• ই-পেপার

অবৈধ বিদেশিদের অপরাধী চক্র

জামিনে কারামুক্ত ডা. সেলিনা হায়াত আইভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
জামিনে কারামুক্ত ডা. সেলিনা হায়াত আইভী
সেলিনা হায়াত আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি গাজীপুর কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কারামুক্ত হন। এ সময় কারা ফটকে তাঁর স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই কারাগারের জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জেল সুপার জানান, সেলিনা হায়াত আইভীর জামিনসংক্রান্ত কাগজপত্র বুধবার কারাগারে এসে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে রাত ১০টার পর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে হত্যা মামলায় সেলিনা হায়াত আইভীর জামিন বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

গত ১৭ মে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথক দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নো অর্ডার দেন চেম্বার আদালত। চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের এই আদেশের ফলে আইভীর বিরুদ্ধে থাকা মোট ১২টি মামলার সব কটিতেই জামিন বহাল থাকে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হওয়া দুটি হত্যা মামলায় গত ২ মার্চ ও ১২ এপ্রিল আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। এরপর গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রুলে তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন স্থগিতের আবেদন করলে চেম্বার আদালত তা খারিজ করে দেন।

গত বছরের ৯ মে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের বাসভবন থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রথমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার তিনটি হত্যা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত বছরের ৯ নভেম্বর হাইকোর্ট এই পাঁচ মামলায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করলেও চেম্বার আদালত তা স্থগিত করেছিলেন। পরে গত ১০ মে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল খারিজ করে দিলে এই পাঁচ মামলায় তাঁর জামিন চূড়ান্তভাবে বহাল হয়।

উক্তি

উক্তি

সব রাজনৈতিক দলকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে বড় কোনো অনুপ্রেরণা ছিল না লিওনেল মেসির। গত বিশ্বকাপে অধরা সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তাঁর। এবার একই রকম ক্ষুধা নিয়ে তিনি মাঠে নামতে পারবেন কি না, সেই আলোচনা আছে। তবে শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি এবার নতুন কিছু রেকর্ডেও চোখ রাখতে পারেন আর্জেন্টাইন তারকা। একটি রেকর্ড তো ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামলেই হয়ে যাচ্ছে তাঁর, যৌথভাবে সবচেয়ে বেশিছয়টি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড।

যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকেতাঁর সঙ্গে সেই রেকর্ডের অংশ হতে যাচ্ছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও মেক্সিকান গোলরক্ষক গিলের্মো ওচোয়াও। তবে রোনালদো যে লড়াইয়ে ততটা নেই, বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সেই সুযোগটাও এবার বেশ ভালোভাবেই আছে মেসির সামনে। ২০১৪ থেকে এই রেকর্ড মিরোস্লাভ ক্লোজার দখলে। ব্রাজিলের রোনালদোকে ছাড়িয়ে সেই আসরেই ক্লোজা নিজের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৬-তে নিয়ে গিয়েছিলেন। এখনো সেই চূড়াতেই আছেন তিনি। ১৫ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রোনালদো নাজারিও। তিনি ভেঙেছিলেন ১৪ গোল করা জার্ড মুলারের রেকর্ড। সেখানে ১৩ গোল নিয়ে ফরাসি জুস্ত ফতেইনের সঙ্গে এর পরের অবস্থানেই মেসি। ফতেইন ১৯৫৮ সালের এক আসরেই করেছিলেন ১৩ গোল। অর্থাৎ এই বিশ্বকাপে ক্লোজাকে ছুঁতে বর্তমান খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আর্জেন্টাইন তারকাই। আর তিনটি গোল হলেই হয় তাঁর। তবে মেসিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফেলবেন নিশ্চিত কিলিয়ান এমবাপ্পে। পেলের সমান ১২টি বিশ্বকাপ গোল যে তাঁর নামের পাশেও।

পেলেকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অ্যাসিস্টের রেকর্ডও হতে পারে মেসির। বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত আটটি অ্যাসিস্ট মেসির। পেলের ১০ অ্যাসিস্ট ছাড়িয়ে যেতে পারেন তিনি এবারই। যদিও এই পরিসংখ্যান নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটা আর্জেন্টাইন তারকা নিজের করে নিয়েছেন গত আসরেই২৬টি। এবার সেই সংখ্যা নিশ্চিত আরো বাড়িয়ে নিচ্ছেন তিনি। টুর্নামেন্টের কলেবর বাড়ায়, ফাইনাল পর্যন্ত যেতে এবার আটটি ম্যাচ খেলার সুযোগ আছে। আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ তিনটি ফাইনাল খেলার সংক্ষিপ্ত তালিকায়ও ঢুকে যাবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

