kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আওয়ামী লীগের কাউন্সিল

সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে গুঞ্জন

তৈমুর ফারুক তুষার   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে গুঞ্জন

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মাণ করা হয়েছে নৌকা আকৃতির বিশাল মঞ্চ।

দৃষ্টিনন্দন সাজে সাজানো হয়েছে উদ্যান ও আশপাশের এলাকা। সম্মেলন ঘিরে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সারা দেশ থেকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এসে ভিড় জমাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। গান, কবিতা, আড্ডায় মাতিয়ে রাখছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। ফলে সম্মেলনের দুই দিন আগেই সেখানে দেখা যায় উৎসবের আমেজ।

আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানান, আগামীকাল শনিবার সকাল ১০টায় দলের দুই দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। স্বাগত ভাষণ দেবেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত অভ্যর্থনা উপপরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাসিম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতীয় নেতারা ও বিদেশি অতিথিরা শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন। বিকেলে থাকবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাবলয় গড়ার প্রস্তুতিও শেষ। বিদেশি অতিথিদের অনেকেই এসে পৌঁছেছেন, আরো অনেকে আসবেন আজ শুক্রবার। রাজধানীজুড়ে ব্যাপক আলোকসজ্জা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ। সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য গঠন করা হয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গত সম্মেলনের মতো এবারও শেষ মুহূর্তে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে জোরালো গুঞ্জন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম টানা তৃতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন নাকি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে ওই পদে দেখা যাবে তা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। গত বুধবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের পর এ আলোচনা জোরদার হয়। ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক করতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে শুরু হয় গুঞ্জন। তবে সৈয়দ আশরাফের ঘনিষ্ঠ নেতাদের মতে, দলের সাধারণ সম্পাদক পদে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন—এমন আলোচনা গত কয়েক মাস ধরেই ছিল দলের একটি অংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে। তবে কিছুদিন আগে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হবেন না।

জানা যায়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশেই ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন। কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনপ্রক্রিয়া পরিচালনা করবে একটি নির্বাচন কমিশন। গতকাল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ওই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের এ কমিশনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে করা হয়েছে চেয়ারম্যান। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মশিউর রহমান ও সাবেক সচিব রাশেদুল আলম। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলের শৃঙ্খলা উপপরিষদ। তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনেক আইপি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। সমাবেশস্থলের পাশে বানানো হয়েছে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন কম্পাউন্ডে শৃঙ্খলা উপপরিষদের একটি পর্যবেক্ষণ কক্ষে বসে পুরো উদ্যানের নিরাপত্তা তদারকি করা হবে।

ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোয় আলোকসজ্জা, তোরণ নির্মাণ ও ব্যানার-ফেস্টুন-বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। নগরের বিভিন্ন প্রবেশপথে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি সায়েদাবাদ, মহাখালী, গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করেছে।

গতকাল আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন নেতা সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন। ওই বাস টার্মিনালগুলোয় বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের খাবার পানি ও শৌচাগার ব্যবহারের সুবিধা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন নেতারা।

জানা গেছে, সম্মেলন উপলক্ষে রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি এসে পৌঁছেছেন। সোনারগাঁও হোটেলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সম্মেলন উপলক্ষে বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য নেতাকর্মী ঢাকায় এসে জড়ো হয়েছে। তারা ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ভিড় জমাচ্ছে। সম্মেলনের প্রস্তুতি দেখতে অনেকে ভিড় করছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও। জানা যায়, রাজধানীর সব হোটেলের কক্ষই তিন দিনের জন্য বুক করা হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য।  

গতকাল বিকেলে মঞ্চের কিছুদূরে অস্থায়ী কার্যালয়ের পাশে দেখা গেল যুব মহিলা লীগের নেত্রী অপু উকিল, কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, সাবিনা আক্তার তুহিনসহ সংগঠনটির বেশ কয়েকজন নেত্রী গলা ছেড়ে গান গাইছেন। গান শেষ হওয়ার পর জানতে চাইলে অপু উকিল বলেন, ‘এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আমরা প্রতিদিনই বিকেলে এখানে আসছি। গান গেয়ে, কবিতা আবৃত্তি করে, সংগঠনের নানা স্মৃতিচারণা করে আমরা এখানে আনন্দের সঙ্গে সময় কাটাই। আওয়ামী লীগের সম্মেলন আমাদের কাছে আবেগ ও উৎসবের বিষয়। এ কারণেই আমরা এখানে আসি। ’

গত রাত ৮টার দিকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পাশ দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল একদল যুবকের জটলা। একটু কাছে যেতেই দেখা মিলল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের। তিনি জানান, রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাঠে অবস্থান করে তিনি বিভিন্ন কাজের দেখভাল করবেন। পাশেই আরেকটি জটলায় দেখা যায় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি খন্দকার তারেক রায়হানকে। তিনি জানালেন, মধ্য রাত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই থাকবেন। ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্ত্রী মৌসুমিকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন সম্মেলনের প্রস্তুতিকাজ দেখতে। তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কর্মী। তাই দুজনেই এসেছেন।

