kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

অব্যবস্থাপনার কারণেই টঙ্গীতে দুর্ঘটনা

আরো পাঁচ লাশ

এস এম আজাদ ও শরীফ আহমেদ শামীম, টঙ্গী থেকে ফিরে   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



আরো পাঁচ লাশ

অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজ রাজেশ দাশের খোঁজ জানতে গতকালও কারখানার সামনে অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর মা ও খালা। ছবি : শেখ হাসান

গাজীপুরের টঙ্গীতে টাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯। এ ছাড়া গতকাল রবিবার পর্যন্ত ১০ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, ধসে পড়া ভবনের ভেতরে তাঁরা সাত-আটটি দেহাবশেষ দেখেছেন, যেগুলো এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

গতকাল ভোরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কারখানার আরেক শ্রমিক। তাঁর নাম রিপন দাশ (৩৫)। তিনি ছিলেন কারখানার প্রিন্টিং অপারেটর। তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া বিকেলে উদ্ধারকাজ শুরুর পর কারখানার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা সবাই পুরুষ। তবে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার ভোর ৬টার দিকে টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর টাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর ভবন ধসে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়। প্রথম দিন ২৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। আহত হন অর্ধশতাধিক।

ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পর গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে কারখানার ভেতরে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে কারখানা কমপ্লেক্সের চারটি ভবনের তিনটিই পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। পাঁচতলা ভবনটির একেকটি তলা আরেকটির ওপর ধসে পড়েছে।

গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আজ সোমবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজে নামবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানাটিতে পদে পদে ছিল অব্যবস্থাপনা, এর সূত্র ধরে দিন দিন বেড়েছে ঝুঁকির মাত্রা। কিন্তু পরোয়া করেনি কর্তৃপক্ষ। ফয়েল প্যাক তৈরির এ কারখানায় প্রতিটি পর্যায়ে যেসব উপাদান ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হতো সেগুলো ছিল অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ। অথচ এমন একটি কারখানায় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থাই ছিল না। গ্যাস চেম্বার ও বয়লার স্থাপন করা হয়েছিল পরিকল্পনাহীনভাবে। দাহ্য পদার্থ থেকে আগুন লাগলে তা নেভানোর কোনো ব্যবস্থাও ছিল না। অগ্নিকাণ্ডের মহড়াও হয়নি কখনো। অনুমতি ছিল চারতলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের, তা উপক্ষো করে টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীর এ কারখানায় একটি ছয়তলা ও একটি পাঁচতলা ভবন বানানো হয়েছিল।

বয়লার বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড ও ভবনধসের পর মালিক-কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের এসব চিত্র উঠে আসছে। এসব অনিয়ম খতিয়ে দেখার দায়িত্ব ছিল সরকারের পাঁচটি কর্তৃপক্ষের। সেগুলো হলো—বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন), বয়লার বা কলকারখানা পরিদর্শন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু অভিযোগ পাওয়া গেছে, টাম্পাকোসহ টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীতে বিভিন্ন অনিয়ম খতিয়ে দেখেনি তারা। গতকাল রবিবার সরেজমিন অনুসন্ধানকালে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য জানিয়েছে। যারা অনিয়ম দেখার দায়িত্বে ছিল তারা দুর্ঘটনার পর এখন বলছে, সব কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হতাহতের ঘটনায় যদি কারো গাফিলতি থাকে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি যেন সমস্ত শিল্পনগরীতে এ ধরনের তদন্ত করা হয়। দেখা হোক কোথাও কোনো লিকেজ আছে কি না, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট আছে কি না, বয়লার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, মেয়াদোত্তীর্ণ কোনো বয়লার চালু আছে কি না। থাকলে তদন্ত করে সেগুলো বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ’ এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোশরফ হোসেন ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার জন্য দায়ীদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরাও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। ’ পুলিশকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু মালিক নয়, যাদেরই গাফিলতি থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে যান বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ড. মাহবুবুল হোসেন, সুব্রত চৌধুরীসহ কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী। কামাল হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের অবহেলা আছে। যেসব কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির অবহেলা রয়েছে, তাদের শাস্তির জন্য ঈদের ছুটির পর নাগরিক পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা আদালতে যাব। ’ তিনি আরো বলেন, আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা দরকার। সরকারের ঘোষিত সহায়তা পর্যাপ্ত নয়।

গতকাল বিকেলেও থেমে থেমে আগুন জ্বলেছে : সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গতকাল ভোর থেকে পাঁচ তলা ভবনের আগুন কমে যায়। সকাল ১১টার পর ধোঁয়া দেখা গেলেও আগুন আর দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু দুপুর ২টা থেকে তিন তলার কিছু অংশ ও পাঁচ তলার (ধসে না পড়া অংশ) কিছু জায়গায় ছোট ছোট আগুনের শিখা দেখা যায়। গতকাল সকালে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, শনিবার সারা দিন চেষ্টার পর গভীর রাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এরপর গতকাল বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) মোশারফ হুসেইন বলেন, ‘আগুন নির্বাপণ করা গেছে। আমরা ডিফেন্সিভ ওয়েতে কাজ করছি। ফলে আগুন নেভাতে সময় লেগেছে। এখন ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। ’

তবে গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিন তলার ধসে পড়া অংশে আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে। সন্ধ্যা ৬টার পর অবশ্য আর আগুন দেখা যায়নি।

ধংসস্তূপে চার লাশ : গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ধারকাজ শুরু করে প্রশাসন। এ সময় কারখানার পশ্চিম পাশের অংশে ধসে পড়া প্রশাসনিক ভবনের অংশ সরানো হয়। সেখান থেকে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।  

