kalerkantho


বিএনপির কাউন্সিলে ভিশন ২০৩০ ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য দুই কক্ষের সংসদ করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য দুই কক্ষের সংসদ করা হবে

ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে দেশ পরিচালনার জন্য নতুন একটি রূপরেখা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের উদ্বোধনী বক্তব্যে খালেদা জিয়া বলেছেন, আবার সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ করা হবে। তিনি বলেন, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে বিএনপি নতুন ধারার রাজনীতি ও সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। আর এ জন্য নতুন এক সামাজিক সমঝোতা বা চুক্তিতে উপনীত হতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রায় এক ঘণ্টার বক্তব্যে বিএনপি নেত্রী সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘ভিশন ২০৩০’ নামের একটি কর্মপরিকল্পনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এর আলোকেই আগামীতে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি হবে। সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা হবে।

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া আবারও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘আগামীতে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে অহেতুক কাউকে হেনস্তার শিকার হতে হবে না। আমরা করো প্রতি অবিচার করব না। ’

গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল উদ্বোধন করেন খালেদা জিয়া। এ সময় দলীয় পতাকা তোলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিকেলে রুদ্ধদ্বার অধিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় কাউন্সিল।

এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি চেয়ারপারসন পদে খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে তারেক রহমানের নির্বাচিত হওয়াকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে দলের কাউন্সিল অধিবেশনে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি মহাসচিবসহ দলের পূর্ণাঙ্গ সব কমিটি গঠনের দায়িত্ব গত রাতে খালেদা জিয়ার হাতে দিয়েছেন উপস্থিত কাউন্সিলররা। রুদ্ধদ্বার অধিবেশনে তাঁরা হাত তুলে এ ব্যাপারে সম্মতির কথা জানান।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে এ কাউন্সিল অধিবেশন রাত ৯টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছিল।   অধিবেশনের শুরুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। এতে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, আওয়ামী লীগের প্রথম মেয়াদের অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া, আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল, মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়া সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য শোক জানানো হয়।

এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় সাদা নিশান গাড়িতে চড়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন খালেদা জিয়া। মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে নেতাকর্মী তাঁকে অভিবাদন জানায় এবং তিনি মঞ্চে আসন নেন। মঞ্চের পেছনে  তাঁর পাশাপাশি ছিল জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানের ছবি। মঞ্চের বাঁ দিকে গুম, হত্যাকাণ্ডের শিকার নেতাদের ছবিসংবলিত ‘হিরোজ নেভার ডাই’ শিরোনামে টানানো হয় বিশাল ডিজিটাল ব্যানার। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের বাঁ দিকে স্থাপন করা হয় ৪২ ইঞ্চি টেলিভিশন; যার মাধ্যমে প্রচারিত হয় লন্ডনে বসবাসরত দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রেকর্ডকৃত বক্তৃতা।

১৯৮৯ সালের মার্চে এই ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনেই বিএনপির তৃতীয় কাউন্সিল হয়েছিল।  

গতকালের কাউন্সিলে খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর একক নির্বাহী ক্ষমতা সংসদীয় সরকারের আবরণে একটি স্বৈরাচারী একনায়কতান্ত্রিক শাসনের জন্ম দিয়েছে। এই অবস্থার অবসানকল্পে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা হবে। ’ তিনি আরো বলেন, তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হবে এবং মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার। এ জন্য বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার দুই অঙ্কে উন্নীত করতে সৃজনশীল ও বুদ্ধিদীপ্ত উদ্যোগ নেবে বিএনপি।

খালেদা জিয়া তাঁর পরিকল্পনায় নির্বাচনী ইশতেহারের মতো কিভাবে দেশ পরিচালনা করবেন, ক্ষমতায় গেলে কী কী করবেন, কোন কোন খাতে সংস্কার আনবেন, তার একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বলেছেন, খসড়া পর্যায়ে থাকা ওই কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হলে জনগণের সামনে তা তুলে ধরা হবে।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, ‘শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবুর রহমানসহ মরহুম জাতীয় নেতাদের অবদানের কথা স্মরণ করছি। তাঁরা দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করেছিলেন। ’ এ ছাড়া প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতসহ যেসব বন্ধুপ্রতিম দেশ ও জনগণ স্বাধীনতাযুদ্ধে সহযোগিতা করেছে তাদেরও ধন্যবাদ জানান খালেদা।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সৃজনশীল, ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী এক নতুন ধারার সরকার ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি। তিনি বলেন, ‘আমরা কি কেবলই ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করব? আমরা কি কেবল এক পক্ষ আরেক পক্ষকে হেনস্তা ও ধ্বংস করে দিতে চাইব? রাজনীতি তো দেশের জন্য, মানুষের জন্য। সেই দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে মানুষের ওপর জবরদস্তির শাসন চালিয়ে লাভ কী? এই দূষিত রাজনীতির চক্র থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় খালেদা জিয়া ‘থ্রিজি’ বা ‘তিন সু’ অর্থাৎ গুড পলিসি, গুড গভর্নেন্স এবং গুড গভর্মেন্ট দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। বলেন, ‘সুনীতি, সুশাসন এবং সুসরকার—এই তিন সু আমরা দিতে চাই। ’ এ ছাড়া জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আবারও রেফারেন্ডাম বা গণভোট পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির সঙ্গে আপস না করার অঙ্গীকার করেন তিনি। বলেন, দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি আইন ও পদ্ধতিগত সংস্কার এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি দুর্নীতি করবেও না, কাউকে করতে দেবেও না। তিনি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় নিয়োগপদ্ধতি সংস্কার করে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সন্ত্রাস দমনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমরা একযোগে কাজ করা হবে। ’

