kalerkantho


নির্বাচনী মাঠ গোছাচ্ছে আওয়ামী লীগ

তৈমুর ফারুক তুষার   

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নির্বাচনী মাঠ গোছাচ্ছে আওয়ামী লীগ

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্ধারিত মেয়াদপূর্তির বছর দুয়েক বাকি থাকতেই একাদশ সংসদ নির্বাচনের মাঠ গোছানোর কাজ জোরেশোরে শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির সংসদ সদস্য ও মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজ নিজ এলাকায় নিয়মিত জনসংযোগ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন।

কেউ আবার নিজ এলাকায় ‘জনতার মুখোমুখি’ হয়ে জনগণের বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিচ্ছেন। কোনো কোনো এমপি জনগণের কাছে গিয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন তা জানতে চাইছেন এবং ভোটারদের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করছেন। আর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকরা দলের যেসব সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আছে তাঁদের ডেকে এনে সতর্ক করে দিচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূলে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতেও চলছে নানামুখী তত্পরতা।

আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানায়, দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে দলীয় এমপিদের নিজ নিজ এলাকায় জনসংশ্লিষ্টতা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কোন্দল থাকলে তা নিরসনের নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। যেসব সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আছে তাঁদের ঢাকায় ডেকে এনে সতর্ক করা হচ্ছে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডেকে তাঁদের সংশোধন হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন; না হলে আগামী নির্বাচনে তাঁদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের এমপি আব্দুল ওদুদসহ চার-পাঁচজন সংসদ সদস্যকে এরই মধ্যে ঢাকায় ডেকে সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এ ছাড়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারসহ আরো কয়েকজন সংসদ সদস্যকে খুব শিগগির ঢাকায় ডেকে সতর্ক করবেন ওবায়দুল কাদের।

সংসদ সদস্যদের সতর্ক করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কোন এমপির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক অভিযোগ কিংবা জনসম্পৃক্ততা না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাঁকে ঢাকায় ডেকে এনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে এবং তাঁকে জনসম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে দলের নেতাকর্মীদের এখন থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানান। তখন ওই বিষয়টি অনেক নেতাকর্মীই গুরুত্ব দেননি। কিন্তু সম্মেলনের পর দলীয় ফোরামের একাধিক সভায় নির্বাচনী প্রস্তুতির ওপর জোর দেন শেখ হাসিনা। তিনি দলের নেতাকর্মীদের জানান, আগামী নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং এ নির্বাচনে জনগণের মন জয় করেই জয়লাভ করতে হবে। এ নির্দেশনা অনুসারে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও দলকে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করতে তত্পর হন। এর পর থেকেই আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা নিজ নিজ এলাকায় নিয়মিত যোগাযোগ ও যাতায়াত শুরু করেছেন।

নির্বাচনের আগে দলকে সংগঠিত করতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকেও চলছে নানা তত্পরতা। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের চার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের প্রত্যেককে দুটি করে বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে চার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনে ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির কাজ করে যাচ্ছেন। গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি প্রতিনিধিদল উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় তিন দিনের সাংগঠনিক সফরে বের হয়েছে। কয়েক দিন আগে খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্য বিভাগগুলোতেও এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নির্বাচনকে মাথায় রেখেই গত সপ্তাহে আওয়ামী লীগের সহযোগী চার সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, তাঁতী লীগ ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে এ চার সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ধানমণ্ডিতে তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি সেখানে আগামী নির্বাচনের ইশতেহার তৈরির কাজ শুরুর জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা দেন। এর পরই দলীয় এক বৈঠকে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যেই আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করা হবে।

নির্বাচনের মাঠ গোছানো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী এবং দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে ও এর পরে বিভিন্ন সময়ে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, আপনারা আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন। নেত্রীর নির্দেশ খুবই স্পষ্ট যে নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগে প্রত্যেকটা জেলাতেই আমাদের সম্মেলন হয়েছে। কিন্তু অনেক জেলাতেই আমরা এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে পারি নাই। অনেক জায়গায় কমিটি হয়েছে কিন্তু এখনো বহু জায়গায় বাকি আছে। সর্বপ্রথমে দলীয়ভাবে আমাদের প্রচেষ্টা যে আমরা যেন সব জায়গায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন শেষ করতে পারি। জেলা কমিটির পাশাপাশি উপজেলা কমিটিগুলোকেও তৃণমূল থেকে সংগঠন গোছানোর নির্দেশ দিয়েছি। তৃণমূলে অনেক নেতা ইতিমধ্যে ইন্তেকাল করেছেন, অনেকে বয়সের ভারে তেমন তত্পর নন, অনেকে বিদেশে চলে গেছেন—এ জায়গাগুলোতে বর্ধিত সভা করে একটা তালিকা তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া গত কাউন্সিলে দলের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে কমিটির পরিধি বাড়ানো হয়েছে। ফলে বেশ কিছু পদ এখনো শূন্য আছে। এসব শূন্য পদ নতুন প্রজন্মের যোগ্য, ত্যাগী নেতাদের দিয়ে পূরণ করা হবে। নির্বাচনে আমাদের কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনের ধারায় পুরোপুরি ফিরে আসার আগে এবং ওদের নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরুর আগেই আমরা মাঠ গুছিয়ে ফেলতে চাই। ওরা সার্চ কমিটি, ইসি পুনর্গঠন, নির্বাচনকালীন সরকার কী হবে তা নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। আর আমরা নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দলকে সুসংগঠিত করে মানুষের মন জয় করার কাজ করে যাই। ’

