kalerkantho


বিশেষ প্রস্তুতি

এসএসসি মডেল টেস্ট বাংলা দ্বিতীয় পত্র

পূর্ণমান : ১০০

লুৎফা বেগম, সিনিয়র শিক্ষক, বিএএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলা, ঢাকা   

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



এসএসসি মডেল টেস্ট বাংলা দ্বিতীয় পত্র

ছবি : শেখ হাসান

রচনামূলক প্রশ্ন (মান : ৭০)

১।         যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো :        ১০       

            ক) রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট

            খ) ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

 

২।         যেকোনো একটি বিষয়ে পত্র লেখো :        ১০       

            ক) তোমার এলাকার রাস্তা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি চিঠি লেখো।

            খ) ছাত্র কল্যাণ/দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট একখানা দরখাস্ত লেখো।

 

৩।         (ক) সারাংশ লেখো :                        ১০       

            অতীতকে ভুলে যাও। অতীতের দুশ্চিন্তার ভার অতীতকেই নিতে হবে। অতীতের কথা ভেবে ভেবে অনেক বোকাই মরেছে। আগামীকালের বোঝা অতীতের বোঝার সঙ্গে মিলে আজকের বোঝা সবচেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায়। ভবিষ্যেকও অতীতের মতো দৃঢ়ভাবে দূরে সরিয়ে দাও। আজই তো ভবিষ্যৎ। ভবিষ্যৎকাল বলে কিছু নেই। মানুষের মুক্তির দিন তো আজই। আজই ভবিষ্যতের কথা যে ভাবতে বসে, সে ভোগে শক্তিহীনতায়, মানসিক দুশ্চিন্তায় ও স্নায়বিক দুর্বলতায়। অতএব, অতীতের ও ভবিষ্যতের দরজায় আগল লাগাও আর শুরু করো দৈনিক জীবন নিয়ে বাঁচতে।

           

            অথবা, (খ) সারমর্ম লেখো :

            তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূর,

            ফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।

            বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,

            তরু তবু অকাতর কিছু নাহি কয়।

            দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখন,

            তরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণ।

            পরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জন,

            তুমিও হও গো ধন্য তরুর মতোন।

 

৪।         যেকোনো একটি ভাব সম্প্রসারণ করো :    ১০       

            ক) প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবনের জনক।

            খ) দণ্ডিতের সাথে

            দণ্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে

            সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার।

 

৫।         যেকোনো একটি বিষয়ে প্রতিবেদন রচনা করো :       ১০       

            ক) মনে করো তুমি ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন ছাত্র/ছাত্রী। সম্প্রতি তোমার বিদ্যালয়ে বার্ষিক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্যাপিত হয়েছে। এ সম্পর্কে তোমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

            খ) ‘রুখতে হবে মাদকের আগ্রাসন’ এই শিরোনামে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

 

৬।         যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো :            ২০       

            ক) শিষ্টাচার

            খ) শহীদ দিবস ও একুশে চেতনা

            গ) পরিবেশ সংরক্ষণে বনায়ন/ বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন

 

রচনামূলক প্রশ্নের উত্তর

১।         [অনুচ্ছেদ রচনা]                              (ক) রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট

            রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে বাংলাদেশের ওপর। মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা এরই মধ্যে ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। মানবিক বিপর্যয়ের শিকার এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। রোহিঙ্গারা  মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে (রাখাইন প্রদেশ) বসবাসকারী সম্প্রদায়। এদের বেশির ভাগই মুসলিম। সেখানকার উগ্র রাখাইনদের সাম্প্রদায়িক আক্রমণ এবং মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযানের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। ১৯৬২ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা দখল করার পরে ধীরে ধীরে রোহিঙ্গাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় বৈষম্য বাড়তে থাকে। তখন থেকেই রোহিঙ্গাদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় সে দেশের সরকার। ১৯৮২ মিয়ানমারের সামরিক জান্তা নাগরিকত্ব আইন জারি করে। সেই আইন অনুসারে মিয়ানমারে পূর্ণাঙ্গ, সহযোগী ও অভিবাসী—এই তিন ধরনের নাগরিকত্বের বিধান রাখা হয়। এই আইনে রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট করে একটি গোত্র বলে অস্বীকার করা হয় এবং তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ জনগোষ্ঠী হিসেবে দাবি করা হয়। ফলে নাগরিকত্ব হারিয়ে কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করা ভিটায়ই রোহিঙ্গারা হয়ে পড়ে উদ্বাস্তু। এর পর থেকে বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত রোহিঙ্গাদের নিজ নিজ গ্রামেই অবরুদ্ধ করে রাখে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

            মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের অবৈধ অধিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযানে তাদের সঙ্গ দেয় স্থানীয় রাখাইনরা। এ সময় কয়েক লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

            ২০১২ সালে রোহিঙ্গাবিরোধী সাম্প্রদায়িক আক্রমণ শুরু হলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর অভিযানের ফলে যে মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়, তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ঘনবসতিপূর্ণ স্বল্প আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে দীর্ঘ সময়ের জন্য আশ্রয় দেওয়া কষ্টসাধ্য একটি বিষয়। তার পরও বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গা সংকটের গভীরতা অনুধাবন করে তা সমাধানে উদ্যোগী হয়ে উঠেছে বিভিন্ন পক্ষ। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে বড় ধরনের বৈশ্বিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতি ও নিরাপত্তা এই দুই ইস্যুতে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশকে তাই এ বিষয়ে শক্ত ভূমিকা নিতে হবে।

 

১ (খ) ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

            ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বাংলার মানুষের অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রমনা রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ মানুষের সামনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের নিগড় থেকে বাঙালি জাতির মুক্তি ও স্বাধীনতাসংগ্রামের ডাক দেন। সেদিন তাঁর কণ্ঠ নিঃসৃত বক্তব্য শোনার জন্য তারা ব্যাকুল ও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। রেসকোর্সের মাঠে এসে তিনি কী নির্দেশ দেন, জাতির জন্য কী আশার বাণী শোনান, সে জন্য সেদিন লাখো প্রাণ ব্যাকুল হয়েছিল। কারণ পাকিস্তানি শাসকরা সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের বিজয়কে নস্যাৎ করার সব পরিকল্পনার ছক তৈরি করে বসেছিল। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির বিজয়কে পাকিস্তানিরা স্বীকার করে নিতে পারেনি। পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারীদের সামরিক প্রতিভূ ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালে পয়লা মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ অধিবেশন স্থগিত করে দেয়। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে শুরু হয় সমগ্র বাঙালি জাতির ঐক্যবদ্ধ অসহযোগ আন্দোলন। বাংলাদেশ হয়ে ওঠে গণমানুষের আন্দোলনে টালমাটাল। ক্ষুব্ধ দেশের মানুষ; ফেটে পড়ছে তাদের ক্রোধ। তারা তাকিয়ে আছে তাদের অকৃত্রিম বন্ধু, প্রাণের মানুষ, কোটি মানুষের নেতা শেখ মুজিবের দিকে। সেদিন প্রত্যেক শ্রোতাই ছিল যেন একেকজন বিদ্রোহী। এ বিদ্রোহ ও ক্ষোভ ছিল পাকিস্তানি স্বৈরশাসক এবং সামরিকতন্ত্রের অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে। সেদিন রেসকোর্সের উত্তর প্রান্তে নির্মিত বিরাট প্রশস্ত মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। লাখ লাখ মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ‘স্বাধীনতাসংগ্রামের বাণী’ উচ্চারিত হয়েছিল ওই মঞ্চ থেকে। বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণে সেদিন যে আবেগ ঝংকৃত হয়েছিল, সেই আবেগ যেন গদ্যের কোনো ভাষা নয়, কবির কণ্ঠে ধ্বনিত প্রত্যেক কথাই যেন ছন্দোবদ্ধ কবিতা, যা পরবর্তীকালে বাংলার কৃষক-শ্রমিক-মজুর-বুদ্ধিজীবী নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ সবাইকেই স্বাধীনতার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাঁর বাঙালি হৃদয়ের এই আবেগপ্রবণ প্রকাশকে ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিউজ উইক’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করে লেখা হয়—তিনি ‘লাখ লাখ মানুষকে আকর্ষণ করতে পারেন সমাবেশে এবং আবেগময় বাগ্মিতায় তরঙ্গের পর তরঙ্গে তাদের সম্মোহিত করে রাখতে পারেন। তিনি রাজনীতির কবি। সেদিন বঙ্গবন্ধু জনতার তৈরি মঞ্চে দাঁড়িয়ে ১৮ মিনিট ধরে বজ্রকণ্ঠে এ ভাষণে ঘোষণা দেন—‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’—এটাই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল কথা। তাঁর এই আহ্বানে সমগ্র দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং অবশেষে আমরা জয়ী হই। তাঁর এই ভাষণটি এরই মধ্যে বিশ্বের ১২টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। আর ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেসকো এই ভাষণকে ‘ঐতিহাসিক দলিল’ হিসেবে স্বীকৃত দেয়, যা বাঙালি জাতির জন্য অহংকার। তাঁর সেই ভাষণে চারটি দাবি তুলে ধরা হয়, যা ছিল—নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, হত্যার সুষ্ঠু বিচার, সামরিক বাহিনীর ব্যারাকে ফিরে যাওয়া ও সামরিক আইন প্রত্যাহার। বঙ্গবন্ধু বাঙালির যেন বদনাম না হয়, সে বিষয়েও ভাষণটিতে সতর্ক করেছেন। ভাষাটির প্রতিটি কথাই তাৎপর্যপূর্ণ ও বিশ্লেষণধর্মী। তাই বাঙালি জাতির জনকের দেওয়া এই ঐতিহাসিক ভাষণের ইউনেসকো কর্তৃক স্বীকৃতি আমাদের জন্য বিরাট অহংকারের বিষয়।

