kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রপ্তানি ছাড়াই প্রণোদনা নিচ্ছে আনন্দ শিপইয়ার্ড

আবুল কাশেম   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



রপ্তানি ছাড়াই প্রণোদনা নিচ্ছে আনন্দ শিপইয়ার্ড

চারটি জাহাজ নির্মাণের পরও রপ্তানি করতে পারেনি আনন্দ শিপইয়ার্ড। জাহাজ কেনার জন্য অগ্রিম যে টাকা দিয়েছিল ক্রেতারা, তা এখন সুদসহ পরিশোধ করতে হয় আনন্দ শিপইয়ার্ডকে।

কম্পানিটির পক্ষে এই টাকা ক্রেতাদের ফিরিয়ে দেয় ইসলামী ব্যাংক। অথচ এসব জাহাজ রপ্তানি করলে আনন্দ শিপইয়ার্ড যে নগদ সহায়তা পেত, রপ্তানি না করেও নগদ সহায়তা হিসেবে পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ টাকা অগ্রিম তুলে নিয়েছে তারা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সময়মতো সরবরাহ করতে না পারায় বিদেশি ক্রেতারা দুটি জাহাজ কেনার চুক্তি বাতিল করে ২০১৩ সালে। আর একটি জাহাজ নির্মাণ শেষে ক্রেতা বুঝে নিতে বাংলাদেশে এলেও মন্দার কারণে আগের চেয়ে কম দাম পরিশোধ করতে চায়। ফলে জাহাজটি বিক্রি না করে চট্টগ্রাম থেকে শিপইয়ার্ডে ফেরত নিয়ে আসে আনন্দ শিপইয়ার্ড। ফলে ওই ক্রেতা এটিসহ আরেকটি জাহাজ কেনার চুক্তিও বাতিল করে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর আনন্দ শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফরোজা বারী এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এসব কথা জানিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘জাহাজ নির্মাণ বা রপ্তানিতে আপনাদের ব্যর্থতায় বিপুল অঙ্কের ফোর্সড দায় সৃষ্টি করে ক্রেতার দেওয়া অগ্রিম অর্থ সুদসহ ইসলামী ব্যাংক ফেরত দিয়েছে। ’ এ ছাড়া রপ্তানি না হলেও সম্ভাব্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তার অর্থও তারা ব্যাংক থেকে তুলে নিয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান কালের কণ্ঠকে জানান, যেসব জাহাজ রপ্তানি করতে পারেনি আনন্দ শিপইয়ার্ড, ভবিষ্যতে রপ্তানি হবে বিবেচনায় সেগুলোর বিপরীতে নগদ সহায়তার অর্থও কম্পানিটি উঠিয়ে নেয়।  

বিভিন্ন খাতে রপ্তানিকারকদের উৎসাহ দিতে সরকার নগদ সহায়তা দিয়ে থাকে। জাহাজ রপ্তানির বিপরীতেও সরকার থেকে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। সাধারণত রপ্তানি করার পর রপ্তানি মূল্য দেশে আসার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানিকারক ওই সহায়তা পায়। এর আগে প্রকৃতপক্ষেই রপ্তানি হয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হয়। কিন্তু আনন্দ শিপইয়ার্ড জাহাজ রপ্তানি না করেই নগদ সহায়তা বাবদ ইসলামী ব্যাংক থেকে পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ টাকা তুলে নেয়। এই টাকা মূলত সরকারের।  

গত রবিবার আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রধান কার্যা লয়ে গিয়ে এমডিকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর স্বামী ও আনন্দ শিপইয়ার্ডের চেয়ারম্যান ড. আবদুল্লাহেল বারী নিজ কার্যা লয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই চিঠি আমরা পাইনি। তবে মন্দার কারণে যেসব জাহাজ রপ্তানি করা সম্ভব হয়নি, তার বিপরীতে নগদ সহায়তা নিয়েছি—এ তথ্য হয়তো সঠিক নয়। ’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ইসলামী ব্যাংক ওই চারটি জাহাজ রপ্তানির ক্ষেত্রে আনন্দ শিপইয়ার্ডের চাহিদামতো সব ধরনের সহায়তা করে। এমনকি গ্যারান্টি ইস্যুর সময় নেওয়া মার্জিনের অর্থ নগদায়নের সময় ফোর্সড লোনের সঙ্গে সমন্বয় না করে আনন্দ শিপইয়ার্ডকে ফেরত দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসায়িক সুবিধা দিতে গিয়ে ইসলামী ব্যাংক নিজের আমানতকে ঝুঁকিগ্রস্ত করেছে। জাহাজ নির্মাণ বা রপ্তানি প্রকল্পের আওতায় ব্যাংকটি গ্যারান্টার হিসেবে বিদেশি ক্রেতা ও আনন্দ শিপইয়ার্ডকে ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে, যা পরে ফোর্সড লোনে রূপান্তর হয়েছে। সুদে আসলে তা এখন ৮০০ কোটিতে ঠেকেছে। এর মধ্যে আনন্দ শিপইয়ার্ড এক টাকাও পরিশোধ করেনি। আনন্দ শিপইয়ার্ডের কাছ থেকে নিজেদের পাওনা উদ্ধারে শেষ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক অর্থঋণ আদালতে মামলা করেছে।

