kalerkantho


অনেক প্রশ্নের উত্তর আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অনেক প্রশ্নের উত্তর আজ

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সে পরিবর্তন কেমন হবে, তা স্পষ্ট না করে আজ মঙ্গলবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মুহিত।

তাতে কিভাবে রিজার্ভ চুরি হলো, এক মাস ঘটনাটি সরকারের কাছে গোপন রাখার কারণ, অর্থ উদ্ধারে ভবিষ্যৎ করণীয়, দোষীদের চিহ্নিত করার উপায় এবং ব্যাংক ব্যবস্থায় কোন ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে সরকার তার উত্তর মিলবে। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানকে জরুরি তলব করেন তিনি। ভারত থেকে গভর্নর গতকাল সোমবার বিকেল ৪টায় ঢাকায় ফিরে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। আজ সকালে গভর্নর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানা গেছে। রাতে স্থগিত করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আজকের জরুরি পর্ষদ সভাও।

রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চার সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। আজ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। অর্থমন্ত্রীর দপ্তর সূত্র গতকাল রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

রিজার্ভ চুরির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তত ১৫ জন কর্মকর্তাকে সন্দেহ করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাঁরা যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন সে জন্য তাঁদের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য সব স্থল ও বিমান বন্দরে পাঠানো হয়েছে। গত শনি ও রবিবার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে গোয়েন্দারা। খুব শিগগির অন্তত তিন থেকে চারজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি বিভাগের কোন কোন কর্মকর্তা কী ধরনের কাজ করতেন, হ্যাক হওয়ার আগে ও পরে তাঁদের কর্মকাণ্ড, বিদেশ সফরসহ বিস্তারিত তথ্য জানাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানাকে গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে।  

রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় গভর্নরের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নালিশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। গতকাল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি এ নালিশ করেন বলে একজন সিনিয়র মন্ত্রী কালের কণ্ঠকে জানান। বৈঠকের শুরুতে অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে রিজার্ভের অর্থ চুরির বিষয়টি তোলেন। প্রধানমন্ত্রীকে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থ চুরির বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ আমাকে জানায়নি। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আমার মিটিং হয়েছে। এর পরও তারা আমাকে কিছুই বলেনি। তারা এটা গোপন করবে কেন? কোনো কিছু গোপন করার শপথ নিলে মন্ত্রীরা নেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ শপথ নেয় না। ’ অর্থমন্ত্রী রাগতস্বরে এসব কথা বললেও প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

এ সময় অর্থমন্ত্রীকে শান্ত করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন পাঞ্জাবিতে আপনাকে সুন্দর লাগছে। অর্থমন্ত্রী তাঁর এ কথা আমলে নেননি। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলছে পাঞ্জাবিতে আপনাকে সুন্দর লাগছে। ’ এরপর অর্থমন্ত্রীর রাগ কমে। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্বাভাবিক হন।

গতকাল সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার আগে মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে অবশ্যই পরিবর্তন আনা হবে। আমি বিষয়টিকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছি। আতিউর রহমানের জন্য অপেক্ষা করছি। আমি বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব বলেছিলাম, আলোচনা হয়ে গেছে। ’

গত রবিবার অর্থমন্ত্রী রিজার্ভ চুরির বিষয়ে একটি বিবৃতি দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। সোমবার সকালে ওই বিবৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আর কোনো বিবৃতি নেই। গভর্নর ফিরে এলেই বোঝা যাবে। সেটা আজও হতে পারে, কালও হতে পারে। সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেদুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার সকালে অর্থমন্ত্রী সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন। অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম ও অতিরিক্ত সচিব গকুল চাঁদ দাসের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেন অর্থমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও ভারত সরকার আয়োজিত এক সম্মেলনে যোগ দিতে গভর্নর আতিউর রহমান গত বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি যান। গতকাল বিকেল ৪টার দিকে তিনি ঢাকা ফিরেছেন। বিমানবন্দরে নেমে গভর্নর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয়ের মহাব্যবস্থাপক এ এফ এম আসাদুজ্জামান জানান, স্যার এই মুহূর্তে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন না। সন্ধ্যা পর্যন্ত গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা অর্থ মন্ত্রণালয়েও যাননি। তবে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর টেলিফোনে কথা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গভর্নর আজ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, যে মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বিরাট বিরাট প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন, রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণ বাড়ছে, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে উন্নীত হবে বলে মনে হচ্ছে, তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক।

গতকাল দিনভর বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. আসলাম আলম অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে চার সদস্যের যে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা সচিব রবিবার বলেছিলেন, তা গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত হয়নি। আজ মঙ্গলবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা জরুরি বৈঠকে বসছেন। গভর্নর ড. আতিউর রহমান পদাধিকারবলে এই পর্ষদের চেয়ারম্যান। তবে রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপত্র শুভঙ্কর সাহা জানান, অনিবার্যকারণ বশত মঙ্গলবারের পর্ষদ সভা স্থগিত করা হয়েছে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. আসলাম আলম সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৫১ মিলিয়ন ডলার (৯৫ কোটি ১০ লাখ ইউএস ডলার) চুরির চেষ্টা হয়েছিল। এর মধ্যে ৮৫০ মিলিয়ন ডলার ঠেকানো গেছে। বাকি ১০১ মিলিয়ন (১০ কোটি ১০ লাখ) ডলার প্রসেসড হয়ে ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় গিয়েছিল। শ্রীলঙ্কায় পাচার করা ২০ মিলিয়ন (দুই কোটি) ডলার ঠেকানো গেছে, যার এক কোটি ৯৯ লাখ ডলার ফেরত এসেছে। সেটা নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। আর ফিলিপাইনে পাচার হওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে ৬৮ হাজার ডলার ফেরত পাওয়া গেছে।

