এমপিপুত্র রনির বিচার শুরু-333080 | প্রথম পাতা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


ইস্কাটনে জোড়া খুন

এমপিপুত্র রনির বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



এমপিপুত্র রনির বিচার শুরু

রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের মামলায় সংসদ সদস্যের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির বিচার শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সামছুন নাহার এ মামলায় রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো রনির।

আদালত আগামী ১১ এপ্রিল এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন। মামলার বাদীকে হাজির হতে সমন জারির নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

গতকাল শুনানির সময় হত্যার অভিযোগের দায় থেকে আসামির করা অব্যাহতির আবেদনও নাকচ করে দেন আদালত। পরে আসামি রনিকে অভিযোগ পড়ে শোনালে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রনিকে আদালতে আনা হয়। তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন। তাঁকে হুইলচেয়ারে করে আদালতে আনা হয়।

আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ওই আদালতের অতিরিক্ত পিপি এস এম জাহিদ সরদার।

গত বছরের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে নিউ ইস্কাটনে গাড়ি থেকে ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আবদুল হাকিম নামের এক রিকশাচালক এবং দৈনিক জনকণ্ঠের অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী আহত হন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ এপ্রিল হাকিম এবং ২৩ এপ্রিল ইয়াকুব মারা যান। এ ঘটনায় একই বছরের ১৫ এপ্রিল নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম রমনা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ৩১ মে রনি গ্রেপ্তার হন।

তদন্ত শেষে গত ২১ জুলাই রনিকে একমাত্র আসামি করে ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই দীপক কুমার দাস। নিহত ব্যক্তিদের শরীরে পাওয়া গুলির ব্যালাস্টিক রিপোর্ট, রনির অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবেদনসহ মোট ১৫টি আলামত অভিযোগপত্রের সঙ্গে যুক্ত করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রনির গাড়িচালক ইমরান ফকির এবং ঘটনার সময় গাড়িতে থাকা তাঁর দুই বন্ধু ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিলেও রনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেননি। কালো রঙের ওই প্রাডো গাড়ির মালিক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান। তিনি রনির মা।

এ মামলায় রনির গাড়িচালক ইমরান ফকিরকেও গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তবে সাক্ষী হওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে ৩৭ জনকে সাক্ষী করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মন্তব্য