kalerkantho

জানা-অজানা

প্রস্তর যুগ

[নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে প্রস্তর যুগের কথা উল্লেখ আছে]

১২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রস্তর যুগ

প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষেরা পাথরের সাহায্যে ব্যবহার্য জিনিসপত্র তৈরি করত বলে প্রত্নতত্ত্ববিদরা এই যুগের নাম দিয়েছেন ‘প্রস্তর যুগ’। এ যুগের সঠিক সময় নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। তবে ইথিওপিয়ার একটি অঞ্চলে ৩.৪ লাখ বছরের পুরনো ব্যবহৃত পাথর সরঞ্জামের সন্ধান পাওয়া গেছে। পূর্ব আফ্রিকায় পাওয়া গেছে ৩.৩ লাখ বছরের পুরনো পাথর সরঞ্জাম। প্রস্তর যুগকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে—পুরা প্রস্তর যুগ (প্যালিওলিথিক), মধ্য প্রস্তর যুগ (মেসোলিথিক), নব্য প্রস্তর যুগ (নিওলিথিক)। পুরা প্রস্তর যুগের মানুষ প্রাথমিক পর্যায়ে পাথরের যন্ত্রপাতি বানাতে শুরু করে। এখন থেকে প্রায় ১০ হাজার বছর আগে পর্যন্ত এ যুগের বিস্তৃতি ছিল। পুরা প্রস্তুর ও নব্য প্রস্তরের মাঝখানের যুগকে বলা হয় মধ্য প্রস্তর যুগ। এই যুগের সময়কাল ছিল ১০০০০ থেকে ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত। প্রস্তর যুগের শেষ ধাপ হলো নব্য প্রস্তর যুগ। এ যুগে পাথরের অস্ত্রশস্ত্র ও ব্যবহার্য দ্রব্যাদির উন্নতি সাধিত হয়। শুরু হয় কৃষি উদ্ভাবন, গৃহপালিত পশুর পোষ মানানো এবং তামা আহরণের মাধ্যমে ধাতুর ব্যবহার। খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দ থেকে ২৫০০ অব্দের মধ্যে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে। এরপর ব্রোঞ্জ যুগ, তাম্র যুগ এবং লৌহ যুগের শুরু হয়।

♦ আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য