kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দুই কর্মকর্তার দ্বন্দ্বের বলি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

আবুল কাশেম ও মোশতাক আহমদ   

১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



দুই কর্মকর্তার দ্বন্দ্বের বলি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব এবং ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ড. প্রশান্ত কুমার রায় এবং পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মিহির কান্তি মজুমদারের দ্বন্দ্বের কারণে উদ্বোধনের তিন মাস পরও কার্যকর হচ্ছে না পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। ব্যাংক গঠনের আইন অনুযায়ী, গত ৩০ জুন প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে ব্যাংকটি যাত্রা শুরু করার কথা।

কিন্তু এখন প্রকল্পের মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বাড়াতে তৎপর হয়ে উঠেছেন প্রশান্ত কুমার রায়। একই সঙ্গে পিডি যাতে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পান, সে জন্য আইন সংশোধন করতে অর্থ  মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মিহির কান্তি মজুমদার সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, দরিদ্র মানুষকে স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য যে এক হাজার ২৬৪ কোটি টাকার ঘূর্ণায়মান তহবিল ছিল, প্রকল্পের মেয়াদের শেষ দিকে প্রকল্প পরিচালক তা অস্বীকার করে ওই তহবিলকে প্রকল্পের জন্য অনুদান হিসেবে দেখাতে চেষ্টা করছেন। অথচ দেশে অনুদাননির্ভর কোনো সমিতি পরিচালনার নজির নেই। ওই অর্থ অনুদান হিসেবে প্রকল্পে রাখা হলে ব্যাংকটির পক্ষে স্বল্প সুদে গরিব মানুষকে ঋণ দেওয়া সম্ভব হবে না।

এভাবেই পক্ষে-বিপক্ষে সরব রয়েছেন ওই দুই কর্মকর্তা। বিদ্যমান পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন অনুযায়ী একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই। তবে প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন সমবায় সচিব। এখন প্রস্তাবটি পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায়।

ওই আইন অনুযায়ী, প্রকল্পের প্রায় সাত হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী গত জুন থেকে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে স্থানান্তরিত হয়েছেন। ফলে প্রতি মাসে তাঁদের বেতন গুনতে হচ্ছে ব্যাংক থেকে। প্রকল্পের কাজে দক্ষ এসব জনবলের ব্যাংকিং সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। আইন মেনে তাঁদের ব্যাংকে পাঠানো হলেও প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদের জন্য নতুন করে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সমবায় বিভাগ।  

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। তাই ওই দিন পর্যন্ত এ প্রকল্পে যাঁরা কর্মরত ছিলেন, তাঁদের পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে সরাসরি নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ। একই সঙ্গে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ বলেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। প্রকল্পের সব জনবল ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়ার পর প্রকল্প চালানোর জন্য আবার নতুন করে জনবল নিয়োগ দেবে একটি বাড়ি একটি খামার কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটির বর্ধিত মেয়াদ শেষ হলে এসব জনবলও ব্যাংকে নিয়োগ পাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। তাঁরা বলছেন, একটি প্রকল্পে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ দেওয়ায় তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা তেমন যাচাই করা হয় না। অভিজ্ঞ ও দক্ষ জনবল দিয়েও যেখানে বিদ্যমান রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকছে না, সেখানে একটি প্রকল্পের জনবল দিয়ে নতুন একটি ব্যাংক পরিচালনা সম্ভব হবে না।  

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের জনবল পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে নিয়োগ পাওয়ার দাবিতে সম্প্রতি রাজধানীতে মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে। এরপর গত ২২ সেপ্টেম্বর পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. প্রশান্ত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রকল্পের জনবল ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, ‘২০১৬ সালের ৩০ জুন তারিখে কর্মরত একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় নিয়োগ পাওয়া সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তরিত হয়েছে। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন অনুযায়ী তাদেরকে ব্যাংকে স্থায়ীভাবে নিয়োগের ব্যবস্থা করবে। ’  

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩০ জুন একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে এই ব্যাংকের যাত্রা শুরু হলো। সে জন্যই গত ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে একযোগে ব্যাংকটির ১০০টি শাখা উদ্বোধন করেছেন। এখন প্রকল্প সচল রাখার জন্য সরকারের একটি পক্ষ তৎপর হয়ে উঠেছে। অন্য পক্ষ প্রকল্পটি আর চালিয়ে নিতে রাজি নয়। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সমবায় সচিব। প্রকল্প ও ব্যাংক যাতে একসঙ্গে চলতে পারে, সেটি মাথায় রেখে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন সংশোধন করতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। যত দিন ব্যাংক ও প্রকল্প পাশাপাশি চলবে, তত দিন পিডি যাতে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান, সেটি বিবেচনায় নিয়ে আইন সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

সমবায় সচিবের সিদ্ধান্ত হলো, প্রকল্প থেকে ব্যাংকে নিয়োগ পাওয়ার পরও ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কিছুকাল একই সঙ্গে ব্যাংকের কাজও করবেন, আবার প্রকল্পের কাজও করবেন। যেহেতু গত ৩০ জুন পর্যন্ত কর্মরত সবাই ব্যাংকে নিয়োগ পাবেন, তাই ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ চালানোর জন্য পুরনো জনবল থাকছে না। এ প্রকল্পের জন্য তাই আবার নতুন করে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। যত দিন নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া না হবে, তত দিন আগের লোকজন ব্যাংকের কাজের পাশাপাশি প্রকল্পের কাজও করবেন।