 

২। [পত্র]                                     

(ক) তোমার এলাকার রাস্তা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি চিঠি লেখো।

            তারিখ : ২৫ জানুয়ারি, ২০১৮

            সম্পাদক

            দৈনিক ‘ক’

            ঢাকা-১১০০।

            বিষয় : সংযুক্ত পত্রটি প্রকাশের জন্য আবেদন।

 

            জনাব,

            আপনার বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের ‘চিঠিপত্র’ বিভাগে ‘রাস্তার সংস্কার চাই’ শিরোনামে লিখিত পত্রটি প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

           

            বিনীত

            আব্দুল্লাহ, বাউনিয়া, ঢাকা

 

রাস্তার সংস্কার চাই

            ঢাকা সেনানিবাসের অন্তর্গত বাউনিয়া থেকে মানিকদি পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তাটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই সড়কটি সরাসরি ঢাকা ও মিরপুর সেনানিবাসের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র পথ। অথচ মূল সড়ক দুটির সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী এই সড়কটি আজও আধা-পাকা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ সড়কটির ওপর দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। দিনের বেলা ব্যাটারিচালিত রিকশা, টেম্পো ও রাতের বেলা বড় বড় ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তাটির অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে এখন রাস্তাটি পরিপূর্ণ। লোকজন বাধ্য হয়ে বিকল্প রাস্তায় অনেক ঘুরে যাতায়াত করে। খুব প্রয়োজন না পড়লে কেউ এই রাস্তা ব্যবহার করে না। রোগী পরিবহনের জন্য অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করার আশা এখন দুরাশা মাত্র। এই রাস্তার পাশে রয়েছে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও গ্রামীণ অফিস। কিন্তু এখান থেকে সেনানিবাসের মূল সড়কে অনুপ্রবেশ করে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা সাধারণ মানুষের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

           

            এ অবস্থায় অতি সত্বর রাস্তাটি সংস্কার করে জনসাধারণের কষ্ট লাঘব করে আবার আগের কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

 

            নিবেদক—

            এলাকাবাসীর পক্ষে

            আব্দুল্লাহ, বাউনিয়া, ঢাকা।

           

২ (খ) ছাত্র কল্যাণ/দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট একখানা দরখাস্ত লেখো।

