kalerkantho


স্থায়ী কমিটি নিয়ে বিপাকে খালেদা

♦ বাতিল হলো তারেকের ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাব
♦ ঝুঁকির মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদ

এনাম আবেদীন   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



স্থায়ী কমিটি নিয়ে বিপাকে খালেদা

বিএনপির কাউন্সিল উপলক্ষে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় এখন সারা দেশের নেতা কর্মীর ভিড়ে সরগরম। ছবি : কালের কণ্ঠ

আজকের কাউন্সিলের পর স্থায়ী কমিটিতে পাঁচটি শূন্যপদ পূরণ করতে হবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি পদ নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন তিনি। কারণ আগ্রহী এবং প্রভাবশালী প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। আর স্থায়ী কমিটির বৃহস্পতিবারের বৈঠকে গঠনতন্ত্র সংশোধন প্রস্তাব নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনায় বাতিল হয়ে গেছে দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্ষমতা বাড়ানোর একাধিক প্রস্তাব। এ ছাড়া সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পদ আপাতত রাখা হলেও ওই পদ ‘ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ওই পদের বিপরীতে প্রভাবশালী দুই প্রার্থী হলেন যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। ফলে সমন্বয় করতে না পারলে শেষ পর্যন্ত ওই পদ বাতিল হতে পারে। বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দলের যেকোনো কমিটি বা পদ বাতিল করতে পারেন।

কাউন্সিলের আগে বৃহস্পতিবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গঠনতন্ত্র সংশোধনীর বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এতে স্থায়ী কমিটির পদ না বাড়িয়ে ১৯ এবং যুগ্ম মহাসচিবের পদ সাতটিতেই সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ভাইস চেয়ারম্যান ১৭ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ জন আর উপদেষ্টার সংখ্যা নির্দিষ্ট না করে বলা হয়; ভাইস চেয়ারম্যানের পদমর্যাদায় চেয়ারপারসনের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে।

অর্থাৎ যতজনকে খুশি উপদেষ্টা করতে পারবেন চেয়ারপারসন। আগে এ সংখ্যা ছিল ১৫। তবে সংশোধিত গঠনতন্ত্রে উল্লেখ থাকবে, উপদেষ্টারা নির্বাহী কমিটির নয়, জাতীয় কাউন্সিলের সদস্য হবেন। অর্থাৎ জাতীয় কাউন্সিলে তাঁদের ভোটাধিকার থাকবে। নির্বাহী কমিটির বৈঠকে তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। তবে শেষ পর্যন্ত গঠনতন্ত্রে উল্লেখ করা পদসংখ্যা দিয়ে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত বা সমন্বয় করা যাবে কি না এ নিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরাই আছেন সংশয়ে। সর্বশেষ কাউন্সিলের পর সংশোধিত গঠনতন্ত্রে নির্বাহী কমিটির সদস্যসংখ্যা ৩৮৬।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদও নির্দিষ্ট করা হয়নি, অর্থাৎ প্রত্যেক বিভাগে একজন করে সাংগঠনিক সম্পাদক থাকবেন। এ ছাড়া, ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদকসহ নতুন বেশকিছু সম্পাদকীয় পদ এবং একাধিক সহসম্পাদক পদসহ মোট ৬১টি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে সংশোধিত গঠনতন্ত্রে।

স্থায়ী কমিটির শূন্য পদ পূরণ নিয়ে বিপাকে খালেদা : ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও ড. আর এ গণির মৃত্যুর ফলে দুটি এবং সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় শূন্য হয়েছে মোট তিনটি পদ। এ ছাড়া বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়ায় বাদ দেওয়া হবে এম শামসুল ইসলাম ও সারোয়ারী রহমানকে। যদিও সারোয়ারী রহমানকে বাদ নাও দেওয়া হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। তবে তিনি না থাকলে ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের ওই পদ পাওয়া এক রকম নিশ্চিত। এ ছাড়া বাকি চারটির মধ্যে একটি নির্ধারিত হয়ে আছে দলের পূর্ণ মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্য। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির সভায় উপস্থিত সব নেতার সামনেই ফখরুলের প্রতি ইঙ্গিত করে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, একটিতে মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল অন্তর্ভুক্ত হবেন। কিন্তু সমস্যা হলো অন্য তিনটি পদে কী করে সমন্বয় হবে? পরে অবশ্য তিনি বলেন, দেখা যাক কী হয়। তবে ওই পদগুলোতে কাকে নেওয়া হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়নি স্থায়ী কমিটিতে। যদিও ব্যক্তিগত পর্যায়ের আলাপে দু-একজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করেছেন খালেদা জিয়া।

