kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

অসময়ে সবাই তৎপর

আশরাফুল হক রাজীব ও আপেল মাহমুদ   

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অসময়ে সবাই তৎপর

তিন মাস ধরে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছে। কিন্তু বিমানবন্দরের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্টরা সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করেননি।

এর ফলে যুক্তরাজ্যে কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞার খড়্গ এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। নিষেধাজ্ঞা আরোপ হওয়ার পর এখন সবাই তৎপরতা দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এই তৎপরতা সময়মতো দেখালে আর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে এ ধরনের হুমকি নেমে আসত না বলে মনে করেন রপ্তানি বাণিজ্য এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও কার্গো সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিটেবল এলাইট প্রডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশের সমস্যা হচ্ছে, যতক্ষণ না বন্ধ হচ্ছে ততক্ষণ নড়াচড়া নেই। এখন কার্গো পরিবহন বন্ধ হয়েছে; এখন সবাই দৌড়াচ্ছে। তাঁরা এখন কেন দৌড়াবেন? যুক্তরাজ্য তিন মাস ধরে তাঁদের পেছনে পেছনে দৌড়াচ্ছে। তারা যা চাচ্ছে তা বেশি কিছু নয়। নিরাপত্তা বাড়াতে এত বিলম্ব কেন হবে?

গত ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি যখন যুক্তরাজ্যের অভিবাসনমন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার দুই দিনের বাংলাদেশ সফর করছিলেন তখন বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন-সংক্রান্ত দায়িত্বশীল কোনো ব্যক্তি দেশে ছিলেন না। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল সানাউল হক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ তখন সিঙ্গাপুরে এভিয়েশন লিডারশিপ সামিট এবং সিঙ্গাপুর এয়ার শোতে অংশ নিচ্ছিলেন। ঘটনাটি জানিয়ে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল যুক্তরাজ্যের অভিবাসন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সমস্যা সমাধানে তাঁর সহায়তা চাওয়া। অথচ তখন মন্ত্রী-সচিব তো ছিলেনই না, তাঁদের সঙ্গে দপ্তর প্রধানরাও সিঙ্গাপুরে ছিলেন। অর্থাৎ সিভিল এভিয়েশন-সংক্রান্ত কোনো নীতিনির্ধারক সেই সময় দেশে ছিলেন না।

গত ৩১ অক্টোবর মিসরের শারম আল শেখে রাশিয়ার একটি বিমান বোমা বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত হওয়ার পর যুক্তরাজ্য ২০টি দেশের ৩৮টি বিমানবন্দরকে নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলে। শাহজালাল বিমানবন্দর তার একটি। এই ৩৮টি বিমানবন্দর থেকে লন্ডনে সরাসরি বিমান যোগাযোগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে তালমিলিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানোর অনুরোধ করে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় কানাডাও। এ অবস্থায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এসব দেশের ঢাকার দূতদের ডেকে রাশেদ খান মেনন বলেছিলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তখন ওই বৈঠকে উপস্থিত একজন কূটনীতিক জানতে চেয়েছিলেন, ‘আপনাদের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে এত বিলম্ব হয় কেন?’

ওই বৈঠকের পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানো হলেও কার্গো কমপ্লেক্স ঠিকই অরক্ষিত ছিল। বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে আড়াই শ কর্মকর্তাকে বিমানবন্দরে সংযুক্ত করা হয়। কিন্তু কার্গো কমপ্লেক্সের স্ক্যানার বাড়ানো হয়নি, ইউরোপগামী কার্গোগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়নি। অথচ স্ক্যানার স্বল্পতা নিয়ে শুরু থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছিল যুক্তরাজ্য। কার্গো কমপ্লেক্সে অরক্ষিতভাবে কার্গো পড়ে থাকা নিয়েও তাদের চরম আপত্তি ছিল। তাদের যুক্তি ছিল যেকোনো ব্যক্তি এসব কার্গোতে বিস্ফোরক ঢুকিয়ে রাখতে পারে।

পুরনো মেশিনে স্ক্যানিং : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমানের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘কার্গো ভিলেজে মালামাল স্ক্যানিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি কম্পানিকে, যাদের কাছে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার চেয়ে ব্যবসাটা বড় হওয়াই স্বাভাবিক। একটি স্পর্শকাতর কাজের দায়িত্ব বেসরকারি কম্পানিকে দেওয়ার আগে অনেক বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু বিমান ও সিবিএর কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশের কারণে সেটি আটকানো যায়নি।

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে মেশিন অপারেটর হিসেবে কর্মরত একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখানে মান্ধাতার আমলের মেশিন দিয়ে স্ক্যানিংয়ের কাজ করা হচ্ছে, যা সব সময় কার্যকর থাকে না। পৃথিবীর কোথাও এ ধরনের মেশিন আর নেই। এসব মেশিন নিয়ে শুধু যুক্তরাজ্যই নয়, বিশ্বের সব উন্নত দেশ আপত্তি জানিয়ে আসছে। তারা মনে করে, এ ধরনের লক্কড়-ঝক্কড় মেশিনের কারণেই চোখ ফাঁকি দিয়ে তরিতরকারির খাঁচায় অপরাধীরা মাদক, মুদ্রা কিংবা অস্ত্র পাচার করছে। ’