 

            ২৫ জানুয়ারি ২০১৮

            প্রধান শিক্ষক

            ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয়

            ঢাকা-১২০৬

           

            বিষয় : ছাত্র কল্যাণ/দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য আবেদন।

           

            জনাব,

            সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। গত ৯ বছর ধরে আমি এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছি। আমার বাবা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সামান্য বেতনের চাকরি করলেও এত দিন তিনিই আমাদের চার ভাই-বোনের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করে আসছিলেন। সম্প্রতি বয়সজনিত কারণে তিনি অবসর গ্রহণ করায় আমাদের পরিবারের সব ব্যয়ভারের পর আমার লেখাপড়ার খরচ বহন করা তাঁর জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাই নিরুপায় হয়ে আপনার শরণাপন্ন হয়েছি।

            এখানে উল্লেখ্য যে গত বার্ষিক পরীক্ষায়ও আমি দশম স্থান অধিকার করে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু আর্থিক অনটনের কারণে এখন পর্যন্ত আমি জানুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি।

            অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে আমাদের পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার কথা সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে আমাকে দরিদ্র/ ছাত্র-কল্যাণ তহবিল থেকে মাসিক অর্থ অনুদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন।

 

            বিনীত—

            আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র

            আসিফ

            শ্রেণি : দশম

            বিভাগ : বিজ্ঞান

            ক্রমিক নম্বর ২১০

            ক উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা।

 

৩। (ক) সারাংশ : অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যে বর্তমানই প্রকৃত সময়। অতীত ও ভবিষ্যৎ বর্তমানের বোঝাস্বরূপ। অতীতের ব্যর্থতার জন্য আক্ষেপ করে কিংবা ভবিষ্যতের সাফল্যের স্বপ্নে বিভোর হয়ে বর্তমানকে উপেক্ষা করা উচিত নয়; বরং বর্তমানকে গুরুত্ব দিতে অর্থাৎ কাজে লাগাতে হবে সবচেয়ে বেশি। কারণ বর্তমানের কাজের মধ্যে নিহিত মানুষের ভবিষ্যৎ সুখ ও সমৃদ্ধি। তাই অতীত ও ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা না করে বর্তমানকে নিয়ে দৈনন্দিন জীবন শুরু করা দরকার।

 

৩ (খ) সারমর্ম : গাছপালার কাছে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। কারণ গাছপালা ক্লান্ত-শ্রান্ত পথিককে তার ছায়া দিয়ে, ফল দিয়ে, উপকার করে। কিন্তু অকৃতজ্ঞ মানুষ প্রতিদানে তার শাখা ভেঙে নিলেও সে নীরব ভূমিকা পালন করে। পরের সেবা করেই বৃক্ষের জীবন ধন্য। মানুষেরও উচিত বৃক্ষের এই পরোপকার ও সহনশীলতার আদর্শকে জীবনে অনুসরণ করা। কারণ পরোপকারার্থে আত্মোৎসর্গ করতে পারলেই মানবজীবন ধন্য ও সার্থক হয়।

৪।         [ভাব সমপ্রসারণ]                                          

            ক) প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবণের জনক।

            মূলভাব : প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবেই মানুষ নানা ধরনের জিনিস আবিষ্কার বা উদ্ভাবণ করে চলেছে। প্রয়োজনের যেমন শেষ নেই, তেমনি উদ্ভাবণেরও শেষ নেই। সভ্যতার ক্রমবিকাশের ধারায় মানুষ আবিষ্কার করে চলেছে নিত্যনতুন দ্রব্য।

           

