kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সৈয়দ হককে শ্রদ্ধা

প্রথমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



প্রথমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। ছবি : বঙ্গভবন

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রয়াত বরেণ্য ব্যক্তিদের প্রতি জাতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠান আয়োজনের রীতি চালু হয় ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর। কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুর পর প্রথম এ আয়োজন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

তখন থেকে কোনো খ্যাতিমান ব্যক্তি মারা গেলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক জোটের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের প্রয়াণের পর আয়োজিত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের এটাই প্রথম অংশগ্রহণ।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘সুফিয়া খালাম্মা মারা যাওয়ার পর আমরা প্রথম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। ১৯৯৯ সাল থেকে এ রীতি চলে আসছে। এ আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। তবে এই প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান অংশ নিলেন। দেশের গুণীজনদের প্রতি রাষ্ট্রের, সরকারের শ্রদ্ধা জানানোর এ প্রবণতাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। ’

গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘একজন লেখক-কবির মৃত্যুতে শেখ হাসিনার জন্মদিনের পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানমালা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বাতিল করায় আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই। দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের এভাবেই সবাই মিলে শ্রদ্ধা জানানো উচিত। ’

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে সৈয়দ হকের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তিনি তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হক, ছেলে দ্বিতীয় সৈয়দ হক ও মেয়ে বিদিতা সাদীর সঙ্গে কথা বলেন। লেখকের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

সৈয়দ শামসুল হকের কফিনে শুরুতেই শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি চলে যাওয়ার পর অনুষ্ঠান সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

 


মন্তব্য