kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী : বাংলা

অনুচ্ছেদ

লুত্ফা বেগম, সিনিয়র শিক্ষক বিএএফ শাহীন কলেজ কুর্মিটোলা, ঢাকা   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



দেখে এলাম নায়াগ্রা

বিশ্ব ভূমণ্ডল বড়ই বিচিত্র। নায়াগ্রা একেবারে ভিন্ন রকমের জলপ্রপাত।

দেখে মনে হয় পানি বিশাল ফাটলের মধ্যে পড়ছে।

মূলভাব : পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় আর ভিন্ন রকমের জলপ্রপাত হলো নায়াগ্রা। ভিন্ন এ কারণে যে এই জলপ্রপাত পাহাড় থেকে নামেনি। সমতলের ওপর দিয়ে একটি খরস্রোতা নদী বইছে, কিন্তু নদীটি কিছুই ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে না। কারণ নদীটি যেখানে প্রবাহিত হচ্ছে, সেখানে এক বিশাল ফাটল। দুই দিকের মাটির মধ্যে এক বিরাট ফাঁক। নায়াগ্রার জল ওই ফাঁকের মধ্য দিয়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু কোথায় যে যাচ্ছে তা জানা যায়নি বলেই এটা ভিন্ন রকমের জলপ্রপাত।

 ভাবুক ছেলেটি

বাবার দেশের বাড়ি বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে। ছেলেটির জন্ম কিন্তু ময়মনসিংহে, ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর। ওর পড়াশোনার হাতেখড়ি হয়েছিল বাড়িতেই। তারপর প্রাথমিক স্কুলে এবং ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে শিক্ষার ধাপ পার হলে সে ভর্তি হয় কলকাতায়। সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে ১৮৭৪ সালে সে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কৃতিত্বের ধারায় সে ১৮৭৮ সালে এফএ এবং ১৮৮০ সালে বিজ্ঞান শাখায় বিএ পাস করে বিলেতে যায় ডাক্তারি পড়তে। সেই ছেলেটি বড় হয়ে প্রথম বাঙালি বৈজ্ঞানিক হিসেবে জগদ্বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। তোমরা অনেকেই হয়তো বুঝে ফেলেছ কে তিনি। হ্যাঁ, সেদিনকার সেই ভাবুক ছেলেটিই উত্তরকালের ‘স্যার জগদীশচন্দ্র বসু’।

মূলভাব : জগদীশচন্দ্র বসু ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক স্কুল এবং ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে শিক্ষার ধাপ পার করে তিনি কলকাতায় ভর্তি হন। ১৮৭৪ সালে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে প্রবেশিকা, ১৮৭৮ সালে এফএ এবং ১৮৮০ সালে বিজ্ঞান শাখায় বিএ পাস করে বিলেতে যান ডাক্তারি পড়তে। প্রথম বাঙালি বৈজ্ঞানিক হিসেবে যিনি জগদ্বিখ্যাত হয়ে ওঠেন, তিনিই হলেন ‘স্যার জগদীশচন্দ্র বসু’।


মন্তব্য