            সমপ্রসারিত ভাব : নতুন নতুন দ্রব্য আবিষ্কার করে মানুষ তার চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে। প্রয়োজন থেকেই জন্ম নিচ্ছে আবিষ্কারের চিন্তা। একসময় মানুষ গুহায় বাস করত। তারা ধাতুর ব্যবহার জানত না, আগুনের ব্যবহার জানত না। খাদ্যের প্রয়োজনে তারা যখন পশু শিকার করতে গেল, তখন ধারাল অস্ত্রের প্রয়োজন হলো। তাই তারা পাথর খণ্ড দিয়ে অস্ত্র বানাতে শিখল। একসময় মানুষ কাঁচা মাংস খেত। কিন্তু তারা যখন তা সিদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করল, তখন তারা পাথরে পাথরে ঘর্ষণ দিয়ে আগুনের উদ্ভাবন করল। এভাবে সভ্যতার ক্রমবিকাশের ধারায় মানুষ কত কিছুই না উদ্ভাবন করেছে। মানবসভ্যতার সে ঊষালগ্ন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যত আবিষ্কার হয়েছে, যদি তার একটা খতিয়ান তুলে ধরা হয়, তা হবে অনেক দীর্ঘ। তবু মানুষ বসে নেই। নিজের প্রয়োজন মেটানার জন্য, আরাম-আয়েশের জন্য, সময়কে বাঁচানোর জন্য, শ্রম বাঁচানোর জন্য, বিনোদনের জন্য একের পর এক নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করে চলেছে। পথের দূরত্বকে অতিক্রম করার জন্য মানুষ ঘোড়া, হাতি, উট ইত্যাদির ওপর নির্ভর করত। কিন্তু অধিকতর প্রয়োজনের কথা ভেবে আবিষ্কার করল বাষ্পীয় ইঞ্জিন। তারপর একে একে আবিষ্কার করল বিদ্যুৎ, উড়োজাহাজ, রেডিও, চলচ্চিত্র, গ্রামোফোন, পেনিসিলিন, টেলিফোন, টেলিভিশন, স্যাটেলাইট আরো কত কিছু। প্রতিটি আবিষ্কারের পেছনেই কাজ করেছে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত প্রয়োজনীয়তা। প্রাচীনকালের রাজা-বাদশারা যুদ্ধে ঢাল-তলোয়ার, হাতি-ঘোড়া ব্যবহার করত। কিন্তু এখন তা হয় না। এখন ব্যবহার হয় কামান, বন্দুক, ট্যাঙ্ক, সাবমেরিন, রকেট, শেল, মিসাইল ইত্যাদি। মানুষের জীবনযাপনের ধরন যেমন দ্রুত পাল্টাচ্ছে তেমনি মানুষ নতুন নতুন জিনিসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। আর এ থেকেই সে উদ্ভাবণ করে নিচ্ছে চাহিদামতো নতুন জিনিস। এ চাহিদা কখনো শেষ হবে না। তাই উদ্ভাবণের ধারা আজীবন অব্যাহত থাকবে।

 

            মন্তব্য : মানুষ অস্তিত্বের সংগ্রামে টিকে থাকার জন্য, আরাম-আয়েশের জন্য, সুখের জন্য নিরন্তর বিভিন্ন জিনিস উদ্ভাবণ করছে। যদি মানুষ প্রয়োজনীয়তা অনুভব না করত তাহলে উদ্ভাবণ হতো না, জীবনযাত্রাও এতটা সহজ হতো না। তাই স্বীকার করতেই হয়, প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবণের জনক।

 

বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (৩০)

 

১।         ‘সিংহপুরুষ’ কোন সমাস?      

            (ক) মধ্য পদলোপী কর্মধারয় (খ) উপমান কর্মধারয়

            (গ) উপমিত কর্মধারয়           (ঘ) রূপক কর্মধারয়

২।         কারক-বিভক্তিযুক্ত পদ বা অসমাপিকা ক্রিয়াপদ বাক্যে কোথায় বসে?      

            (ক) বাক্যের আগে   (খ) বাক্যের শেষে

            (গ) বিশেষণের পরে             (ঘ) বিশেষণের আগে

৩।         ব্যাপ্তি অর্থে অনুসর্গের ব্যবহার কোনটি?                

            (ক) এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল

            (খ) আছ তুমি প্রভু জগৎ মাঝারে

            (গ) এ জন্মের তরে বিদায় নিলাম

            (ঘ) শরতের পরে আসে বসন্ত

৪।  কোনটির লিঙ্গান্তর হয় না?