জানা যায়, তিন পদের বিপরীতে আলোচনায় প্রথম দিকে আছেন দলের দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ও সাদেক হোসেন খোকা এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর মধ্যে বৈদেশিক সম্পর্ক রক্ষা বিষয়ে দলের জন্য কিছু কাজ করে খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিতি লাভ করেছেন আমির খসরু। অনেকের তুলনায় দলে তিনি সামর্থ্যবান; পাশাপাশি সজ্জন বলেও পরিচিত। আবদুল্লাহ আল নোমানকে আগাগোড়া ‘রাজনৈতিক’ ব্যক্তিত্ব বলে মনে করা হয়। দলে তিনি সিনিয়রও। তা ছাড়া যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে এরই মধ্যে নিচের সারির দুই নেতা মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। ফলে এবার তাঁকে না করা হলে বিষয়টি কী দাঁড়াতে পারে তা নিয়ে খোদ চেয়ারপারসন পর্যন্ত চিন্তিত বলে জানা যায়। দু-একজন নেতার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তিনি কথাও বলেছেন। কিন্তু সমস্যা হলো, খসরু এবং নোমান দুজনই চট্টগ্রামের। একই অঞ্চলের দুই নেতাকে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রায় অসম্ভব বলেই সবাই মনে করেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাদেক হোসেন খোকার আলাদা একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সুশীল সমাজেও তিনি গ্রহণযোগ্য। তা ছাড়া ঢাকার প্রভাবশালী আরেক নেতা মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তিনি ওই পদের অন্যতম দাবিদার। দলের ডানপন্থীদের বিপরীতে ভারসাম্য রক্ষার জন্যও খোকার প্রয়োজন রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

সূত্রমতে, এই তিনজনের বাইরে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. ওসমান ফারুক ও আবদুল আউয়াল মিন্টুর নামও আলোচনায় আছে। এই দুই নেতা বৈদেশিক সম্পর্ক রক্ষায় অবদান রেখে খালেদা জিয়ার আস্থা লাভ করেছেন। তবে তাঁরা পদের জন্য খুব বেশি দৌড়ঝাঁপ করছেন এমন নয়। তাঁদের মনোভাব হলো চেয়ারপারসন দিলে ভালো। না হলেও সমস্যা নেই। সূত্রমতে, তাঁদের বাইরে ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ ও উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নামও আলোচনায় আছে। সব মিলিয়ে স্থায়ী কমিটির তিনটি শূন্য পদের বিপরীতে প্রার্থীর সংখ্যা ছয় থেকে সাতজন। তাঁদের মধ্য থেকে তিনজনকে অন্তর্ভুক্ত করে বাকিদের সন্তুষ্ট রাখার মতো পথ তৈরি করতে হবে খালেদাকে।

বাতিল হলো তারেকের ক্ষমতা বৃদ্ধির স্পর্শকাতর দুই প্রস্তাব

গঠনতন্ত্র সংশোধন করে তারেক রহমানের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মোট তিন দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাঁর সমর্থকরা। এর একটিও গ্রহণ করা হয়নি। তারেককে কো-চেয়ারম্যান করার প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার; যা বাতিল হয়ে যায় গত ১০ ফেব্রুয়ারির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। কেননা ওই বৈঠকেই চেয়ারপারসন এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয় এবং কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ইতিমধ্যে তারেককে ওই পদে নির্বাচিত বলে ঘোষণাও হয়ে গেছে।

এরপর সর্বশেষ বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে লিখিত আকারে আরো দুই দফা প্রস্তাব তোলা হয়। এগুলো হলো ১. সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে চেয়ারপারসনকে ‘পরামর্শ’ দেবেন এবং ২. সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের পৃথক একটি সচিবালয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। বর্তমান গঠনতন্ত্রের গ(১) ধারায় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করবেন বলে উল্লেখ আছে।

সূত্রমতে, তারেক সমর্থকদের দেওয়া লিখিত এ প্রস্তাবনা উঠলে একমাত্র জমিরউদ্দিন সরকার এটি সমর্থন করেন। আর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিষয়টি ‘ম্যাডামে’র (খালেদা জিয়া) ওপর ছেড়ে দেওয়া হোক। কিন্তু নিজের ছেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির এ প্রস্তাবনা শুনে খালেদা নিজেই বিব্রত হন। তিনি জানান, এ ধরনের প্রস্তাব নিষ্পত্তি করা তাঁর একার পক্ষে সম্ভব নয়। বিষয়টি তিনি স্থায়ী কমিটির ওপর ছেড়ে দিলে সিনিয়র সদস্যরা ফ্লোর নিয়ে বলেন, অন্যসব প্রস্তাব স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা হলে এগুলোর ক্ষেত্রে কী সমস্যা। পরে তাঁরা ওই প্রস্তাব গ্রহণের বিপক্ষে মত দিয়ে বলেন, ‘ইচ্ছা করলে চেয়ারপারসনকে সব সময়ই সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পরামর্শ দিতে পারেন। এর জন্য গঠনতন্ত্রে লিখিত কিছুর প্রয়োজন নেই। সিনিয়র তিনজন সদস্য বলেন, বিএনপির গঠনতন্ত্রে স্থায়ী কমিটি পরামর্শ দেবে এ কথা কোথাও লেখা নেই। কিন্তু আমরা তো পরামর্শ দিচ্ছি। তাহলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য লিখিত বিধান কেন প্রয়োজন হবে। ’ দুই একজন সদস্য বলেন, এ ধরনের বিধান গঠনতন্ত্রে সংযুক্ত হলে অন্য রাজনৈতিক দলের লোকেরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের সুযোগ পাবে। বলবে, দল খালেদার হাত থেকে তারেকের হাতে চলে গেছে।