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৮ জুলাই লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো কৃষিপণ্যের ঝুড়ি আটক হয়। সেখানে পান ও কচুর লতির মধ্যে লুকানো ৪০০ গ্রাম হেরোইনসহ এক কেজি গাঁজা এবং বিপুল পরিমাণ ডলার, ইউরো আটক করে যুক্তরাজ্যের পুলিশ। তারা বিষয়টি জানতে চেয়ে বাংলাদেশ বিমানকে চিঠি দেয়। কিন্তু বিমান কর্তৃপক্ষ এ চিঠির কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি।

প্রায় দুই মাস আগে শাহজালাল স্ক্যানিং মেশিনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একটি রিভলভার চলে গেলেও তা সিঙ্গাপুরে ধরা পড়ে। এ জন্য দুজন স্ক্যানিং মেশিন অপারেটরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।

সিএএবি সূত্রে জানা যায়, এর পরই যুক্তরাজ্য থেকে একটি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদল বাংলাদেশে এসে শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শন করে। দলটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা, জনবল এবং যন্ত্রপাতির খোঁজখবর নিয়ে দেশে চলে যায়। সেখানে তারা শাহজালাল নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।

দক্ষ জনবলের অভাব : কার্গো ভিলেজের একটি সূত্র জানায়, এখানে দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। তা ছাড়া স্থায়ী চাকরিজীবীদের চেয়ে বহিরাগতরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। তাদের কোনো দায়বদ্ধতা থাকে না বলে তাদের মোটা অঙ্কের অর্থের টোপ দিয়ে যেকোনো অপরাধমূলক কাজে যুক্ত করা যায়। জনবল স্বল্পতার কথা সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ থেকে স্বীকার করে বলা হয়েছে, অচিরেই এই সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন পাঁচ হাজার লোক নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে।

এভসেক গঠনের প্রস্তাব উপেক্ষিত : সিভিল এভিয়েশনের একজন কর্মকর্তা জানান, পাঁচ বছর আগে আমরা এভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্স (এভসেক) গঠন করার প্রস্তাব দিই। এখনো এই প্রস্তাব ঝুলে আছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। পাঁচ বছর আগে যদি এভসেক গঠন হতো তাহলে আজকের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেনের পর সারা পৃথিবীর নিরাপত্তা ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। এরপর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) পরামর্শে আমরা এভসেক গঠনের প্রস্তাব দিই। বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি একটু গতি পায়। এর আগে বিষয়টি আলোর মুখ দেখেনি।

নিষেধাজ্ঞার পর তৎপরতা : গতকাল বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নকাজ ত্বরান্বিত করতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দিনের একটি সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অফিস করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী। যুক্তরাজ্যের ঢাকাস্থ হাইকমিশন, এভিয়েশন টিম এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নিরাপত্তাব্যবস্থার আধুনিকায়নে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কার্গো পরিবহনে যুক্তরাজ্যের সাময়িক নিষেধাজ্ঞাসহ বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা সভায়। গতকাল বৃহস্পতিবার শাহজালাল বিমানবন্দরে এ সভা হয়। সভায় কার্গো কমপ্লেক্সের সুবিধা বৃদ্ধি এবং অতীতে নেওয়া পদক্ষেপ মূল্যায়ন করা হয়। মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে শাহজালাল বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত এ সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল সানাউল হক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আসাদুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশন এবং বিমান বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার উন্নয়নে সিভিল এভিয়েশন ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আরো নিবিড়ভাবে কাজ করবে এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পুরো কর্মকাণ্ডকে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সম্মত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিগগিরই যুক্তরাজ্যের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরো উষ্ণ ও গভীর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

কারিগরি কারণেই নিষেধাজ্ঞা—মেনন : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, যুক্তরাজ্য কারিগরি কারণেই বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে লন্ডনে সরাসরি কার্গো পাঠানোর ওপর অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। গতকাল সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা আশা করছি শিগগিরই এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হবে। এ ব্যাপারে আমরা যোগাযোগ করছি। ’

এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কোনো কিছুই রাজনীতির ঊর্ধ্বে নয়।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে লন্ডনে সরাসরি কার্গো পাঠানোর ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

ঢাকায় আসছে মার্কিন দল : বিমানবন্দর ও সাইবার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে এ মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসছে। গতকাল সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসন্ন সফরগুলোসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও প্রধান কূটনৈতিক কর্মকর্তা অ্যালান বারসিনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল এ মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় আসবে। দলটির সফরে আসার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলটির সঙ্গে আলোচনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি আসতে পারে।

তবে ওই দলের আগে আগামী ২২ ও ২৩ মার্চ সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করবে। এ প্রতিনিধিদল তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, সাইবার আইন-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবে। চার থেকে পাঁচ জনের এ প্রতিনিধিদলে কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তা—দুই শ্রেণির ব্যক্তিরাই থাকতে পারেন।


মন্তব্য