            (ক) বেয়াই           (খ) সাহেব (গ) কবিরাজ        (ঘ) রজক

৫।         ‘যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে’—বাক্যটি গঠন অনুসারে—          

            (ক) সরল বাক্য                  (খ) জটিল বাক্য

            (গ) যৌগিক বাক্য    (ঘ) আশ্রিত খণ্ডবাক্য

৬।         ‘কাট্’ ধাতুর সংস্কৃত ধাতু কী?  

            (ক) কৃৎ   (খ) ক্রী (গ) কৃ       (ঘ) কথ্

৭।         কোন বাক্যে অসমান কর্তা আছে?          

            (ক) সে যেতে যেতে থেমে গেল

            (খ) তোমরা বাড়ি এলে আমি রওনা হব

            (গ) এমন চাওয়া চাইতে নেই (ঘ) বালিকাটি গান করে চলে গেল

৮।         ‘পাতিসনে শিলাতলে পদ্মপাতা’—এ বাক্যে বর্তমানের অনুজ্ঞা কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?           

            (ক) উপদেশ  (খ) আদেশ

            (গ) অনুরোধ (ঘ) প্রার্থনা

৯।         ‘চিহ্ন’ অর্থে ‘অঙ্ক’ শব্দের বিশেষ প্রয়োগ কোনটি?    

            (ক) পদাঙ্ক অনুসরণ করো       (খ) ষষ্ঠ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যটি খুব করুণ

            (গ) টাকার অঙ্ক কত হবে?       (ঘ) অঙ্কটা কষ

১০।       ‘টুট্’ এই বিদেশি ধাতুটি বাংলা ভাষায় কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়? 

            (ক) নষ্ট হওয়া                    (খ) ঝোলানো

            (গ) ছিন্ন হওয়া       

            (ঘ) সিক্ত হওয়া

১১।       নিচের কোন বাক্যে শব্দের অর্থান্তর প্রাপ্তি হয়েছে?     

            (ক) ছাত্রটির মাথা ভালো        (খ) ইনি আমার বৈবাহিক

            (গ) জ্যাঠামি করো না            (ঘ) মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে তত্ত্ব পাঠানো হয়েছে

১২।       ‘সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়’—উদাহরণটি কোন বর্তমান কালের?      

            (ক) সাধারণ

            (খ) ঘটমান

            (গ) নিত্যবৃত্ত

            (ঘ) পুরাঘটিত

১৩। কোন বাক্যে ব্যতিহার কর্তা রয়েছে? 

            (ক) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন

            (খ) বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়

            (গ) রাখাল গুরুর পাল লয়ে যায় মাঠে

            (ঘ) তোমাকে পড়তে হবে

১৪।       ‘সমুদ্র’ শব্দের প্রতিশব্দ—        

            (ক) সলিল            (খ) জলধি (গ) তটিনী           (ঘ) সরিৎ

১৫।       ভাব বাচ্যের বাক্যকে কর্তৃবাচ্যে রূপান্তরিত করলে কর্তায় কোন বিভক্তি হয়?           

            (ক) প্রথমা           

            (খ) দ্বিতীয়া

            (গ) তৃতীয়া                        (ঘ) ষষ্ঠী

১৬।       নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি?       

            (ক) পাবক                        (খ) গবাক্ষ

            (গ) সুবন্ত             (ঘ) তন্বী

১৭। কোনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ?   

            (ক) শুনিয়া>শুনে                 (খ) ফ্লাগুন>ফাগুন

            (গ) লাফ>ফাল                   (ঘ) লাল>নাল

১৮।       ‘প্রয়োগ বৈশিষ্ট্যে সকর্মক ক্রিয়াও অকর্মক হতে পারে’ — এর উদাহরণ কোনটি?       

            (ক) আমি রাতে খাব না

            (খ) ছেলেটা কথা শোনে না

            (গ) আকাশে চাঁদ দেখি না

            (ঘ) বাবাকে আমার খুব ভয় করে

১৯।       শিক্ষক বললেন, ‘তোমরা কি ছুটি চাও?’—এর পরোক্ষ উক্তি কী হবে?      

