kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ । ৪ মাঘ ১৪২৩। ১৮ রবিউস সানি ১৪৩৮।


হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিচার শুরু

ঋণ কেলেঙ্কারির পরিপ্রেক্ষিতে দায়ের করা ৯টি মামলায় হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আগামী ২১ এপ্রিল সাক্ষ্যের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার এসব মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. কামরুল ইসলাম মোল্লা আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করেন। সব মামলা বিচারের জন্য ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।

দুদকের বিশেষ পিপি মীর আহমেদ আলী সালাম বলেন, মামলাগুলোর আসামি হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ উচ্চ আদালতে রিট করেছিলেন। গত ১৬ মার্চ রিট খারিজ হয়ে যায়। আজ শুনানির পর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট অন্য দুই মামলায় হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম ও এমডি তানভীর মাহমুদসহ এই ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

গতকাল আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারায় ও দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০ ও ১১৯ ধারায় গঠিত অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে তাঁরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তাঁদের পক্ষে অব্যাহতির আবেদন করেন ব্যারিস্টার ফকরুল ইসলাম।

জামিনে থাকা আসামি হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম ও সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি আতিকুর রহমান (বর্তমানে ওএসডি) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। হলমার্ক গ্রুপের এমডি তানভীর মাহমুদ, সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মীর মহিদুর রহমান (সাময়িক বরখাস্ত), দুই উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন (সাময়িক বরখাস্ত) ও মো. সফিজউদ্দিন আহমেদকে (সাময়িক বরখাস্ত) কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

আসামিদের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের হোটেল রূপসী বাংলা শাখার ব্যবস্থাপক এ কে এম আজিজুর রহমান কারাগারে হৃদযন্ত্রের বিকলতাজনিত কারণে মারা গেছেন। অন্যরা পলাতক।

২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর হলমার্ক গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারিসংক্রান্ত ১১টি মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সোনালী ব্যাংকের হোটেল রূপসী বাংলা শাখা থেকে তিন হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে হলমার্কের বিরুদ্ধে মোট ৩৮টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসবের মধ্যে ১১টি মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার ও অর্থের অপব্যবহার এবং অর্থপাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়।


মন্তব্য