kalerkantho


এমপি রানা কারাগারে

অরণ্য ইমতিয়াজ, টাঙ্গাইল   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এমপি রানা কারাগারে

আদালতে আত্মসমর্পণের পর গতকাল এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে তিনি টাঙ্গাইলের একটি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এ আদেশ দেন। সকাল সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ রানাকে কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যায়। ওই সময় ফারুক হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে আদালতের আশপাশের রাস্তায় মিছিল এবং পরে আদালত চত্বরে সমাবেশ করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের প্রায় দুই শ নেতাকর্মী। এতে নেতৃত্ব দেন নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ। সমাবেশে বক্তারা এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ অন্য আসামিদের ফাঁসির দাবি জানান।

ফারুক হত্যার ঘটনায় নাম আসার পর প্রায় দুই বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন সরকারদলীয় এমপি রানা। হুলিয়া মাথায় নিয়েও পুলিশের সামনে দিয়েই গত ২০ জুন জাতীয় সংসদে গিয়ে হাজিরা খাতায় সই করেন তিনি। অধিবেশনে যোগ না দিয়ে সবার সামনে দিয়ে চলেও যান। এ নিয়ে তখন ব্যাপক সমালোচনা হয়।

টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী খান পরিবারের বড় ভাই আমানুর রহমান খান রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ৪৬টি মামলা হয়েছে। এসবের মধ্যে বিচার ছাড়াই ৪৪টি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। অব্যাহতি না পেলেও একটি মামলা উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে। তবে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যার ঘটনায় রানা ও তাঁর তিন ভাইকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে আদালতে। এই মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। ফলে এই মামলায় তাঁকে বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

জানা যায়, গতকাল সকাল ৯টার আগেই এমপি রানা তাঁর বাবা আতাউর রহমান খানকে সঙ্গে নিয়ে আদালতকক্ষে ঢুকে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে রানার পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। জামিন আবেদনের ওপর শুনানিতে অংশ নেন আব্দুল বাকি মিয়া, ফায়জুর রহমান, খন্দকার ফায়েকুজ্জামান নাজিব, শফিকুল ইসলাম রিপন, মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলসহ কয়েকজন আইনজীবী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ওই আবেদনের বিরোধিতা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মুনিরুল ইসলাম খান। তাঁকে সহায়তা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরসহ আরো কয়েকজন। শুনানি শেষে রানার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক আবুল মনসুর মিয়া। ওই সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ। তিনি ওই মামলার বাদী।

পরে নাহার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার স্বামীকে হত্যার পর আমি কারো নাম উল্লেখ করে মামলা করিনি। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, খান পরিবারের সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই হত্যাকারীদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। ’ তিনি আরো বলেন, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা দেশের জন্য জীবন দিতে গিয়েও বেঁচে গেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করেও তিনি বেঁচে ছিলেন। কিন্তু স্বাধীন দেশে আমার স্বামীকে এই খান পরিবারের খুনিরা বাঁচতে দেয়নি। আমি দেশের সব মানুষের কাছে একজন মুক্তিযোদ্ধা হত্যার বিচার চাই। ’

‘অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে’ : এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর খান মেনু বলেন, এমপি রানা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। যেকোনো বিচার আইনের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, ‘এমপি রানা ও তার ভাইয়েরা এখন দলের কেউ না। তারা অপরাধী। আর অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে। আইনের আশ্রয় যে কেউ নিতে পারে। এমিপ রানাও আইনের আশ্রয় নিয়েছে। ’ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফউজ্জামান স্মৃতি বলেন, ‘যেকোনো রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত। ফারুক আহমেদ হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও দৃষ্টান্তমূলক বিচার আমরা চাই। এমপি রানা আত্মসমর্পণ করায় ভালো হয়েছে। আইনের মাধ্যমেই বিচার নিশ্চিত হবে বলে মনে করি। ’ ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু বলেন, এমপি রানা জেলহাজতে যাওয়ায় ঘাটাইলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ হয়েছে।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইলের কলেজপাড়া এলাকায় তাঁর বাসার সামনে পাওয়া যায়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। এতে আসামি হিসেবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। প্রথমে থানার পুলিশ ও পরে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মামলার তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালের আগস্টে এই মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তার হন। আদালতে দেওয়া তাঁদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওই হত্যাকাণ্ডে এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের জড়িত থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। এরপর রানা ও তাঁর ভাইরা আত্মগোপনে চলে যান। গত ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১৭ মে ওই ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি এবং মালপত্র জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত। ২০ মে পুলিশ রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালপত্র জব্দ করে, তবে সেখানে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। সর্বশেষ ১৬ জুন আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। এমপির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানানো হয় জাতীয় সংসদের স্পিকারকে।