তা সত্ত্বেও আনন্দ শিপইয়ার্ডের দাবি, ইসলামী ব্যাংকের অজ্ঞতা, অসমর্থতা বা ব্যর্থতার কারণে জাহাজ রপ্তানি চুক্তি বাতিল হয়েছে তাদের। এই দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে এক হাজার ২৩৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করে আনন্দ শিপইয়ার্ড। সেখানে এ মামলা খারিজ হওয়ার পর হাইকোর্টে আপিল করে কম্পানিটি। হাইকোর্টও মামলাটি খারিজ করে দেন।

মামলায় হেরে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সহায়তা চেয়ে চিঠি লেখে আনন্দ শিপইয়ার্ড। গত ২৭ সেপ্টেম্বর কম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর ফিরতি চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এ ক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংকের কোনো ব্যর্থতা নেই। বরং আনন্দ শিপইয়ার্ডকে সহায়তা দিতে ব্যাংক সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। পাওনা আদায়ে ইসলামী ব্যাংক অর্থঋণ আদালতে যে মামলা করেছে, সেই মামলার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।

অথচ ২০০৯ সালের ১৮ জুন ও ২৭ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংককে লেখা চিঠিতে আনন্দ শিপইয়ার্ড স্পষ্ট করেই জানিয়েছিল যে ইসলামী ব্যাংক সঠিক নিয়মে সময়মতো সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইসলামী ব্যাংকের কারণে নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজের দরপতন, বৈশ্বিক মন্দা ইত্যাদি কারণে জাহাজ ক্রয়ে অনাগ্রহী হয়ে ক্রেতা চুক্তি বাতিল করেছে।

আবদুল্লাহেল বারী বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজ ব্যবসায় ধস নামে। সে কারণেই ক্রেতারা চুক্তি বাতিল করে দেয়। এর মধ্যে চারটি জাহাজ নির্মাণে কম্পানির ৫০০ কোটি টাকার মতো খরচ হয়েছে। জাহাজগুলো রপ্তানি করা গেলে ৬০ কোটি টাকার মতো মুনাফা হতো।

ইসলামী ব্যাংকে ৮০০ কোটি টাকা দেনার কথা স্বীকার করে আবদুল্লাহেল বারী জানান, এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ ও ৩০০ কোটি টাকা ওই ঋণের সুদ। আর ঋণের ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে বিদেশি ক্রেতাদেরই ইসলামী ব্যাংক ২৭৬ কোটি টাকা দিয়েছে।

তা সত্ত্বেও ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে কেন ক্ষতিপূরণ মামলা করা হলো, এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি আবদুল্লাহেল বারী। শুধু বলেন, ‘মামলাধীন বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। হয়তো চুক্তি বাতিলের পেছনে তাদেরও (ইসলামী ব্যাংকের) কোনো দোষ থাকতে পারে। ’

আনন্দ শিপইয়ার্ডকে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ‘ব্যাংক আপনাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সেবা প্রদান করেছে। কিন্তু বিশ্বমন্দা, জাহাজ ব্যবসায় ধস ও ক্রেতার সঙ্গে কার্যকরী যোগাযোগ ও আইনি লড়াইয়ে আপনাদের ব্যর্থতার কারণে জাহাজ নির্মাণ ও রপ্তানি সম্ভব হয়নি। এ অবস্থার মধ্যে অর্থ আদায়ের জন্য ব্যাংক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আপনারা এক হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। ’ 

‘ক্রেতা জাহাজগুলো গ্রহণে অনাগ্রহী হয়ে অযৌক্তিকভাবে একের পর এক চুক্তি বাতিল করে ইসলামী ব্যাংকের দেওয়া গ্যারান্টিগুলো নগদায়ন করে অগ্রিম দেওয়া অর্থ সুদসহ ফেরত নিয়ে যায়। আপনাদের একাধিক পত্রের মাধ্যমে এ কারণগুলোই ব্যাংককে অবহিত করা হয়েছে। এমনকি (বাংলাদেশ ব্যাংকের) গভর্নর মহোদয় বরাবর পাঠানো আপনাদের ২০০৯ সালের ২ আগস্টের পত্রে চুক্তি বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে বৈশ্বিক মন্দাকেই দায়ী করেছেন। ’—চিঠিতে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

