kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের সঙ্গে থাকবে সম্পর্ক, ঝগড়াঝাঁটিও

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



পাকিস্তানের সঙ্গে থাকবে সম্পর্ক, ঝগড়াঝাঁটিও

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে পাকিস্তানের বিরূপ মন্তব্য সত্ত্বেও দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি।

আমরা বিজয়ী জাতি। কাজেই তারা অনেক কিছু বলতে পারে। তারা কী বলল না বলল, তাতে আমাদের কিছু এসে যায় না। আমাদের যে কাজ করার আমরা তো তা করে যাচ্ছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা করে যাচ্ছি। তারা তো কাঁদবেই, কারণ এরা তাদের পেয়ারে বান্দা। ’ তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে আবার ঝগড়াঝাঁটিও চলবে।

গতকাল রবিবার বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পর্কে অবহিত করতে এ সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সফর-সংক্রান্ত লিখিত বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখা না রাখা, সার্কের প্রয়োজনীয়তা থাকা না থাকা, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা, আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন, শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনের আলোচনায় বিএনপির থাকার আগ্রহ, তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান রেখে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পুরস্কারপ্রাপ্তি—এসব নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পাকিস্তান ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়, এটা আপনারা জানেন। বঙ্গবন্ধুর আমলেই কিন্তু পাকিস্তান বাধ্য হয়েছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে। যেকোনো দুটি দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকে, মতভিন্নতা থাকতে পারে। ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘যারা এ দেশে যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিল তাদের বিষয়েও সকলের কথা বলা উচিত। যারা যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছিল বা যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল তাদের এ দেশে রাজনীতি করার অধিকার আছে কি না, তাদের সঙ্গে আপনারা সম্পর্ক ছিন্ন করবেন কি না, এ দেশের মানুষ যাঁরা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী তাঁরা সম্পূর্ণভাবে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন কি না, অন্তত যারা দেশের ভেতরে বসে দালালি করে তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন—সেটা আগে সিদ্ধান্ত নেন। ’

ভুয়া ভোটার তালিকা করবে এমন নির্বাচন কমিশন চায় বিএনপি : সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে বিএনপির আলোচনার প্রস্তাব প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি চাচ্ছে যে নির্বাচন কমিশন গঠনে বিশেষ অবদান রাখবে। এর আগে একটি কথা বলতে চাই। আপনাদের একটু স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, বিএনপি কী ধরনের নির্বাচন কমিশন চায়? আপনাদের মনে আছে, বিএনপি এক নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিল ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে। সেই নির্বাচন কমিশন যে ভোটার তালিকা করেছিল, সেখানে এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়েছিল। এখন কোনো দলের ভুয়া ভোটারসহ ভোটার তালিকা নেই। বর্তমান যে নির্বাচন কমিশন তারা ভুয়া ভোটার তালিকা করেনি। এটা বোধ হয় বিএনপির পছন্দ না। কারণ তারা এমন একটা নির্বাচন কমিশন চায়, যারা তাদের জন্য ভুয়া ভোটার তালিকা বানিয়ে দেবে। এক কোটি ২৩ লাখ যদি ভুয়া ভোটার থাকে তাহলে নির্বাচনের ফলাফলে তো কিছু লাভ হবে না। সেটা হলে পড়েই বোধ হয় তারা খুশি হবে। সে ধরনের নির্বাচন কমিশন তারা চায়। ’

সার্ক নিয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত নয় : পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে সার্ক গঠনের চিন্তা সরকারের আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থেকেই যায়। তারা যখন যা বলছে আমরা তার প্রতিবাদ করছি। আর সার্ক সম্মেলনের ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাব না, যেহেতু পাকিস্তান আমাদের বিষয়ে মন্তব্য করেছে। দেখা গেছে, আরো চারটি দেশ এ সম্মেলনে আসবে না। সাতটির মধ্যে যদি ৪টি না থাকে, তিনটি থাকলে কিভাবে সম্মেলন হবে? ফলে বাধ্য হয়েছে সম্মেলন বন্ধ করতে। এখন সার্কের চেয়ারপারসন হচ্ছে নেপাল। যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় তারা নেবে। আমরা এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না, কারণ আমরা এখন চেয়ারপারসন না। আর আমাদের বাস্তবতাটা মনে রাখতে হবে। কূটনৈতিক সম্পর্ক সেটা চলবে আর ঝগড়াঝাটি সেটাও চলবে। ’

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু সার্ক চার্টারে আছে যে দ্বিপক্ষীয় কোনো সমস্যা হলে সেটা আলোচনা করা যাবে না। যে কারণে অনেক সময়ে অনেক জরুরি বিষয় এখানে আলোচনা করা হয় না, এটা ঠিক। তবে সার্ক থাকবে কী থাকবে না সেটা আমি এককভাবে বলতে পারি না। এখানে সার্কভুক্ত যে দেশগুলো আছে সবাই সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেবে। কাজেই এখানে আমার একক কোনো মত না দেওয়াটাই ভালো। ’ একটি আঞ্চলিক সংস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে যে দেশগুলো আছে তাদের মধ্যে সমঝোতাপূর্ণ কিছু একটা পরিষদ গড়ে তুলুক এই বক্তব্য কিন্তু জাতির পিতা স্বাধীনতার পরপরই দিয়েছিলেন। কাজেই আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অবশ্যই সব সময় একটা যৌথ উদ্যোগ থাকা উচিত। এই কারণে যে এই অঞ্চলের দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য এটা প্রয়োজন আছে। ’

