kalerkantho

জানা-অজানা

কৃষ্ণগহ্বর

[নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ে ‘কৃষ্ণগহ্বর’-এর কথা উল্লেখ আছে]

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



কৃষ্ণগহ্বর

কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) হলো মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু, যার ভর অনেক বেশি; কিন্তু আয়তন ক্ষুদ্র। এর মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি যে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণসহ (আলো) কোনো কিছুকেই তার ভেতর থেকে বের হতে দেয় না। এটি মহাবিশ্বের অন্য সব বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোনো কিছুই পালাতে পারে না। ১৭৮৩ সালে ভূতত্ত্ববিদ জন মিচেল রয়েল সোসাইটির সদস্য বিজ্ঞানী হেনরি ক্যাভেন্ডিসকে লেখা এক চিঠিতে এর সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন। ১৭৯৬ সালে গণিতবিদ পিয়েরে সিমন ল্যাপলেস একই মতবাদ প্রদান করেন তাঁর ‘Exposition du systeme du Monde’ বইয়ে।

এখন পর্যন্ত কৃষ্ণগহ্বরের কোনো প্রত্যক্ষ দর্শন পাওয়া যায়নি। এ থেকে আলো বিচ্ছুরিত হতে পারে না বলে একে দেখা সম্ভব নয়; কিন্তু পরোক্ষভাবে এর উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায় তারকা নক্ষত্রের গতি ও দিক দেখে। ১৬ বছর ধরে আকাশগঙ্গায় (Milky Way) অবস্থিত তারকামণ্ডলীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে মহাকাশবিদরা ২০০৮ সালে প্রমাণ পেয়েছেন অতিমাত্রার ভরবিশিষ্ট একটি ব্ল্যাকহোলের, যার ভর সূর্য থেকে চার মিলিয়ন গুণ বেশি।

♦ ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য