kalerkantho


জানা-অজানা

মেসোপটেমীয় সভ্যতা

[ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে মেসোপটেমীয় সভ্যতার কথা উল্লেখ আছে]

হাবিব তারেক   

৯ জুন, ২০১৮ ০০:০০



মেসোপটেমীয় সভ্যতা

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’। ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে (Mesopotamia)।

Mesopotamia মানে হলো—দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল। এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়—সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাশেরীয় ও ক্যালেডীয়। ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়। বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই অংশ ছিল।

খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। পরবর্তী সময়ে পার্সিয়ানরা আবারও পুনর্দখল করে। সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।



মন্তব্য