kalerkantho


অষ্টম শ্রেণি

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

সুলতানা নুসরত জাহান,সিনিয়র শিক্ষক, সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

১। মানুষের জীবন-জীবিকার প্রথম পরিবর্তন আসে কিসের মধ্য দিয়ে?

উত্তর : হাতিয়ার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।

২। উন্নয়নের লক্ষ্য কী?

উত্তর : সমগ্র সমাজের সবার জীবনযাত্রার মানের উন্নতি সাধন, শোষণ ও বৈষম্যের মাত্রা কমানো বা অবসান করা এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোই উন্নয়নের লক্ষ্য।

৩। উন্নয়ন কিসের অগ্রাধিকার দেয়?

উত্তর : মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের।

৪। মৌলিক চাহিদা পূরণ হলে কী হয়?

উত্তর : সমাজের অগ্রগতি ঘটে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

৫। সাংস্কৃতিক প্রসার বা ব্যাপ্তি ঘটে কিসের মাধ্যমে?

উত্তর : সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণের মাধ্যমে।

৬। সাংস্কৃতায়ন প্রক্রিয়ার কারণ কী?

উত্তর : ভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শই সাংস্কৃতায়ন প্রক্রিয়ার কারণ।

৭। তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নে গোটা বিশ্ব কিসে রূপান্তরিত হয়েছে?

উত্তর : বিশ্বপল্লীতে।

৮। কোন বিষয়টি সাংস্কৃতিক পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করছে?

উত্তর : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন।

৯। কী ব্যবহার করে শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার চেষ্টা চলছে?

উত্তর : প্রচলিত ধারার শিক্ষার সঙ্গে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে।

১০। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ কিসে পরিণত হচ্ছে?

উত্তর : ডিজিটাল বাংলাদেশে।

১১। কোনো দেশ বা সমাজের আদর্শের মাঝে কী ফুটে উঠে?

উত্তর : ওই দেশ বা সমাজের মানুষের জীবনপ্রণালী ও বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠে।

 

     অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

১। বর্তমানে সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি বেড়ে গিয়েছে কিভাবে?

উত্তর : বিশ্বায়নের ফলে এবং প্রযুক্তির উন্নতিতে সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি বেড়ে গেছে।

সাধারণত দুটি সমাজের সংস্কৃতি একে অপরের সংস্পর্শে এসে একে অপরকে প্রভাবিত করছে। সংস্কৃতির এই চলমান গতিধারা এক সমাজ থেকে আরেক সমাজে প্রসার লাভ করছে, যাকে সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি বলে। প্রযুক্তির উন্নতি ও বিশ্বায়নের ফলে এক সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য সংস্কৃতির আদান-প্রদান বেশি হচ্ছে। এভাবে বর্তমানে সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি অনেক বেড়ে গিয়েছে।

২। আমাদের দেশে সাংস্কৃতায়ন প্রবল কেন?

উত্তর : আমাদের দেশ বহুবার বহিরাগত শাসকদের দ্বারা শাসিত হওয়ায় সাংস্কৃতায়ন প্রবল।

নিজ সংস্কৃতিকে অক্ষুণ্ন্ন রেখে অন্য কোনো সাংস্কৃতিক উপাদানকে নিজ সংস্কৃতির সঙ্গে আত্মস্থ করার প্রক্রিয়াকে সাংস্কৃতায়ন বলা হয়। ভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শই সাংস্কৃতায়ন প্রক্রিয়ার কারণ বলে মনে করা হয়। যেমন—ইংরেজরা প্রায় দুই শ বছর আমাদের শাসক ছিল বলে অনেক ইংরেজি শব্দ আমাদের ভাষায় মিশে গেছে। এভাবে বিভিন্ন জাতির সংস্পর্শের ফলে আমাদের সাংস্কৃতায়ন প্রবল।

৩। সংস্কৃতি স্থির নয় কেন?

উত্তর : পরিবেশ পরিস্থিতি ও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটে বলে সংস্কৃতি স্থির নয়।

মানুষের জীবনযাত্রার প্রণালী হচ্ছে সংস্কৃতি। সংস্কৃতি এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় সংস্কৃতি স্থির থাকতে পারে না, তার পরিবর্তন ঘটে, রূপ বদলায়। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসেও সংস্কৃতির পরিবর্তন ও উন্নয়ন ঘটে। তাই সংস্কৃতি স্থির না।

৪। উন্নয়ন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত বা ইতিবাচক পরিবর্তনই উন্নয়ন।

সাধারণভাবে উন্নয়ন বলতে বোঝায় কোনো কিছু শুরু থেকে ক্রমে পরিপূর্ণতা লাভ করা। সমাজবিজ্ঞানীরা উন্নয়ন বলতে সামাজিক উন্নয়ন কথাটিকে নির্দেশ করেন। তাই উন্নয়ন বলতে মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন অর্থাৎ কাঙ্ক্ষিত বা ইতিবাচক পরিবর্তনকেই উন্নয়ন বোঝায়।

 



মন্তব্য