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম বলেন, উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলো পুরুষের। তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। যতক্ষণ পর্যন্ত একটি মৃতদেহ ভেতরে থাকতে পারে বলে সম্ভাবনা থাকবে ততক্ষণ উদ্ধারকাজ চলবে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, গতকাল ভোরে রিপন দাশ নামের এক যুবক মারা যান। তাঁর বাড়ি টাঙ্গাইলে।

ঝুঁকি পরোয়া করেনি কর্তৃপক্ষ : সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৬৭ সালে টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীতে ৪০ হাজার বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ নেন টাম্পাকোর মালিক সৈয়দ মকবুল হোসেন ওরফে লেচু মিয়া। ওই সময় কারখানাটি ক্ষুদ্র শিল্প হিসেবে অনুমোদন নেয়। পরে সেটি মাঝারি শিল্পের অনুমোদন নিলেও আকার ধারণ করেছিল ভারী শিল্পের। কারখানার ভেতরে চারটি বড় বয়লার মেশিন স্থাপন করা ছিল।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কারখানাটির কয়েকজন কর্মী জানান, কমপ্লেক্সের মধ্যে চারটি ভবন ছিল। সেখানকার তিনতলা প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় একটি বয়লার ছিল, যেটি শনিবার বিস্ফোরিত হয়। প্রশাসনিক ভবনের বয়লারের পাশে গার্ডরুম ও গ্যাসরুম ছিল। ওই গ্যাসরুম থেকে গ্যাস বের হচ্ছিল। সেখানে কিছু গ্যাস সিলিন্ডারও রাখা ছিল। দুর্ঘটনার প্রথম ভাগেই প্রশাসনিক ভবনটির অনেকটা অংশ ছিটকে গিয়ে পাশের রাস্তার ওপর পড়েছে। প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ পাশে আরেকটি তিনতলা ভবন ছিল, যেটি আগুনে ধসে পড়েছে। এ ভবনের নিচে ছিল রাসায়নিক গুদাম। সেখানে গত শুক্রবার রাতেও ৩৫ ব্যারেল রাসায়নিক দ্রব্য রাখা হয়। গুদামের পাশে ছিল পাঁচতলা ভবন, যেটি টিন দিয়ে ওপরে ছয়তলা বানানো হয়েছিল। ওই ভবনে শনিবার দুপুরে আগুন লাগে। সন্ধ্যা নাগাদ সেটিও ধসে পড়ে। ওই দিন বিকেলে একেবারে দক্ষিণ পাশে থাকা পাঁচতলা ভবনটিতে আগুন লাগে। সেই আগুন গতকালও দেখা যায়। প্রতিটি ভবনেই প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক, রাসায়নিক ও রং ছিল। মেশিনপত্র ও বিশেষ কাগজও ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, কারাখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলা ছিল, এটা স্পষ্ট। কেমিক্যাল ও রং—এগুলো অতিমাত্রার দাহ্য পদার্থ। এগুলো মজুদ করে কাজ করার আগে অবশ্যই নিজেদের সেফটি দেখতে হয়। এখানে কারখানার ফায়ার ফাইটিং বলে কিছু ছিল না। কেমিক্যালের আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অনেকটা অসহায় ছিলেন। কারণ সেখানে পানি ছিটিয়ে কিছু করার নেই।

সূত্র জানায়, এ ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করে কাজ করতে হলে ফায়ার সার্ভিসের শর্ত পূরণ করতে হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের গাজীপুরের উপসহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি আমার ভালোভাবে জানা নেই। ’ নজরুল ইসলাম নামের একজন পরিদর্শকের কারখানাটি পরিদর্শন করার কথা। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।  

সূত্র মতে, চার তলা পর্যন্ত অনুমোদন নিয়ে পাঁচ ও ছয় তলাবিশিষ্ট দুটি ভবন নির্মাণ করেছেন টাম্পাকোর মালিক। মাঝারি শিল্প বলা হলেও টাম্পাকো ছিল ফয়েলস তৈরিতে দেশের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গাজীপুর জেলার বিসিক শিল্পনগরী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চার তলা পর্যন্ত অনুমোদন আছে বলে আমি জানি। এরপর আর অনুমোদন হয়েছে কি না দেখতে হবে। ’ গতকাল বিসিকের চেয়ারম্যান হযরত আলীও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ভবন ও রাসায়নিক ব্যাপারের ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ হচ্ছিল কি না জানতে চাইলে গাজীপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোনিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।

গত শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বয়লার পরিদর্শক শরাফত আলী বলেন, কোনো বয়লার বিস্ফোরিত হয়নি। একই সঙ্গে তিনি ওই কারখানায় দুটি বয়লার থাকার তথ্য দেন। কারখানার কর্মীরা বলছেন চারটি বয়লার ছিল। আগুনের মধ্যে তিনি বিস্ফোরণ না হওয়ার বিষয়টি কিভাবে দেখলেন—এমন প্রশ্ন করা হলে কোনো জবাব দেননি শরাফত।

কারখানা মালিক সৈয়দ মকবুল হোসেন বলেন, ‘একসময় আমার এখানে ছিল ক্ষুদ্র শিল্প। দিন দিন আকার বড় হয়েছে। তবে সব বিভাগের যথাযথ অনুমোদন নিয়েই সব কিছু করা হয়েছে। সব কিছু হয়েছে নিয়মমাফিক। তার পরও কিভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, তা আমিও বুঝতে পারছি না। ’     

মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে : টাম্পাকো ভবনে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই মালিকপক্ষের অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার ইঙ্গিত দেন। তবে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্ঘটনার বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, হতাহতদের তথ্য সংগ্রহ এবং উদ্ধার তৎপরতার পর মামলা করা হবে। টঙ্গী থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, এমন ঘটনায় এক বা একাধিক মামলা হতে পারে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।


মন্তব্য