আনন্দ শিপইয়ার্ডকে দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যা লোচনা করে দেখা যায়, আনন্দ শিপইয়ার্ডের চারটি জাহাজ নির্মাণ ও রপ্তানি চুক্তির বিপরীতে ইস্যু করা ১০টি রিফান্ড গ্যারান্টির মেয়াদ ছিল ২০০৯ সালের ১০ জুন পর্যন্ত। গ্যারান্টিগুলো নবায়নের জন্য আনন্দ শিপইয়ার্ড ২০০৯ সালের ৫ মে আবেদন করার পরই ইসলামী ব্যাংক গ্যারান্টি নগদায়নের জন্য লন্ডনের মাশরেক ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে আনন্দ শিপইয়ার্ড ২০০৯ সালের ২৬ মে চিঠি দিয়ে ওই মাসের ২৯ তারিখের মধ্যে গ্যারান্টিগুলো নবায়নের ব্যবস্থা করতে ইসলামী ব্যাংককে অনুরোধ জানায়। ইসলামী ব্যাংক জরুরি ভিত্তিতে মাশরেক ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। মাশরেক ব্যাংক মেয়াদ শেষ হওয়ার পাঁচ দিন আগেই গ্যারান্টিগুলো নবায়ন করে। অন্য ছয়টি গ্যারান্টির মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও ২০১৬ সালের ২৯ মে চারটি জাহাজের চুক্তিই বাতিল করে গ্যারান্টি নগদায়নের মাধ্যমে অগ্রিম দেওয়া অর্থ সদুসহ ফেরত নিয়ে যায় ক্রেতা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, অন্য দুটি জাহাজ নির্মাণ ও রপ্তানির বিপরীতে ইসলামী ব্যাংক ছয়টি গ্যারান্টি ইস্যু করে, যেগুলোর মেয়াদ ছিল ২০১৪ সালের ১২ জুন পর্যন্ত। আনন্দ শিপইয়ার্ড সময়মতো ওই দুটি জাহাজ সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় ক্রেতা ২০১৩ সালে চুক্তিটি বাতিল করে। জাহাজ সরবরাহে অতি বিলম্ব ও সময়মতো জাহাজ নির্মাণের নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্রেতা চুক্তি বাতিল করে অগ্রিম দেওয়া অর্থ সুদসহ ফেরত চায়। তখন আনন্দ শিপইয়ার্ড নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করে জানায়, ‘বৈশ্বিক মন্দার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ক্রেতা দোষত্রুটি খুঁজছে। ’

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল মান্নান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ব্যাংক উদীয়মান শিল্প খাত হিসেবে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সহায়তা করেছে। কিন্তু আনন্দ শিপইয়ার্ড যে আমাদের এভাবে নিরানন্দ করবে, বুঝতে পারিনি। এদের কারণে ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ৫৭৮ কোটি টাকা প্রভিশন রাখতে হয়েছে। তবু আমরা আনন্দ শিপইয়ার্ড টিকে থাকুক, সে চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাদের সদিচ্ছা বা সহানুভূতির কোনো মূল্য না দিয়ে তারা ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। তাদের ব্যর্থতা কিংবা বৈশ্বিক মন্দার দায় আড়াল করে সব দোষ আমাদের ওপর চাপিয়ে চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে। আমাদের মেশিন অন্য জাহাজে ব্যবহার করে অন্যের নামে চালানোর অপচেষ্টাও করেছে আনন্দ শিপইয়ার্ড। ’

ইসলামী ব্যাংকের এমডি বলেন, ‘যেসব জাহাজ রপ্তানি হয়নি, সেগুলোর কোনো কোনোটি ১০০ ভাগ আবার কোনো কোনোটি ৯০ ভাগ বা ৭০ ভাগ পর্যন্ত নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জাহাজের মেশিন, যন্ত্রপাতি কেনায় ইসলামী ব্যাংক গ্যারান্টার হয়েছে। তৈরি পোশাক, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতের শুরুতে আমরা এভাবেই অর্থায়ন করেছি। কিন্তু আনন্দ শিপইয়ার্ডের লোকজন ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে উপযুক্ত ব্যবহার করেনি। ’

২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক আনন্দ শিপইয়ার্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ঋণের তথ্য তুলে ধরে অর্থ মন্ত্রণালয়কে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল। তাতে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আনন্দ শিপইয়ার্ডের মোট এক হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা ঋণ থাকার তথ্য তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ কোটি নগদ ঋণ ও ৪০৬ কোটি নন-ফান্ডেড দায়। এর মধ্যে বেশির ভাগই অনিয়মিত থাকলেও হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে তা খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

অতীতের এসব ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে আনন্দ শিপইয়ার্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘দায়দেনা তো রয়েছেই। সে কারণেই কোনো ব্যাংক এখন আর টাকা দিতে চায় না। যেসব প্রকল্প নিয়েছি, ব্যাংক থেকে ঋণ পেলে তা সম্পন্ন করা যেত। তাতে কম্পানির অবস্থাও ভালো হতো। ’


মন্তব্য