এ প্রসঙ্গে গত ২২ সেপ্টেম্বর সমবায় সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ‘প্রকল্পের আওতায় নতুন মাঠ সহকারী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের মাঠ সহকারীগণ মাঠ পর্যায়ে নতুন উপকারভোগী নির্বাচন, গ্রাম সংগঠন তৈরি, ডাটাবেইস তৈরি ইত্যাদি কাজে প্রকল্পকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। এর বিপরীতে প্রকল্প হতে তাদের বেতনের অংশবিশেষ প্রদান করা হবে। প্রকল্পে নতুন মাঠ সহকারী নিয়োগ সম্পন্ন হলে ব্যাংকের মাঠ সহকারীগণ শুধুমাত্র ৩০ জুন ২০১৬ এর পূর্বের গ্রাম সংগঠন নিয়ে কাজ করবে। প্রকল্প তার কাজের সুবিধা বিবেচনা করে উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্পে অনুমোদিত পদে জনবল নিয়োগ করবে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৩০ জুন, ২০২০ এর পর তাদেরকে ব্যাংক আইনের বিধান মতে ব্যাংকে নিয়োগের বিষয়ে বিবেচনা করবে। নবসৃষ্ট ব্যাংকের স্বয়ম্ভরতা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনে প্রকল্প থেকে ব্যাংকে আত্তীকৃত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করবে। ’

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. প্রশান্ত কুমার রায় কালের কণ্ঠকে বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মেয়াদ সম্প্রসারণ করে ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অনুশাসন দিয়েছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আরো ৬০ হাজার ৫১৫টি গ্রাম সংগঠন, তথা আরো ৩৬ লাখ দরিদ্র পরিবার অন্তর্ভুক্ত করে তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে, যা একনেকের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

প্রশান্ত কুমার রায় আরো বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তিন কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে চাচ্ছেন। এ জন্য প্রকল্পটির দ্বিতীয় ধাপের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়িয়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদে পরিচালিত প্রকল্পটির প্রথম ধাপের সব সম্পদ ও টাকা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কাছে যাবে। কিন্তু ব্যাংকটির উন্নয়নে চেয়ারম্যান সময় ব্যয় না করে এখন প্রকল্পের মেয়াদ যাতে না বাড়ে, সে জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

তবে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প সম্প্রসারণের পক্ষে নন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মিহির কান্তি মজুমদার। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প আর চলার কোনো সুযোগ নেই। এই প্রকল্প সম্প্রসারণও করা যাবে না। তবে দ্বিতীয়বার নতুন করে চালু হতে পারে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচন হবে না। কারণ শহরগুলোতে এই প্রকল্প নেই। এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে। ’

এদিকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মিহির কান্তি মজুমদার সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে লেখা এক চিঠিতে অভিযোগ করে বলেছেন, ‘প্রকল্পটির সমিতির সদস্যদের মধ্যে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের জন্য এক হাজার ২৬৪ কোটি টাকার একটি আবর্তক তহবিল ছিল। প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে এসে প্রকল্প পরিচালক ওই তহবিলকে এখন সমিতির জন্য অনুদান হিসেবে উল্লেখ করছেন এবং আরো ৬০ হাজার সমিতিসহ প্রকল্প সংশোধনী প্রস্তাবে তিনি এ তহবিলকে অনুদান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এ তহবিল কখনো অনুদান ছিল না। এরূপ অনুদাননির্ভর কোনো সমিতি পরিচালনার নজির নেই। বরং এরূপ আবর্তক ঋণ তহবিল নির্ভর অনেক কর্মসূচিসহ সমিতি সব সময় ছিল এবং এখনো আছে। এ তহবিলের কস্ট অব ফান্ড নেই বলে স্বল্প সুদে সদস্যদের মধ্যে ঋণ সরবরাহ সম্ভব হয়। এ তহবিলকে সমিতির জন্য অনুদান বলা হলে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পক্ষে স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান সম্ভব হবে না, বিনিয়োগ করা অর্থ ঝুঁকির মধ্যে থাকবে এবং পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক পরিচালনায় প্রতিবছর সরকারি তহবিল থেকে বেতন-ভাতা খাতে মঞ্জুরি দিতে হবে, যা একটি ব্যাংক পরিচালনা ও সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। ’

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে নন। মিহির কান্তি মজুমদারের চিঠির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে তিনি নোট লিখেছেন, ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প শেষ হয়ে গেছে। এর পরিবর্তে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ’

ব্যাংকটির কার্যক্রম চালু করা প্রসঙ্গে মিহির কান্তি মজুমদার জানান, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর ৪৮৫টি শাখা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে শাখার কার্যক্রমের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্য পাওয়ার পর বোর্ড সভা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার সচিব ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, অনেক স্থানে অফিস, টাকা ও পর্যাপ্ত জনবল থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকের সাড়ে সাত হাজারের মতো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতনও দিতে পারছে না পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। গত মাসে কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে গচ্ছিত টাকা থেকে এক মাসের বেতন দেওয়া হয়। এ ছাড়া তিন মাস ধরে নতুন বিনিয়োগ বন্ধ রেখেছে ব্যাংকটি। ব্যাংকের চেয়ারম্যান এখন এটিকে গ্রামীণ ব্যাংকের আদলে গড়তে চান। এ জন্য মাঠপর্যায়ে ব্যাংকের কার্যক্রমে সফলতা আসছে না।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিহির কান্তি মজুমদার বলেছেন, গচ্ছিত অর্থে নয়, ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ খাতে রাখা টাকা থেকে বেতন দেওয়া হয়েছে। আর সরকারের কাছে ১৯৩ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।  


মন্তব্য