এ প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করে খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপি বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মধ্যে কোনো রকম সন্ত্রাসবাদী তত্পরতাকে বরদাশত করবে না। বাংলাদেশের মাটি থেকে অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তত্পরতাও মেনে নেবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তাঁদের মর্যাদা ও স্বার্থরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ হবে জাতীয় ঐক্য ও প্রেরণার উৎস।

কর্মপরিকল্পনায় খালেদা জিয়া এক দশকের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করা, মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরো যুগোপযোগী করা, শিক্ষা সম্প্রসারণে পৃথক টিভি চ্যানেল চালু করাসহ আরো অনেক অঙ্গীকারের কথা বলেন।   

সরকারকে আবারও আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, প্রায় সবাই একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল, গণতান্ত্রিক সরকার চায়। এ জন্য যত দ্রুত সম্ভব একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন প্রয়োজন।

বক্তৃতার এক পর্যায়ে নিজের দুই ছেলের কথা উল্লেখ করে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি পরিবারের সদস্যদের থেকে বিছিন্ন। আমার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো বিদেশ বিভুঁইয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেছে। দীর্ঘ সাত বছর পর সে আমার কাছে লাশ হয়ে ফিরেছে। আমার বড় ছেলে তারেক রহমানকে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। চরম নির্যাতনে পঙ্গু হয়ে এখনো দূরদেশে সে চিকিৎসাধীন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক এসব দুঃখ-বেদনাকে বুকে চেপে আমি এ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের কল্যাণে সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই কঠিন সংগ্রামে আল্লাহর রহমত এবং আপনাদের সহযোগিতাই আমার পাথেয়। ’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির জন্য এটা কঠিন সময় হলেও অতীতের মতোই বিএনপি আবারও জেগে উঠেছে। গ্রিক উপকথার সেই ফিনিক্স পাখির মতো ভস্মস্তূপ থেকেই বারবার আপন শক্তিতে বলীয়ান হয়ে নতুন উদ্যমে জেগে ওঠে বিএনপি। ’

বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে খালেদা জিয়া দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন পরিবর্তন আনতে হবে যাতে সব পক্ষ নিজ নিজ সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখে অবাধে দায়িত্ব পালন করতে পারি। তা না হলে গণতন্ত্রকে কার্যকর ও বিকশিত করা সম্ভব নয়। ’ এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশে একটি নির্বাচন বা সংলাপ চাইছি না। ’ সুস্পষ্ট  করে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হলো দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, জনগণের সম্মতিতে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করা। জনগণ যে ভোটের অধিকার হারিয়েছে তা ফিরিয়ে আনা। কারা দেশ পরিচালনা করবে তা নির্ধারণের অধিকার জনগণকে দেওয়া। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ’

দেশের জনগণকে ‘মালিক’ উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, তাদের ওপর আস্থা রেখে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো আজ সময়ের দাবি।

সারা দেশ থেকে আসা কাউন্সিলর, ডেলিগেট ছাড়াও বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের স্বতন্ত্র এমপি সায়মন ডেনচুক, সে দেশের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) আন্তর্জাতিক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ও সাবেক ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ফিল বেনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা বারবারা মুর ও শিকাগো সিটির কাউন্সিলর অলডারম্যান জো মুর শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন। এ ছাড়া ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বৈদেশিক সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বিজয় জলি এক ভিডিও বার্তায় বিএনপির কাউন্সিলের সাফল্য কামনা করেন। বড় পর্দায় এই ভিডিও বার্তা দেখানো হয়।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব ও বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ২০ দলীয় জোটের পক্ষে এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ। কাউন্সিলে জামায়াতসহ বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, অধ্যাপক মাহবুবুল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী প্রমুখ। তবে আমন্ত্রণ জানানো হলেও আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিনিধি বিএনপির কাউন্সিলে আসেননি।

কাউন্সিলকে ঘিরে গতকাল ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সংলগ্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শাহবাগ থেকে মত্স্য ভবন পর্যন্ত হয়ে যায় লোকে লোকারণ্য। পুরো সড়কই জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিসংবলিত পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে যায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও হাজার হাজার নেতাকর্মী ও ডেলিগেট দিনভর উপস্থিত থেকে কাউন্সিল উপভোগ করেন।


মন্তব্য