গতকাল ফিলিপাইনের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান তেরেসিটা হারবোসা তাঁর দেশের এবিএস-সিবিএন নিউজকে বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত, কোনো না কোনোভাবে ওই অর্থের কিছুটা উদ্ধার হবে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সিনেটে শুনানির তারিখ ধার্য রয়েছে। ’

তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জানান, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনের ব্যাংকিং চ্যানেলে যে অর্থ ছিল, তা ফেরত পাওয়া গেলেও ক্যাসিনো বা স্থানীয় মুদ্রায় কনভার্ট করে সরিয়ে নেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়া দুষ্কর হবে।

১৫ কর্মকর্তা নজরদারিতে, যেকোনো সময় গ্রেপ্তার : রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গতকালও তারা বৈঠক করেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, বেলজিয়ামভিত্তিক সুইফট কোড ১৫ ডিজিটের হয়। কেউ যাতে হ্যাক করতে না পারে, সে জন্য প্রতি ছয় মাস পর পর এই কোড নম্বর বদলে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। তাঁদের ধারণা, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছাড়া এই কোড নম্বর পেতে হলে হ্যাকারদের অন্ততপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর ধরে পরিকল্পনা করতে হবে। গোয়েন্দারা মনে করছেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় যতজন বিদেশি জড়িত, তার চেয়েও বেশি বাংলাদেশি জড়িত। এদের বেশির ভাগই ব্যাংকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং শাখার অধীন ‘ব্যাক অফিস অব দ্য ডিলিং রুম’ অনুশাখার কর্মকর্তারা গোয়েন্দাদের সন্দেহ তালিকার প্রথমে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা ও মিজানুর রহমান। এ ছাড়া উপপরিচালক পদে রয়েছেন লাকী সুলতানা, আবদুল্লাহ সালেহ ও প্রভাষ চন্দ্র সিংহ এবং সহকারী পরিচালক (এডি) আলমগীর হোসেন, রফিক আহমেদ মজুমদার ও সনজিৎ রায়। তাঁদের মধ্য থেকে তিন-চারজনকে গ্রেপ্তার করতে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া রাকেশ আস্তানার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আইটি বিশেষজ্ঞরা। রাকেশ তাঁদের জানিয়েছেন, বিদেশ থেকেই হ্যাক করে রিজার্ভ চুরি করা হয়েছে। তবে তাঁর যুক্তি খণ্ডন করে গোয়েন্দারা বলেছেন, এর সঙ্গে ব্যাংকের লোকজনও যে জড়িত, তার প্রাথমিক তথ্য তাঁদের কাছে আছে। তখন রাকেশ আস্তানা সার্বিক বিষয় জানাতে আরো কয়েক দিন সময় চেয়ে নেন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ছায়া তদন্ত করছে র‌্যাব।   

আরসিবিসির সিসিটিভিও ছিল অচল রিজার্ভ চুরির সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সিসিটিভি যেমন অকেজো ছিল, ঠিক তেমনি ওই দিন অচল ছিল ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের জুপিটার স্ট্রিট শাখার সিসিটিভি ক্যামেরাও। ফিলিপাইন সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির প্রধান তেওফিস্টো গুইংগোনা গতকাল এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ওই শাখার পুরো সিসিটিভি ব্যবস্থা সেদিন কাজ করেনি। ক্যামেরাগুলো ছিল হ্যাকারদের অনুকূলে। এ কমিটি ফিলিপাইনের ব্যাংক খাতের মাধ্যমে বেহাত হওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আট কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনা তদন্তের তদারকি করছে। তিনি জানান, মিথ্যা তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে ওই শাখায় হিসাব খুলেছিলেন চার ব্যক্তি। ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁদের হিসাবে টাকা আসে এবং ওই দিনই পুরো অর্থ তুলে নেওয়া হয়। তাঁদের ড্রাইভিং লাইসেন্স জাল ছিল এবং যে ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি।

ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ অব নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে স্থানান্তর হওয়া অর্থের সন্ধানে কাজ করছে ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিল। সন্দেহভাজন কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলের প্রধান আমান্দো তেতাংকো। তবে কারো নাম জানা যায়নি।

ফিলিপাইনের দৈনিক ইনকোয়ারার জানিয়েছে, এক দিনেই ৮১ মিলিয়ন ডলার লোপাট হলেও আরো ৮৭০ মিলিয়ন ডলার হারানোর হাত থেকে বেঁচে গেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্থানান্তরের আদেশ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ইউএস ফেডারেল ব্যাংক থেকে ওই অর্থ ছাড় করা হয়নি। খোয়া যাওয়া ৮১ মিলিয়ন ডলারের ৪৬ মিলিয়ন খরচ হয়েছে ফিলিপাইনের ক্যাসিনোতে। সেখানে অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যয়ে বাধানিষেধ না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে জুয়াড়িরা।


মন্তব্য