মাঠে তত্পর সংসদ সদস্য ও মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সম্প্রতি কয়েকজন সংসদ সদস্য নিজ এলাকায় ‘জনতার মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এসব অনুষ্ঠানে অস্বস্তিকর, বিব্রতকর নানা প্রশ্নও রাখছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। নিজেদের সমস্যার পাশাপশি বিভিন্ন দুর্নীতি ও অপকর্মের কথাও সংসদ সদস্যদের জানাচ্ছে জনসাধারণ। এমপির নাম ভাঙিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে স্থানীয় কোন নেতা কত টাকা ঘুষ নিয়েছেন—এমন অভিযোগও উঠে আসছে। সংসদ সদস্যরা সেসব ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এভাবে তাঁরা জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন জয়পুরহাট-২ আসনের (কালাই-আক্কেলপুর-ক্ষেতলাল) সংসদ সদস্য। তিনি গত ২৪ জানুয়ারি কালাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে জনতার মুখোমুখি হন। এ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যকে যেকোনো প্রশ্ন করার সুযোগ পায় সেখানকার জনসাধারণ। যারা সংসদ সদস্যকে সামনাসামনি প্রশ্ন করতে না চায় তাদের জন্য লিখিত প্রশ্ন করার সুযোগ রাখা হয়। কয়েক দিন ধরে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে একটি বাক্স রাখা হয় প্রশ্ন সংগ্রহের জন্য। নিজের পরিচয় গোপন রেখেও তাতে প্রশ্ন করার সুযোগ রাখা হয়। এ ছাড়া আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপনের ফেসবুক আইডিতেও প্রশ্ন করার সুযোগ রাখা হয়। অনুষ্ঠানটি ফেসবুকে সরাসরি দেখানো হয়। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংসদ সদস্যের কাছে নানা অভিযোগ ও সমস্যার কথা তুলে ধরে। আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন কিছু সমস্যার তাত্ক্ষণিক সমাধান দেন এবং কয়েকটি শিগগিরই সমাধানের আশ্বাস দেন।

জানতে চাইলে আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের সততা ও সৎসাহস থাকলে তিনি জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পান না। আমাকে অনেকে বিব্রতকর প্রশ্নও করে থাকে। কিন্তু আমি এগুলো ইতিবাচকভাবে নিয়ে থাকি। জনগণের মুখোমুখি হলে নিজেদের সংশোধনের সুযোগ থাকে। কোনো ভুল করলে সেগুলো জানা যায়। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের সামনে জবাবদিহি নিশ্চিত করে তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থাকতেই আমি জনতার মুখোমুখি হচ্ছি। যাঁরা সামনাসামনি প্রশ্ন করতে ভয় পান বা ইতস্তত করেন তাঁদের পরিচয় গোপন রেখে লিখিত প্রশ্নের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ’

স্বপন বলেন, ‘আগামী মাসে আক্কেলপুর ও ক্ষেতলাল উপজেলায়ও জনতার মুখোমুখি হব। শুধু জনগণ নয়, আমার নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মুখোমুখি হতে আলাদা অনুষ্ঠানে অংশ নেব। ’

জানা গেছে, স্বপনের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনতার মুখোমুখি হয়েছেন নাটোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য জুনায়েদ আহমেদ পলক ও যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম। তাঁরা সেখানে জনগণের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সেগুলো সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ প্রতি সপ্তাহে দুই-তিন দিন এলাকায় সময় দিচ্ছেন। নিজ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন। গত শুক্রবার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ দারা রাজশাহীর পুঠিয়া ও দুর্গাপুর এলাকা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি আগে সপ্তাহে দু-এক দিন নিজ নির্বাচনী এলাকায় সময় দিতেন। কিন্তু সম্প্রতি নিজের এলাকায় তিনি আরো বেশি সময় দিচ্ছেন। গত ১৬ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন পুঠিয়া ও দুর্গাপুরে কাটান। এ সময়ে তিনি বেশ কয়েকটি উঠান বৈঠক, মতবিনিময়, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনের ইকবালুর রহিম, বগুড়া-১ আসনের আবদুল মান্নান, নওগাঁ-৬ আসনের ইস্রাফিল আলম, রাজশাহী-৩ আসনের আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৬ আসনের শাহরিয়ার আলম, নাটোর-২ আসনের শফিকুল ইসলাম শিমুল, কুষ্টিয়া-৪ আসনের আব্দুর রউফ, পটুয়াখালী-২ আসনের আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আসনের আ খ ম জাহাঙ্গীর, ভোলা-৩ আসনের নুরুন্নবী চৌধুরী, শেরপুর-২ আসনের বেগম মতিয়া চৌধুরী, ফরিদপুর-১ আসনের আবদুর রহমান, গোপালগঞ্জ-১ আসনের মুহম্মদ ফারুক খান, মাদারীপুর-৩ আসনের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের এ বি তাজুল ইসলাম নিয়মিত নিজ এলাকায় সময় দিচ্ছেন। এই সংসদ সদস্যরা নিজ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তদারকি করছেন এবং দ্রুত শেষ করার তাগাদা দিচ্ছেন।

সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরাও অনেকে নিজ এলাকায় নিয়মিত জনসংযোগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। জানা যায়, মাহজাবিন খালেদ, সানজিদা খানম, আমাতুল কিবরিয়া কেয়া, সাবিনা আক্তার তুহিনসহ বেশ কয়েকজন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচন সামনে রেখে মাঠে তৎপর রয়েছেন।


মন্তব্য