হালকা চোট নিয়ে তিনি বিশ্বকাপ ক্যাম্পে যোগ দিলেও আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ থেকেই তাঁর মাঠে থাকা নিয়ে অবশ্য সংশয় নেই। তবে তার আগে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ দুটি তিনি খেলবেন কি না সেটি নিশ্চিত নয়। আঙুলে চোট থাকায় এই দুটি ম্যাচ খেলবেন না গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসও। তবে বিশ্বকাপের শুরু থেকে তাঁকে পাওয়া নিয়ে সংশয় নেই বলে গত পরশু অনুশীলন শেষে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন মার্তিনেস নিজেই, আমি সেখানে থাকছি। পরশু ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোকে নিয়েও সুখবর পেয়েছেন লিওনেল স্কালোনি। হাঁটুর চোট থেকে পুরো সেরে উঠে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন টটেনহাম ডিফেন্ডার। বিশ্বকাপের শুরু থেকে পাওয়া যাবে তাঁকে। টিওয়াইসি স্পোর্টস

সাক্ষাৎকার

এভরিথিং ইজ ভেরি গুড

কালের কণ্ঠকে সড়কমন্ত্রী

এভরিথিং ইজ ভেরি গুড
শেখ রবিউল আলম

শেখ রবিউল আলম একই সঙ্গে সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। দেশের যোগাযোগব্যবস্থার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একাই পালন করছেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি তাঁর বক্তব্যদান, একই সঙ্গে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনসহ নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন। কেউ কেউ সমালোচনার বাণেও তাঁকে বিদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। নানা কথায় কান না দিয়ে নিজে কাজ, কাজ এবং কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন তিনি। সম্প্রতি ঈদযাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় ব্যবস্থা জোরদারে তাঁর ছিল নিরলস কর্মনিষ্ঠা। এত কিছুর পরও তাঁকে নিয়ে আলোচনা পিছু ছাড়ছে না।

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে অর্পিত দায়িত্ব পালন করাই তাঁর লক্ষ্য। নিজের মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠিন সব বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রকেট গতির সঙ্গে তাঁর গতি বেড়েছে সমানতালে। তিনি কাজ করতে গিয়ে দেখছেন  বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও। কিন্তু তিনি এটিকে ব্যবস্থাপনা হিসেবে দেখছেন। ফলে কোনো চ্যালেঞ্জকেই তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানতে নারাজ। তাঁর ভাষায়—‘এভরিথিং ইজ ভেরি গুড। গতকাল বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপচারিতায় এভাবেই নিজের মনোভাব তুলে ধরেন তিনি। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান।

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে অতিবাহিত হয়েছে ১০০ দিন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করছি না আপাতত। সরকার এটা কেন্দ্রীয়ভাবে করবে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দিয়েছি। বিচ্ছিন্নভাবে আমি কিছু বলতে চাইছি না। আমাদের যে টার্গেটগুলো ছিল তা পূরণ করার চেষ্টা করেছি। বেসিক্যালি তিন মাস কোনো টার্গেট না। আমাদের কর্মসূচি ১৮০ দিনের। এর মাত্র অর্ধেক সময় পার হয়েছে। এখনো কাজ চলছে। আরো এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেখান থেকে যতটুকু বলা দরকার সেটা প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলবেন। এখন পর্যন্ত কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়েছে, চ্যালেঞ্জ কী কী ছিলজানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। এভরিথিং ইজ ভেরি গুড। যেকোনো কাজেই চ্যালেঞ্জ থাকে। আর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করাটাই হচ্ছে ব্যবস্থাপনা।

মন্ত্রিপরিষদে রদবদল অথবা কোনো কোনো মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছেএমন আলোচনা আছে, এ প্রসঙ্গে এই আলোচিত মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকের কাজ আর সাধারণ মানুষের কাজ কি এক হয়? সাংবাদিক চোখ এবং কান দিয়ে সঠিকটা জানবেন। কিছুটা জানার পর ক্ল্যারিফিকেশন জরুরি। কিন্তু একটা কথা বাজারে শুনলাম পরে এটা জানতে চাইলাম, এর কী উত্তর দেব? এর উত্তর দেওয়ার রুচিও থাকবে না। এর ভিত্তি বা কারণ থাকতে হবে, তাই না?

অবৈধ বিদেশিদের অপরাধী চক্র | কালের কণ্ঠ