ট্যাংক কনফারেন্স’ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা যোগ দেবেন। এ ছাড়া ন্যাটো, ইইউ, গ্রিনপিস, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্মেলনে যোগ দেবে।

১৯৬৩ সালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের যাত্রা শুরু হয়। পাঁচ দশক ধরে এই সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার প্রধান বিষয়গুলোর পাশাপাশি খাদ্য, পানি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, শরণার্থী এবং অভিবাসনের মতো সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্মেলনে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র : বাসস।


মন্তব্য