kalerkantho

জানা-অজানা

কালবৈশাখী

[সপ্তম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে কালবৈশাখীর কথা উল্লেখ আছে]

হাবিব তারেক   

৯ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



কালবৈশাখী

কোনো অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে সেখানকার বাতাস হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায়। তখন কাছাকাছি বা পাশের অঞ্চলের তুলনামূলক শীতল বাতাস এই শূন্যস্থানে প্রচণ্ড বেগে ধেয়ে আসে এবং ঝড়ের সৃষ্টি হয়। ক্ষণস্থায়ী এ ঝড় আমাদের দেশে সাধারণত বৈশাখ (এপ্রিল-মে) মাসে বেশি হয়। তাই এ ঝড় ‘কালবৈশাখী’ নামে পরিচিত। ভারতে এ ধরনের ঝড় ‘কালা বৈশাখী’ নামে পরিচিত।

সাধারণ ঝড়ের সঙ্গে কালবৈশাখীর মূল পার্থক্য হচ্ছে—এ ঝড়ের (কালবৈশাখী) সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকায় ও বজ্রপাত হয়। প্রায় প্রতিবছরই কালবৈশাখী হয়। এ ধরনের ঝড়ে টর্নেডোর মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি না হলেও গাছপালা ভেঙে পড়া কিংবা বাড়িঘরের চাল উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা প্রায়ই শোনা যায়।

কালবৈশাখীর ধাপ বা পর্যায় তিনটি—

১. ঘনীপুঞ্জীভবন পর্যায় (Cumulus stage)

২. পূর্ণতা (Mature stage) এবং

৩. বিচ্ছুরণ পর্যায় (Dissipating stage).

কালবৈশাখীর সময় বায়ুর গড় গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার (সাধারণত)। কালবৈশাখীর স্থায়িত্ব এক ঘণ্টার কম বা এর বেশিও হতে পারে।

 



মন্তব্য