kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


ভারতে আইএমএফের সম্মেলনে গভর্নর

উন্নয়ন সহযোগীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



উন্নয়ন সহযোগীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে আইএমএফ-ভারত সরকারের ‘অ্যাডভান্সিং এশিয়া : ইনভেস্টিং ফর দ্য ফিউচার’ শীর্ষক সম্মেলন। গতকাল শেষ হওয়া তিনদিনের এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দে ও কি-নোট বক্তব্য দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্মেলনে এ অঞ্চলের ৩০টি দেশ অংশগ্রহণ করে। ছবি : বাংলাদেশ ব্যাংক

এশিয়াকে তারুণ্যদীপ্ত, বৈচিত্র্যময় ও জনবহুল এলাকা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, তিন দশক ধরে বিশ্বের ৬০ শতাংশ মানুষের বাস ও ৪৫ শতাংশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হচ্ছে এখানেই। বাংলাদেশসহ অনেক দেশের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি আর তাত্ত্বিক নয় বরং প্রতিদিনের বাস্তবতা।

গত ১১-১৩ ব্যাপী মার্চ তিন দিন ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও ভারত সরকারের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘অগ্রগামী এশিয়া : ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার গভর্নর ভারতে যান। আজ সোমবার তাঁর দেশে আসার কথা।

সম্মেলনে গত শনিবার ‘উন্নয়নশীল এশিয়া : জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার চ্যালেঞ্জ’ শিরোনামে এক প্যানেল আলোচনায় আতিউর রহমান আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলা নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিতে উন্নয়ন সহযোগীদের ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, এশিয়া সৃষ্টিশীলতায় ভরপুর। দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে নিজেদের সরকারের জন্য সেই উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণের মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে হবে।

ইউএনডিপির প্রশাসক হেলেন ক্লার্ক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট তাকিহিকো নাকাও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়ন সহায়তা দ্বিগুণ করবেন তাঁরা।

তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিসটিন লাগার্ডে। এতে এশিয়ার ৩০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


মন্তব্য