যে কারণে, যেভাবে খুন হন ফারুক : আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন ফারুক আহমেদ। খুব সম্ভাবনাও ছিল তাঁর। অন্যদিকে রানার ছোট ভাই পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিও একই পদ পেতে ইচ্ছা পোষণ করেন। ঘটনার দেড় মাস আগে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাই এবং নাছির উদ্দিন, ছানোয়ার হোসেন ও আলমগীর হোসেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী রানা ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি আনিসুল ইসলাম রাজাকে দায়িত্ব দেন ফারুককে আওয়ামী লীগ অফিস থেকে কলেজপাড়ায় তাঁর এক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ডেকে আনার জন্য। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আওয়ামী লীগ অফিসে যাওয়ার সময় পথেই ফারুকের সঙ্গে দেখা হয় রাজার। রাজা তখন নিজের রিকশা ছেড়ে ফারুকের রিকশায় ওঠেন এবং তাঁকে রানার ওই প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন রানার ছোট ভাই সানিয়াত খান বাপ্পা। তিনি ফারুককে বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়াতে। কিন্তু ফারুক তাতে রাজি হননি। একপর্যায়ে তিনি কক্ষ থেকে বেরিয়ে বাথরুমে যান। বাথরুম থেকে বেরিয়ে ফেরার পথে ফারুককে পিস্তল দিয়ে গুলি করেন এমপি রানার ঘনিষ্ঠ কবির হোসেন। পরে রানা দুই মিনিটের মধ্যে সব পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন। তাঁরই কথামতো ফারুকের মৃতদেহ তাঁর বাসার সামনে ফেলে রেখে আসেন রাজা, মোহাম্মদ আলী, আবদুল হক, সমীর ও কবীর হোসেন।

ফারুক হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের আগস্টে গ্রেপ্তার হওয়া আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। টাঙ্গাইল ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক গোলাম মাহফিজুর রহমান জানিয়েছিলেন, জবানবন্দিতে দুই আসামি ওই ঘটনার বিবরণ দেন।

হুলিয়া মাথায় নিয়ে সংসদে : টানা ৭৩ দিন অনুপস্থিতির পর গত ২০ জুন হুলিয়া মাথায় নিয়ে সংসদে হাজিরা দেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান রানা। তবে দায়িত্বশীল কেউ তখন বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। পুলিশের খাতায় পলাতক হিসেবে থেকেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে দিয়ে রানা সংসদে হাজিরা দিলেও কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো না তা নিয়ে তখন প্রশ্ন ওঠে।

সংবিধান অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য টানা ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়। রানা টানা ৭৩ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি সর্বশেষ গত বছরের ৫ জুলাই সংসদে যোগ দিয়েছিলেন। সংসদ সদস্য পদ রক্ষা করতে সরকারের সবুজ সংকেত নিয়ে তিনি সেদিন সংসদে হাজিরা দিয়েছিলেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেন।

সংসদের কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীরা ওই সময় জানিয়েছিলেন, ২০ জুন সকাল ১১টার পর নিজের গাড়িতে করে সংসদে যান আমানুর রহমান খান রানা। তিনি সোজা সংসদের ৪ নম্বর লবিতে গিয়ে হাজিরা খাতায় সই করেন। এরপর উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বেরিয়ে যান। তবে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে তখন সাংবাদিকদের জানান। এ বিষয়ে সংসদের আইন কর্মকর্তারা তখন জানান, হুলিয়া থাকার কারণে কোনো সংসদ সদস্যকে সংসদে বা অধিবেশন কক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চাইলে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে পারে। আর সংসদ এলাকার বাইরে গ্রেপ্তারের জন্য স্পিকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে হয়তো ওই সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হবেন না এমনটি নিশ্চিত হয়ে সংসদে এসেছিলেন। যে কারণে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা দেখেও দেখেননি।

আওয়ামী রাজনীতিতে রানা ও তাঁর ভাইয়েরা : আমানুর রহমান খান রানা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তাঁর ছোট ভাই সহিদুর রহমান খান মুক্তি ছিলেন টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আরেক ছোট ভাই সানিয়াত খান বাপ্পা ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি। অন্য ভাই জাহিদুর রহমান খান কাকন দলের কোনো পদে না থাকলেও বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এমপি রানাসহ তাঁর ভাইদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয় ‘নির্যাতিত আওয়ামী পরিবারের’ ব্যানারে। এর মধ্যে গত বছরের ১৮ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে খান পরিবারের কাউকে দেখা যায়নি। পরে গত মার্চ মাসের শেষ দিকে নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয় কেন্দ্র থেকে। সেই কমিটিতে খান পরিবারের চার ভাইয়ের কেউ নেই। তবে তাঁদের বাবা আতাউর রহমান খান সদস্য হিসেবে রয়েছেন। টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগেরও নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন সহিদুর রহমান খান মুক্তি। সানিয়াত খান বাপ্পাও বাদ পড়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি পদ থেকে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মতিউর রহমান মারা যাওয়ার পর ২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর সে আসনে উপনির্বাচন হয়। তাতে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হন রানা। তখন আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দলীয় প্রার্থী শহিদুল ইসলাম লেবুর নির্বাচনী শেষ সভায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিম রানাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। পরে তাঁকে আবার দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে রানা আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।


মন্তব্য