kalerkantho


এইচএসসি প্রস্তুতি : বিষয়ভিত্তিক পরামর্শ

বহু নির্বাচনীর ৩০টি প্রশ্নের মধ্যে ১২টি জ্ঞানমূলক

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বহু নির্বাচনীর ৩০টি প্রশ্নের মধ্যে ১২টি জ্ঞানমূলক

এ বিষয়ে ভালো করতে হলে অধ্যায়ভিত্তিক মৌলিক বিষয়বস্তুগুলো ভালোভাবে বুঝতে হবে। বহু নির্বাচনীর জন্য বিভিন্ন অধ্যায়ের খুঁটিনাটি বিষয়বস্তু জানতে হবে। বিভিন্ন কলেজের নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্ন ও বিগত বছরের বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন দেখলে ভালো করতে পারবে। বহু নির্বাচনীর ৩০টি প্রশ্নের মধ্যে ১২টি জ্ঞানমূলক এবং ৯টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন থাকে। এ ছাড়া প্রয়োগমূলক ৬টি ও উচ্চতর দক্ষতামূলক ৩টি অভিন্ন তথ্যভিত্তিক থাকে। এগুলোর উত্তর করার আগে উদ্দীপক ভালোভাবে পড়ে নেবে।

সৃজনশীল অংশে ভালো করতে হলে উত্তর সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। জ্ঞান ও অনুধাবনমূলকে পুরো নম্বর পাওয়ার জন্য জ্ঞানমূলক অংশে প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক সংজ্ঞা বা তথ্য লিখতে হবে।   অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর সর্বোচ্চ ৬টি বাক্যে লেখা ভালো। উদ্দীপকনির্ভর প্রশ্নে (গ ও ঘ অংশ) যে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় তা উদ্দীপক অনুযায়ী উপস্থাপন করবে। (গ অংশের ক্ষেত্রে) প্রয়োগমূলক প্রশ্নের জ্ঞান চিহ্নিত করে তার ব্যাখ্যা দেবে।

এরপর ৩ নম্বর প্যারায় উদ্দীপকের ক্লু অনুযায়ী কারণ উপস্থাপন করবে। উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নে একই উপায়ে প্রথমে প্রশ্নের মূল উত্তর এবং তারপর এর ব্যাখ্যা করবে। এরপর উদ্দীপক অনুযায়ী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন, বিচার-বিশ্লেষণ ও মতামত তুলে ধরতে হবে। আর এই দুই অংশের উত্তর অবশ্যই উদ্দীপককে সামনে রেখে বা হাইলাইট করে লিখতে হবে।

 

গুরুত্বপূর্ণ টপিক

 

প্রথম পত্র

প্রথম অধ্যায় : বাণিজ্য ও শিল্পের প্রকারভেদ, প্রত্যক্ষ সেবা ও সামাজিক ব্যবসায়।

দ্বিতীয় অধ্যায় : ব্যবসায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান।

তৃতীয় অধ্যায় : একমালিকানা ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য ও টিকে থাকার কারণ।

চতুর্থ অধ্যায় : অংশীদারি ব্যবসায়ের প্রকারভেদ, অংশীদারের প্রকারভেদ, অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি ও নিবন্ধন না করার পরিণাম।

পঞ্চম অধ্যায় : কম্পানি সংগঠনের শ্রেণিবিভাগ, গঠন প্রণালী, শেয়ার ও ঋণপত্রের প্রকারভেদ, সাম্প্রতিক কালের ব্যবসায়।

ষষ্ঠ অধ্যায় : সমবায় সমিতির বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ ও নীতিমালা।

সপ্তম অধ্যায় : রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় থেকে বিভিন্ন সেক্টর, করপোরেশন ও পিপিপি।

অষ্টম অধ্যায় : ব্যবসায়ের আইনগত দিক থেকে পেটেন্ট, কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক, আইএসও ও বিএসটিআই।

নবম অধ্যায় : সহায়ক সেবার ধরন ও উৎস ভালোভাবে পড়তে হবে। ব্যবসায়ে সহায়তা দানকারী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।

দশম অধ্যায় : ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য, সফল উদ্যোক্তার গুণাবলি, আত্মকর্মসংস্থান এবং নারী উদ্যোক্তা।

একাদশ অধ্যায় : ই-বিজনেস, ই-কমার্স, ই-রিটেইলিং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড। ই-কমার্সের ধরন ও মোবাইল ব্যাংকিং।

দ্বাদশ অধ্যায় : ব্যবসায় নৈতিকতা ও ব্যবসায় মূল্যবোধ, ব্যবসায়ের সামাজিক দায়বদ্ধতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবসায়।

[ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা, অংশীদারি, যৌথ মূলধনী ব্যবসায় ও ব্যবসায়ের আইনগত দিক—এসব অধ্যায়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত]

 

দ্বিতীয় পত্র

প্রথম অধ্যায় : ব্যবস্থাপনার ধারণা—ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন স্তর,  ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি, ব্যবস্থাপনা চক্র।

দ্বিতীয় অধ্যায় : ব্যবস্থাপনার নীতিমালা থেকে সব সময় প্রশ্ন থাকে। তাই হেনরি ফেয়ল প্রদত্ত ১৪টি নীতিমালা ভালোভাবে পড়তে হবে। আদর্শ ব্যবস্থাপকের দক্ষতা।

তৃতীয় অধ্যায় : উত্তম পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য, পরিকল্পনার প্রকারভেদ ও পরিকল্পনা প্রণয়নের ধাপ।

চতুর্থ অধ্যায় : সংগঠনের নীতিমালা, সংগঠন কাঠামোর প্রকারভেদ গুরুত্ব সহকারে অধ্যয়ন করতে হবে।

পঞ্চম অধ্যায় : প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি, কর্মী সংগ্রহের উৎস, কর্মী নির্বাচন পদ্ধতি।

ষষ্ঠ অধ্যায় : নেতৃত্বের প্রকারভেদ, পরামর্শমূলক নির্দেশনা।

সপ্তম অধ্যায় : প্রেষণাদানের উপায়, প্রেষণা চক্র, প্রেষণার তত্ত্ব (আব্রাহাম মাসলো ও হার্জবার্গ)।

অষ্টম অধ্যায় : যোগাযোগের প্রকারভেদ ও ব্যবসায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার।

নবম অধ্যায় : সমন্বয়ের নীতিমালা

দশম অধ্যায় : নিয়ন্ত্রণের কৌশল, নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ এবং নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা।


মন্তব্য