kalerkantho


কোনো কোনো অধ্যায় থেকে একাধিক প্রশ্ন থাকবে

ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা

খোদেজা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক, মাইলস্টোন কলেজ, উত্তরা, ঢাকা   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



কোনো কোনো অধ্যায় থেকে একাধিক প্রশ্ন থাকবে

বহু নির্বাচনী অংশে আগে জানা উত্তরগুলোর বৃত্ত ভরাট করবে। অঙ্কসংশ্লিষ্ট উত্তরগুলো পরে দেবে। সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে ১১টি। এ অংশে উত্তর দেওয়ার আগে উদ্দীপক ও প্রশ্ন ভালো করে পড়ে নেবে। মূল শব্দগুলো আন্ডারলাইন করে তারপর উত্তর লেখার চেষ্টা করবে। প্রশ্নে যা চাওয়া হয়েছে, তা বুঝে উত্তর দিতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা বর্জন করতে হবে। ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য পাঠ্য বই ভালোভাবে পড়তে হবে।

 

গুরুত্বপূর্ণ টপিকস

প্রথম পত্র (ফিন্যান্স) :

► প্রথম অধ্যায়ের থিউরিভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য অর্থায়নের গুরুত্ব, নীতিমালা, কার্যাবলি, সম্পদ ও মুনাফা সর্বাধিকরণ গুরুত্ব সহকারে পড়তে হবে এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ের ব্যবসায়সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে—এগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।

► তৃতীয় অধ্যায় থেকে নবম অধ্যায় পর্যন্ত সব অধ্যায়ে অঙ্ক আছে, তাই অঙ্কের সূত্রগুলো বারবার পড়তে হবে। প্রতিদিন কিছু কিছু অঙ্কের অনুশীলন করতে হবে।

প্রশ্নের ধরন বুঝে অঙ্ক করতে হবে এবং যে অঙ্ক চাওয়া হয়েছে, শুধু তাই করবে। অঙ্কে সিদ্ধান্ত, মন্তব্য বা মূল্যায়ন জানতে চাইলে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবে বা সিদ্ধান্ত লিখতে হবে। সূত্রের ব্যাখ্যা বা সাইড নোট লেখা আবশ্যক, তা না হলে নম্বর কম আসবে। অঙ্ক ঠিকঠাক করতে পারলে বেশি নম্বর তোলা যাবে। তাই অঙ্কের উত্তরগুলো যেন ভুল না হয়। অঙ্কের জন্য ক্যালকুলেটর নিয়ে যাবে।

► কোনো কোনো অধ্যায় থেকে পরীক্ষায় একাধিক প্রশ্ন থাকবে। সব অধ্যায়ের থিউরি ভালোভাবে পড়বে। বাসায় প্রতিদিন জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর অনুশীলন করবে।

► থিউরি প্রশ্নের জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর চিন্তন দক্ষতার প্রতিটি অংশের উত্তরে ঠিকভাবে উপস্থাপনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

দ্বিতীয় পত্র (ব্যাংকিং ও বীমা) :

► ব্যাংকিং অংশে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথম অধ্যায়—ব্যাংক ব্যবস্থার প্রাথমিক ধারণা, দ্বিতীয় অধ্যায়—কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তৃতীয় অধ্যায়—বাণিজ্যিক ব্যাংক, চতুর্থ অধ্যায়—ব্যাংক হিসাব, সপ্তম অধ্যায়—ব্যাংক তহবিলের ব্যবহার, অষ্টম অধ্যায়—বৈদেশিক বিনিময়, বীমা অংশে দশম অধ্যায়—বীমা সম্পর্কে মৌলিক ধারণা, ১১তম অধ্যায়—জীবন বীমা, ১২তম অধ্যায়—নৌ বীমা, ১৩তম অধ্যায়—অগ্নিবীমা ইত্যাদি ভালোভাবে পড়তে হবে।

► বহু নির্বাচনী প্রশ্ন, জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রতিটি অধ্যায় ভালোভাবে পড়তে হবে।

► ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলনীতি, ঋণ আমানত সৃষ্টি, ব্যাংক হিসাবের শ্রেণিবিভাগ, হিসাব খোলার পদ্ধতি, হিসাব খোলার বিবেচ্য বিষয়, হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিলের প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য, ব্যাংক তহবিলের প্রকারভেদ, ঋণের শ্রেণিবিভাগ, জামানতের প্রকারভেদ, বৈদেশিক বিনিময় হার নির্ধারণ পদ্ধতি, বৈদেশিক বিনিময়ের মাধ্যম, প্রত্যয়পত্রের প্রকারভেদ এবং ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে পড়তে হবে।

► বীমা অংশে বীমার প্রকারভেদ, বীমার অপরিহার্য উপাদান, জীবন বীমার অপরিহার্য উপাদান, প্রকারভেদ, জীবন বীমার চুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়া, দাবি আদায় পদ্ধতি, নৌ বীমার প্রকারভেদ, সামুদ্রিক ক্ষতি প্রকারভেদ, নৌ বিপদের শ্রেণিবিভাগ, অগ্নিবীমার প্রকারভেদ, ঝুঁকির প্রকারভেদ, দাবি আদায় পদ্ধতি, ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমা ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে পড়তে হবে।


মন্তব্য