kalerkantho


ইন্টারনেট প্যাকেজে মিথ্যা তথ্য

গ্রামীণফোনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গ্রামীণফোনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

ইন্টারনেট প্যাকেজের বিজ্ঞাপনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে দেশের বৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনকে। গতকাল রবিবার শুনানি শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গ্রমীণফোনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার প্রামাণিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গ্রামীণফোন তাদের বিজ্ঞাপনে যে তথ্য প্রচার করেছে, গ্রাহক সেই প্যাকেজ কিনে বিজ্ঞোপনে উল্লেখিত সেবা পায়নি। এ বিষয়ে অভিযোগ করলে আমরা তদন্ত করি। তদন্তে গ্রাহকের অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। ভোক্তা অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ায় আমরা গ্রামীণফোনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমান করেছি। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। প্রাপ্ত জরিমানা থেকে ভুক্তভোগী গ্রাহককে ২৫ শতাংশ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ’

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণফোনের গ্রাহক শিবলী সাদেকের ফোনে একটি ইন্টারনেট প্যাকেজের অফারের এসএমএস আসে। তাতে বলা হয়, এক জিবি (গিগাবাইট) ইন্টারনেট কিনলে সঙ্গে আরো দুই জিবি ফ্রি পাওয়া যাবে। প্যাকেজের মেয়াদকাল উল্লেখ করা হয় ২৮ দিন।

কিন্তু শিবলী সাদেক যখন গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট প্যাকেজটি কেনেন তখন বাড়তি দুই জিবি ব্যবহারে তাঁকে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, ফ্রি দুই জিবির মেয়াদ হবে মাত্র সাত দিন, ব্যবহার করা যাবে রাত ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত। এ বিষয়ে ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অধিদপ্তর এ বিষয়ে তদন্ত করে। অভিযোগ প্রমাণিত

হওয়ায় গতকাল গ্রামীণফোনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

সূত্র জানায়, গ্রাহকদের আকর্ষণ করতে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থী। প্রতারণা ও যথাযথ সেবা প্রদান না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ও ৪৫ ধারা অনুযায়ী গ্রামীণফোনকে এ জরিমানা করেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহীন আরা মমতাজ।

প্রণব কুমার প্রামাণিক বলেন, যেহেতু গ্রামীণফোন একটি বড় কম্পানি, তাই বিষয়টি অনেক বেশি সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত করতে হয়েছে। সব শেষে গ্রামীণফোনও তাদের ভুল স্বীকার করে নিয়েছে।


মন্তব্য