যান চলাচল সীমিত রাখবে ডিএমপি : গত বুধবার ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা কাউন্সিলর, অতিথি, ভিভিআইপি ও বিদেশিদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনস্থলে সহজে ও নিরাপদে প্রবেশ করার স্বার্থে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই দুই দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত বিজয় সরণি হয়ে ভিআইপি রোডের সব গাড়ি রূপসী বাংলা-শাহবাগ-টিএসসি হয়ে ডানে মোড় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করবে। সকাল ৮টা থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না পৌঁছানো পর্যন্ত ভিআইপি রোডে যান চলাচল একেবারেই বন্ধ থাকবে। ওই সময় সম্মেলনে আগতদের গাড়িও এ সড়কে ঢুকতে পারবে না। উত্তরা হয়ে আসা গাড়ি মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে মহাখালী টার্মিনাল-মগবাজার-কাকরাইল চার্চ-রাজমনি ক্রসিং-নাইটিংগেল-ইউবিএল-জিরো পয়েন্ট-আব্দুল গণি রোড-হাইকোর্ট ক্রসিং-দোয়েল চত্বর দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করবে। মাওয়া থেকে আসা গাড়িগুলো সদরঘাট-বাবুবাজার-গুলিস্তান-জিরোপয়েন্ট-আব্দুল গনি রোড-পুরাতন হাইকোর্ট ক্রসিং-দোয়েল চত্বর-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে গন্তব্যস্থলে যাবে। চট্টগ্রাম বিভাগ, সিলেট বিভাগ, যাত্রাবাড়ী ও কাঁচপুর থেকে আসা গাড়ি মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার-চানখাঁরপুল-দোয়েল চত্বর-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে গন্তব্যস্থলে যাবে। প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করার পর ভিআইপি রোড (হেয়ার রোড-রূপসী বাংলা-সোনারগাঁও-বিজয় সরণি) স্বাভাবিক থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনস্থল থেকে বের হওয়ার সম্ভাব্য দুই ঘণ্টা আগে থেকে মৎস্য ভবন, কাকরাইল চার্চ থেকে বিজয় সরণি পর্যন্ত রাস্তায় ডাইভারশন চলবে। উল্লিখিত সময়ে দক্ষিণের গাড়ি ইউবিএল-নাইটিংগেল-কাকরাইল চার্চ-মগবাজার দিয়ে মহাখালী যেতে পারবে। গাবতলী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি থেকে আসা গাড়িগুলো মানিক মিয়া এভিনিউ ও মিরপুর রোড ব্যবহার করে রাসেল স্কয়ার-সায়েন্স ল্যাব ক্রসিং-নিউ মার্কেট ক্রসিং-নীলক্ষেত ক্রসিং-আজিমপুর ক্রসিং-পলাশী ক্রসিং দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকবে।

সম্মেলন উপলক্ষে কিছু সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল ৭টা থেকে কিছু পয়েন্টে ডাইভারশনের মাধ্যমে যান চলাচল করবে। ওই সময় মানিক মিয়া এভিনিউ-ফার্মগেট অভিমুখে কোনো গাড়ি আসবে না। রাসেল স্কয়ার-পান্থপথ অভিমুখেও কোনো গাড়ি যাবে না। সব গাড়ি নিউ মার্কেট-সায়েন্স ল্যাবরেটরি-নিউ মার্কেট-আজিমপুর-পলাশী-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পার্কিংয়ে প্রবেশ করবে অথবা নিউ মার্কেট-নীলক্ষেত-ফুলার রোড দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢুকবে। কাঁটাবন থেকে কোনো গাড়ি শাহবাগের দিকে আসবে না। কাঁটাবন থেকে ডানে মোড় নিয়ে নীলক্ষেত ক্রসিং হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢুকবে। টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর ও দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসির দিকে কোনো গাড়ি ঢুকবে না। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন এবং মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ অভিমুখে কোনো গাড়ি যাবে না। হাইকোর্ট ক্রসিং থেকে দোয়েল চত্বরে গাড়ি ঢুকতে পারবে কিন্তু দোয়েল চত্বর থেকে হাইকোর্ট ক্রসিংয়ে গাড়ি যাবে না। ইউবিএল ক্রসিং (পল্টন মোড়) থেকে কোনো গাড়ি কদম ফোয়ারার দিকে যাবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনের রাস্তা উভয় দিকে বন্ধ থাকবে। কাকরাইল চার্চ থেকে কাকরাইল মসজিদ অভিমুখে কোনো গাড়ি যাবে না। কার্পেট গলি, পরীবাগ গ্যাপ, শিল্পকলা একাডেমির গ্যাপ, মিন্টো রোড ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব মোড় বন্ধ থাকবে এবং এসব স্থান থেকে ভিআইপি রোডে কোনো গাড়ি ঢুকবে না। সচিবালয়ের সামনে আব্দুল গণি রোডে কোনো গাড়ি পার্কিং হবে না।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ট্রাফিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাধ্যমতো কাজ করবে পুলিশ। কিছু ডাইভারশনের কারণে নাগরিকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে। সে জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা ওই দুই দিনের ট্রাফিকব্যবস্থার বিষয়ে মাইক দিয়ে নাগরিকদের অবহিত করব। ’


মন্তব্য