kalerkantho

জানা-অজানা

ই-পজ

[অষ্টম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে ই-পজের কথা উল্লেখ আছে]

হাবিব তারেক   

১৪ জুন, ২০১৮ ০০:০০



ই-পজ

ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেল, এককথায় ই-পজ (EPOS)। পজ সম্পর্কে অনেকেই পরিচিত। ইদানিং অনেক দোকানে পজ (EPOS) মেশিন দেখা যায়। কেউ কোনো সওদা করে বিল দিতে গেলে দোকানি কম্পিউটারে পণ্যগুলো এন্ট্রি করে বিল তৈরি করেন, এরপর পাওনা বুঝে নেন। এটা ই-পজের গোটা কাজের একটা অংশ মাত্র, এর পরিধি আরো ব্যাপক। এ পদ্ধতিতে একটি বিশেষ কম্পিউটার, বারকোড স্ক্যানার, পজ প্রিন্টার থাকে। কম্পিউটারে পজ ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। মূলত দোকানের সব তথ্যের ব্যবস্থাপনা এই সফটওয়্যারেই হয়। কখন কোন পণ্য কতটা গেল, কয়টা বিক্রি হলো, স্টক কেমন, লেনদেন কত—সবই মুহূর্তে জানা যায় এ সফটওয়্যারে।

ই-পজ পদ্ধতিতে একটি বিশেষ সফটওয়্যার থাকে। এ সফটওয়্যার অনলাইনে কিংবা অফলাইনে ব্যবহার করা যায়। সাধারণত কম্পিউটারেই এটি ব্যবহৃত হয়। তবে সম্প্রতি মোবাইল বা ট্যাব উপযোগী পজ সফটওয়্যারও চালু হয়েছে। ব্যবস্থাপক কিংবা মালিক বাইরে বসেও দোকানের লেনদেনের হিসাব, স্টক, কর্মীদের উপস্থিতি জেনে নিতে পারবেন।

 

কোন পণ্য স্টকে আছে বা নেই, এগুলোর সবচেয়ে সহজ হিসাব এ পদ্ধতিতেই সম্ভব।

দোকানে প্রতিটি পণ্য ওঠানোর সময় এন্ট্রি করা হয়। পণ্যটি বিক্রির সময় সে রেকর্ডও জমা থাকবে সফটওয়্যারে। যদি কোনো পণ্য নষ্ট বা ফেরত যায়, তা-ও এন্ট্রি করা থাকে। অর্থাৎ পণ্য ব্যবস্থাপনা ও বিপণনের সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি ই-পজ।      

   



মন্তব্য