(ক) শিক্ষক জানতে চাইলেন যে তোমরা কি ছুটি চাও

(খ) আমরা ছুটি চাই কি না শিক্ষক তা জিজ্ঞাসা করলেন

(গ) শিক্ষক জানতে চাইলেন আমরা কি ছুটি চাই

(ঘ) আমরা ছুটি চাই কি না শিক্ষক প্রশ্ন করলেন

২০।       উচ্চারণের দিক দিয়ে নিম্নাবস্থিত পশ্চাৎ স্বরধ্বনি নিচের কোনটি?

            (ক) অ    (খ) ও (গ) উ         (ঘ) ঐ

২১। কোন গুচ্ছের সব ধাতু অসম্পূর্ণ?      

            (ক) ্রআ, ্রবট্, ্রশিখ্, ্রযা

            (খ) ্রআছ্, ্রতা, ্রশিখ্, ্রযা

            (গ) ্রআ, ্রআছ্, ্রথাক্, ্রবট্

            (ঘ) ্রথাক্, ্রবট্, ্ররহ্, ্রআ,

২২।       ‘মুক্তি’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি?  

            (ক) ্রমুচ্ + ক্তি                (খ) ্রমুক্ + তি

            (গ) ্রমুচ্ + তি                 (ঘ) ্রমু + ক্তি

২৩।       সামান্যতা বোঝাতে নিচের কোন দ্বিরুক্তিটি হয়েছে?   

            (ক) আজ আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি

            (খ) তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ

            (গ) তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই (ঘ) ও দাদা দাদা বলে কাঁদছে

২৪।       একাধিকবার একই একক গণনা করলে যে সমষ্টি পাওয়া যায়, তাকে বলে—

            (ক) পরিমাণবাচক সংখ্যা        (খ) অঙ্কবাচক সংখ্যা

            (গ) পূরণবাচক সংখ্যা           (ঘ) তারিখবাচক সংখ্যা

২৫।       বাক্যের ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে, ওই কর্মপদকে বলে—

            (ক) দ্বিকর্মক ক্রিয়া   (খ) গৌণ কর্ম

            (গ) সমধাতুজ ধর্ম    (ঘ) মুখ্য কর্ম

২৬।       ভাষার মূল উপাদান কী?        

            (ক) অক্ষর            (খ) শব্দ (গ) ধ্বনি   (ঘ) বাক্য

২৭।       বিশেষ নিয়মে সাধিত ‘বহু বচনে’ নিচের কোন বাক্যটিতে নির্দেশ করে?    

            (ক) সকলে সব জানে না        (খ) পোকার আক্রমণে ফসল নষ্ট হয়

            (গ) মানুষেরা মরণশীল

            (ঘ) ঘরে বহু মেহমান এসেছে

২৮।       একটি অপূর্ব বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন বসবে?        

            ক) ড্যাস 

            খ) কোলন

            গ) সেমিকোলন      

            ঘ) পূর্ণচ্ছেদ

২৯।       বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে কোন পদাশ্রিত নিদের্শক ব্যবহৃত হয়?       

            (ক) পাটি             (খ) গাছা (গ) টুকু  

            (ঘ) গোটা

৩০।       ‘সূক্ষ’ শব্দের বানানে যুক্ত বর্ণগুলো কী?

            (ক) ক্+ষ্+অ       

            (খ) ক্+খ+অ

            (গ) ক্+ষ্+ণ-ফলা   (ঘ) ক্+ষ্+ম-ফলা

 

বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর

১. গ ২. ঘ ৩. খ ৪. গ ৫. খ ৬. ক ৭. খ ৮. ক ৯. খ ১০. গ ১১. ঘ ১২. গ ১৩. খ ১৪. খ ১৫. ক ১৬. খ ১৭. গ ১৮. ক ১৯. খ ২০. ক ২১. গ ২২. ক ২৩. ক ২৪. ক ২৫. গ ২৬. গ ২৭. ক ২৮. খ ২৯. গ ৩০. গ।

 

 

এসএসসির বাংলা দ্বিতীয় পত্রের রচনামূলক প্রশ্নের উত্তরের বাকি অংশ আগামী সংখ্যায়


মন্তব্য