মীর কাসেমের আপিলের রায় আজ -333471 | প্রথম পাতা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার

মীর কাসেমের আপিলের রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মীর কাসেমের আপিলের রায় আজ

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া শীর্ষ আলবদর নেতা মীর কাসেম আলীর আপিলের রায় আজ। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আলবদর নেতা মীর কাসেম আলীর চরম দণ্ড (মৃত্যুদণ্ড) আপিল বিভাগে বহাল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কোনো মামলার রায় দিয়ে থাকেন। তাই দুই মন্ত্রীর বক্তব্য এ রায়ের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে আপিল বিভাগে মীর কাসেমের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন আশা প্রকাশ করেছেন, আপিল বিভাগে তাঁর মক্কেল ন্যায়বিচার পাবেন।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মামলার মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় মীর কাসেম আলীর আপিলটি প্রথমেই রায়ের জন্য রাখা হয়েছে। একাত্তরে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭২ বছরের কারাদণ্ড দেন। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা মোট ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে ১০টি প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে দুটি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে পৃথকভাবে মৃত্যুদণ্ড এবং আরো আটটি নির্যাতনের ঘটনায় বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৭২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া চারটি নির্যাতনের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই সব অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ৩০ নভেম্বর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেম আলী। আপিল বিভাগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন থেকেই তিনি কারাগারে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনসহ রণজিৎ দাস লাথু ও টুনটু সেন রাজুকে হত্যার অভিযোগে মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া অরো আট অভিযোগের ওপর বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৭২ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। মীর কাসেম আলী ট্রাইব্যুনালের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন।

ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই অভিযোগ : অভিযোগ নম্বর এগারো—একাত্তরে ঈদুল ফিতরের দিনে মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনকে অপহরণ করে আলবদর বাহিনী। তাঁকে ডালিম হোটেলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

মন্তব্য