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হব : ভারত-পাকিস্তান সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। আমরা চাই না যে এভাবে কোনো দেশের ভেতরে এই সময়ে একটা উত্তেজনা সৃষ্টি হোক বা কোনো যুদ্ধ হোক। কারণ আপনাদের মনে রাখতে হবে, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে এর ভুক্তভোগী আমরাও হব। আমাদের যে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে সেটাও ব্যাহত হবে। কাজেই কোনো হামলা হোক এটা আমরা চাই না। তাদের মধ্যে যে সমস্যা আছে এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার, দুই দেশ বসে এটা সমাধান করুক, সেটাই আমরা চাই। কোনো রকম সংঘাত হোক সেটা আমাদের কাম্য নয়। ’

রিটায়ার করার সুযোগ দিলে খুশি হব : আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকেই সম্মেলন ঠিকমতো করে যাচ্ছে। মার্শাল ল, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা—এ রকম কিছু সময়ে শুধু দেরি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে বোধ হয় এই একটা মাত্র রাজনৈতিক দল যে দলটা সুষ্ঠুভাবে সময়মতো সম্মেলন করে আসে। তৃণমূল পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি, উপজেলা কমিটি, জেলা কমিটিগুলোর সম্মেলন আমরা সঠিকভাবে করে এসেছি। আমরা সম্মেলন আরো আগে করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নানা কারণে তা করে উঠতে পারিনি। এখন যে তারিখটা, আমি মনে করি তা আর পরিবর্তন হবে না, তারিখটা ঠিক থাকবে। ২২, ২৩ অক্টোবর, ইনশাল্লাহ এ সম্মেলন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ’ তিনি বলেন, ‘সম্মেলনের নেতৃত্ব নির্বাচন? আপনারা জানেন, কাউন্সিলররা আসবেন, জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাউন্সিলরও বেড়ে গেছে। আবার কাউন্সিলরদের সমসংখ্যক ডেলিগেশন আছে। এত বড় একটা রাজনৈতিক দল, আরো নেতাকর্মীরা আসবেন। আমরা তাঁদের মতামত নেব। তাঁরা যেভাবে চাইবেন, যাঁকে চাইবেন নেতৃত্বে, তাঁকেই নেতা বানাব। আমি আমার কথা বলতে পারি, আমার তো ৩৫ বছর হয়ে গেছে, এখন যদি আমাকে রিটায়ার করার সুযোগ দেয় তবে সব থেকে খুশি হব। ’

ওই সময় সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতারা সমস্বরে ‘না’ ‘না’ বলে ওঠেন। তখন শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি তো দল ছেড়ে যাচ্ছি না। দলের সঙ্গে থাকব। কাউকে যদি নতুন নেতা নির্বাচিত করে আমি সব থেকে বেশি আনন্দিত হব। এত দীর্ঘ সময়, এত দায়িত্ব পালন করা, এটা কম কথা নয়। ’

সন্তান জয়ের জন্য দোয়া চাইলেন : প্রসঙ্গক্রমে সম্প্রতি পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ ও সুশাসনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট’ পুরস্কার অর্জন নিয়ে নিজের গর্বের কথা জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই মা হিসেবে আমি গর্বিত। তার কাছ থেকে ডিজিটাল শব্দটি শেখা। এ সম্পর্কে যা কিছু, সবই তার কাছে শিখেছি। ১৯৯১ সালে আমরা দলীয় কার্যালয়ে প্রথম কম্পিউটার কিনি তারই পরামর্শে। এখন সে তার কাজের একটা স্বীকৃতি পেয়েছে। ’ একমাত্র ছেলের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘সবার কাছে আমি দোয়া চাই। আপনারা সবাই দোয়া করবেন তার জন্য। খুব দুঃসময়ে কিন্তু তার জন্ম। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মতো একটা দুঃসময়ে আল্লাহ যে আমাকে একটা সুস্থ সন্তান দিয়েছেন, এর জন্য আমি শুকরিয়া জানাই। ’

এর আগে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আমার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ সংযোজন করা হয় তারই পরামর্শে। তার সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনীমূলক চিন্তাভাবনার ফলেই বাংলাদেশ এত দ্রুত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ’

লিখিত বক্তব্যে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের নানা তধ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। কানাডার প্রধানামন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জাস্টিন ট্রুডো বাংলাদেশের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী অবস্থানের প্রশংসা করেন। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়। আমি জাস্টিন ট্রুডোকে জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে যথাশীঘ্র দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানাই। আমি তাঁকে জানাই, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেই নূর চৌধুরীর বিচার সম্পন্ন হবে। ’ জাস্টিন ট্রুডো ১৫ আগস্টে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে তিনি সে দেশের কিছু আইনি বাধার কথা উল্লেখ করেন। তবে ন্যায়বিচার নিশ্চিতপূর্বক কিভাবে এই স্পর্শকাতর বিষয়টির সুরাহা করা যায়, এর উপায় খুঁজে বের করার জন্য উভয় দেশের উপযুক্ত প্রতিনিধির মধ্যে বিষয়টি আলোচনা শুরু করার পক্ষে তিনি মত দেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় বক্তব্য উপস্থাপনের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অভিবাসী ও শরণার্থী ইস্যুটিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ করি। এ সময়ে আমি পাবর্ত্য চট্টগ্রামের ৬২ হাজার শরণার্থী, যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেশে ফিরিয়ে আনার উদাহরণটি তুলে ধরি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আমি সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের পরামর্শদাতা, মূল পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী এবং প্রশিক্ষকদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাই। ’

দেশের বাইরে অবস্থান করেও বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ করার কথা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘এবারই আমি একটানা দুই সপ্তাহের বেশি দেশের বাইরে অবস্থান করলাম। কিন্তু দাপ্তরিক কাজের কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। কারণ ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে আমি সেখানে বসেই ৫১টি ফাইলের নিষ্পত্তি করি এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিই। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ফলে বিদেশে বসেও দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার এই সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ’


মন্তব্য