kalerkantho


মন্ত্রিত্ব থাকা না থাকা নৈতিকতার ওপর

আইনে-সংবিধানে নেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে

এম বদি-উজ-জামান ও আশরাফুল হক রাজীব   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মন্ত্রিত্ব থাকা না থাকা নৈতিকতার ওপর

আদালত অবমাননার দায়ে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপির সাজা হয়েছে। আদালত বলেছেন, তাঁরা সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। এ অবস্থায় তাঁদের বিরুদ্ধে শপথ ভঙ্গের অভিযোগ প্রকারান্তরে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে তাঁদের মন্ত্রিত্ব থাকবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা বলছেন, আদালত অবমাননার দায়ে কোনো মন্ত্রীর অর্থদণ্ড হলে মন্ত্রিত্ব যাবে—এমন কিছু বলা নেই সংবিধান ও আইনে। এ কারণে তাঁদের মন্ত্রিত্ব যাবে না। তবে এর সঙ্গে নৈতিকতার প্রশ্ন জড়িত। সাংবিধানিক পদে থেকে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁদের সেই পদে থাকা উচিত কি না সেটা তাঁদের নিজেদের ভাবা দরকার। তবে তাঁদের মন্ত্রী পদে রাখা হবে কি না সে বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর।

এদিকে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের কাছে মন্ত্রিসভা বৈঠকের ফোল্ডার পাঠানো হয়েছে। তাঁরা আজ সোমবার পূর্বনির্ধারিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

দুই মন্ত্রীর মন্ত্রিত্ব থাকবে কি না সে বিষয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রবিবার। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কোনো কোনো আইনজীবী বলছেন, আদালত অবমাননার দায়ে দোষী প্রমাণিত হলেও মন্ত্রী পদে থাকতে কোনো বাধা নেই। সংবিধানের ৫৮ ও ৬৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত যে যে কারণে মন্ত্রিত্ব যেতে পারে তার কোনো বিধান লঙ্ঘন হয়নি। মন্ত্রিত্ব যেতে হলে কোনো মামলায় দুই বছরের সাজা হতে হবে কিংবা নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ প্রমাণিত হতে হবে। এর কোনোটিই দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়নি।

তবে কয়েকজন আইনজীবী বলছেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সাজা হওয়ার পর মন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত থাকার সঙ্গে নৈতিকতার প্রশ্ন জড়িত। পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন দুই মন্ত্রী। তাঁরা বলছেন, দেশের কোনো ব্যক্তিকে মন্ত্রী হতে হলে সংবিধানের অধীনে শপথ নিতে হয়। শপথ পাঠ ছাড়া কেউ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এ বিষয়ে সংবিধানের ১৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘এই সংবিধানের অধীন যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির পক্ষে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথগ্রহণ আবশ্যক, সেই ক্ষেত্রে শপথগ্রহণের অব্যবহিত পর তিনি কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। ’ আইনজীবীরা বলছেন, শপথগ্রহণের বিষয়ে সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের ১৪৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘...আমি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করিব,...’। অর্থাৎ একজন মন্ত্রী শপথ করেছেন সংবিধান রক্ষার। তিনি যদি সংবিধান লঙ্ঘন করেন তবে তাঁর শপথ থাকে না। আর শপথ না থাকলে মন্ত্রিতও্ব থাকে না।

ড. কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে সাংবিধানিক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নজির ইংল্যান্ড, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। তবে আমাদের এ দুই মন্ত্রী কী করবেন সেটা দেখার বিষয়। ’

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সংবিধানেও এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা আছে বলে তাঁর জানা নেই। তবে এটা নৈতিকতার সঙ্গে জড়িত। তাঁরা মন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারবেন কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, ‘আদালত অবমাননার দায়ে এর আগে এরশাদ সরকারের আমলে হাবিবুল্লাহ খান নামের একজন মন্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। এরপর এই দুজনকে দোষী করা হলো। ’ তিনি আরো বলেন, আদালত তাঁর রায়ে বলেছেন, এই দুই মন্ত্রী চরমভাবে আদালত অবমাননা করেছেন। তাঁদের অপরাধের গুরুত্ব এত বেশি যে আদালত বলেছেন তাঁদের ক্ষমা করা যাবে না।

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, কখন মন্ত্রিত্ব বা সংসদ সদস্য পদ কিভাবে চলে যাবে তা সংবিধানের ৫৮ ও ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে। সংবিধানে বর্ণিত কোনো অপরাধ হিসেবে আদালত অবমাননার অভিযোগ পড়ে না। এ কারণে আদালত অবমাননার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তাঁদের মন্ত্রিত্ব যাবে না। এ ছাড়া দেশের অন্য কোনো আইন নেই যে আদালত অবমাননার অভিযোগ প্রমাণিত হলে মন্ত্রিত্ব যাবে। তিনি বলেন, ওই দুই মন্ত্রীর মন্ত্রিত্ব থাকা না থাকার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে। তিনি বলেন, ‘দুই মন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন কি না, এর সঙ্গে নৈতিকতার প্রশ্ন জড়িত। নৈতিকতার বিষয়টি ভিন্ন, সংবিধানে নৈতিকতার বিষয়টি বলা হয়েছে সংসদ সদস্য পদের জন্য। কারণ সংবিধানে বলা হয়েছে, ফৌজদারি অপরাধে নৈতিকতাজনিত কারণে দুই বছর সাজাপ্রাপ্ত হয়, তাহলে তাঁদের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে না। আমি মনে করি, দুই মন্ত্রী যে সাজা পেয়েছেন, এতে তাঁদের মন্ত্রিত্ব যাবে না। ’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘শপথ ভঙ্গের অপরাধে সর্বোচ্চ আদালত দোষী সাব্যস্ত করে দুই মন্ত্রীকে সাজা দিয়েছেন। নৈতিকতার বিষয় থাকায় তাঁদের অবিলম্বের মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত। যদি তাঁরা পদত্যাগ না করেন তবে প্রধানমন্ত্রীর উচিত তাঁদের মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে নেওয়া। ’ তিনি বলেন, দুইজন মন্ত্রী যে ভাষায় প্রধান বিচারপতি ও আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়ে জঘন্য মন্তব্য করেছেন, এরপর তাঁরা গাড়িতে জাতীয় পতাকা নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন—এটি দেশের জন্য লজ্জাজনক ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি সংবিধানের ১৪৮(৩) অনুচ্ছেদ এবং তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত ১৪৮ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলেন, একজন মন্ত্রী শপথ করেছেন সংবিধান রক্ষার। তিনি যদি সংবিধান লঙ্ঘন করেন তবে তাঁর শপথ থাকে না। আর শপথ না থাকলে মন্ত্রিত্ব থাকে না।

অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার বলেন, ‘তাঁদের মন্ত্রিত্বের শপথ ভঙ্গ হয়েছে কি না সেটি আদালত এখনো স্পষ্ট করেননি। পূর্ণাঙ্গ রায় বের হওয়ার আগে এ ব্যাপারে মন্তব্য করা যাচ্ছে না। ’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বলেন, আদালত তাঁদের সাজা দিয়েছেন। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ রায়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ড. শাহদীন মালিক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন দুই মন্ত্রী। দেশের মানুষ জেনে গেছে, তাঁঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁদের শিগগিরই পদত্যাগ করা উচিত। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগেই তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত। ’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘দুই মন্ত্রীকে লঘু দণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের শাস্তি আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানিকে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাতে তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ চলে যায়। আমরা মনে করি, আপিল বিভাগ দুই মন্ত্রীকে যে সাজা দিয়েছেন এ জন্য তাঁদের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করা উচিত। ’

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম গতকাল আদালত থেকে ফিরে ১১টায় মন্ত্রণালয়ে তাঁর দপ্তরে প্রবেশ করেন। তিনি মন্ত্রণালয় থেকে বেরিয়ে যান দুপুর ১টায়। বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা নানা বিষয়ে প্রশ্ন করলেও মন্ত্রী কোনো কিছুরই জবাব দেননি।

খাদ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর একান্ত সচিব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, মন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকের ফোল্ডার পেয়েছেন। মন্ত্রিসভা বৈঠকে যোগ না দেওয়ার কোনো কারণ নেই।

আদালত থেকে ফিরে আর মন্ত্রণালয়ে যাননি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তবে তাঁর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকের ফোল্ডার পেয়েছেন। তিনিও আজ মন্ত্রিসভা বৈঠকে যোগ দেবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ওই মন্ত্রীদের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় মন্ত্রীরা থাকবেন কি না তা নির্ভর করছে আদালতের ওপর। আদালত যদি বলেন তাঁরা অপরাধ করেছেন, তাঁদের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হোক, তাহলে সরকারপ্রধান তাঁদের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন। আর আদালত কোনো কিছু না বললে তা প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে। প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন তাঁদের বাদ দেওয়া উচিত তাহলে বাদ দেবেন। আর যদি মনে করেন, তাঁদের বাদ দেওয়া হবে না, তাহলে সেটাই ঠিক। এ ব্যাপারে সংবিধানে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে। ’ পূর্ণাঙ্গ রায়েই সব কিছু খোলাসা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মন্ত্রিসভা বৈঠকের এজেন্ডায় যা আছে : এদিকে মন্ত্রীদের কাছে পাঠানো ফোল্ডার থেকে জানা গেছে, আজকের বৈঠকের এজেন্ডায় রয়েছে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬’। সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে আইনটি প্রণয়নের জন্য তাঁরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে বারবার তাগাদা দিয়েও আইনটির খসড়া মন্ত্রিসভায় পাঠানো সম্ভব হয়নি। আইনটি আন্তর্জাতিক বিমান চালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। গত পাঁচ বছর আইনটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো না হলেও এখন তাড়াহুড়া লেগেছে। কারণ এই আইন প্রণয়নের জন্য আইকাও বা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা তাগাদা দিচ্ছে। এ ছাড়া সম্প্রতি যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কার্গো পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে। এ অবস্থায় চলতি মাসেই আইনটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। ওই দিন নীতিগত অনুমোদনের পর আজ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।

আজকের মন্ত্রিসভা বৈঠকের এজেন্ডায় বাংলাদেশ রেলওয়ে কনটেইনার পরিবহন সার্ভিস সংক্রান্ত একটি খসড়া আইন রয়েছে। রেলের সবচেয়ে লাভজনক খাত পণ্য পরিবহন, আর এটাতেই সবচেয়ে কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যাত্রী পরিবহনে প্রতি কিলোমিটারে লোকসান প্রায় এক টাকা। কিন্তু পণ্য পরিবহনে লোকসান নেই, বরং লাভ। আমদানি-রপ্তানির কাজে নিয়োজিত কনটেইনারের মাত্র ৫ শতাংশ রেলপথে পরিবহন করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কম্পানি আইনের আওতায় আলাদা কনটেইনার করপোরেশন গঠনের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সূত্র জানায়, লোকসানের লাগাম টানতে ২০১২ সালের ১ অক্টোব ট্রেনে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বাবদ ভাড়া ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়। এর পরও লোকসান কমানো যায়নি। গত সাত বছরে পণ্য পরিবহন প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। ইঞ্জিন ও বগির স্বল্পতা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারা এবং আরো কিছু কারণে এ হাল হয়েছে।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে জেলা পরিষদ সংশোধন আইন অবহিতকরণের এজেন্ডাও রয়েছে।


মন্তব্য