এরপর পৃথক সচিবালয় ও উপদেষ্টা পরিষদের কথা উঠলে উপস্থিত সদস্যরা এর বিরোধিতা করে বলেন, চেয়ারপারসনের ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের পৃথক সচিবালয় ও উপদেষ্টা থাকলে দ্বৈতশাসনের অভিযোগ উঠবে। এতে ক্ষমতার দুটি কেন্দ্র তৈরি হবে। সূত্র জানায়, নেতাদের আপত্তির কারণে পরে খালেদা জিয়া উত্থাপিত প্রস্তাব গ্রহণ না করার কথা বলেন।

একটি সূত্রের দাবি, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান ওই প্রস্তাব দুটি দিয়েছেন। তবে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘ঠিক আমার দেওয়া প্রস্তাব ওগুলো নয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া প্রস্তাবই আমি উপকমিটির সভায় দিয়েছি। সেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে কি না জানি না। ’

স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা এ ধরনের প্রস্তাব উত্থাপনকারীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রস্তাব দেখে মনে হলো কিছু লোকের এত বিপর্যয়ের পরেও ‘শিক্ষা’ হয়নি। তিনি বলেন, একবার ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র তৈরি করে দল ডুবিয়েছে। এখন আবার তৎপর। এরা যে কী চায় বুঝি না; ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন তাঁরা।

প্রভাবশালী দুই নেতার কারণে ঝুঁকির মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদ

স্থায়ী কমিটির পদ নিয়ে আগ্রহী একাধিক প্রার্থী থাকলেও উপদেষ্টা ও ভাইস চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তেমন তদবির-লবিং নেই। তবে স্থায়ী কমিটির বাইরে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পদ। কারণ ওই পদে তারেক রহমান ছিলেন। আবার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ওই পদ থেকে পূর্ণ মহাসচিব হচ্ছেন। অর্থাৎ সিনিয়র মহাসচিব পদই ইঙ্গিত করে দলের ভবিষ্যৎ মহাসচিব কে হবেন। ফলে ওই পদ নিয়ে আলোচনা এখন সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এমন দুজন নেতার নাম ওই পদের জন্য আলোচনায়, যাঁরা আবার খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ।

সূত্রমতে, মোহম্মদ শাহজাহান সাংগঠনিক কাজ করে খালেদার আস্থাভাজন হয়েছেন। বিগত পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ দুটি নির্বাচনেই সমন্বয়নের ভার ছিল তাঁর হাতে। অনেকেই মনে করেন, নোয়াখালী অঞ্চলে বাড়ি হওয়ায় তিনি বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন।   

অন্যদিকে এক-এগারোর পর থেকে প্রচণ্ড ঝুঁকি নিয়ে দলীয় কার্যালয় চাঙ্গা রেখেছেন রিজভী আহমেদ। দলের জন্য দিন-রাত তিনি পরিশ্রম করেন। সব মিলিয়ে খালেদা জিয়ার প্রচণ্ড আস্থাভাজন নেতাও এখন রিজভী। সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তাঁর সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো; ঘনিষ্ঠ এই দুই নেতাকে কিভাবে সমন্বয় করবেন খালেদা।

সূত্রমতে, দুজনকে সমন্বয় করা কঠিন বলেই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পদ না রাখা নিয়ে দলে আলোচনা আছে। কারণ ওই পদ না থাকলেও প্রতিযোগিতাও থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রমতে, সর্বশেষ স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও উপস্থিত সিনিয়র এক নেতা এ প্রসঙ্গে আলোচনা তোলেন। জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, আপাতত ওটা (পদ) থাকুক। পরে দেখি কী হয়। অর্থাৎ সমন্বয় হলে ভালো; না হলে ওই পদই বিলুপ্ত করে দেবেন এমন মনোভাব দেখান খালেদা জিয়া।


মন্তব্য