kalerkantho


পঞ্চম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

তাহেরা বিনতে রহমান, সিনিয়র শিক্ষক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বেইলি রোড, ঢাকা   

২৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



 

১।    বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন কে?

     উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন।

২।    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে কে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন?

     উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

৩।    বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?

     উত্তর : বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।

৪।    মুক্তিযুদ্ধে অস্থায়ী সরকারের ভূমিকা কী ছিল?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, দেশে-বিদেশে এই যুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে অস্থায়ী সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৫।    কখন মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুজিবনগর সরকারের উদ্যোগে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়।

৬।    মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?

     উত্তর : মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।

৭।    মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?

     উত্তর : মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

৮।    মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনী প্রধান ছিলেন লে. কর্নেল আবদুর রব।

৯।    মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সারা বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

১০।   চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী মুক্তিযুদ্ধে কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

     উত্তর : চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী মুক্তিযুদ্ধে ১ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।

১১।   ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল বাদে সমগ্র রংপুর জেলা ও ঠাকুরগাঁও মুক্তিযুদ্ধে কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

     উত্তর : ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ছাড়া সমগ্র রংপুর জেলা ও ঠাকুরগাঁও মুক্তিযুদ্ধে ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।

১২।   মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে কয়টি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল।

১৩।   ‘জেড ফোর্সের’ অধিনায়ক কে ছিলেন?

     উত্তর : ‘জেড ফোর্সের’ অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

১৪।   ‘এস ফোর্সের’ অধিনায়ক কে ছিলেন?

     উত্তর : মেজর কে এম সফিউল্লাহ ‘এস ফোর্সের’ অধিনায়ক ছিলেন।

১৫।   ‘কে ফোর্সের’ অধিনায়ক কে ছিলেন?

     উত্তর : মেজর খালেদ মোশাররফ ছিলেন ‘কে ফোর্সের’ অধিনায়ক।

১৬।   মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে কী গঠিত হয়?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে গঠিত হয় বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স বা বিএলএফ।

১৭।   মুক্তিবাহিনী কিভাবে গড়ে উঠেছিল?

     উত্তর : সামরিক ও বেসামরিক জনগণের মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তিবাহিনী গড়ে উঠেছিল।

১৮।   ‘মুক্তিফৌজ’ কী?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি সামরিক অফিসার ও সৈন্যদের নিয়ে গঠিত বাহিনীই হলো ‘মুক্তিফৌজ’।

১৯।   মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধকৌশল কী ছিল?

     উত্তর : গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখযুদ্ধ ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রধান যুদ্ধকৌশল।

২০।   মুক্তিযুদ্ধের সময় কিভাবে সাধারণ মানুষ মুক্তিবাহিনীকে লড়াই চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছিল?

     উত্তর : থাকা-খাওয়া, তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য দিয়ে সাধারণ মানুষ মুক্তিবাহিনীকে লড়াই চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

২১।   মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীর সংখ্যা কত ছিল?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটির বেশি মানুষ ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়।

২২।   মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে গঠিত পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী সংগঠনগুলোর নাম কী?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে গঠিত পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী সংগঠনগুলো হলো—শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর ও আলশামস।

২৩।   ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয় কত তারিখে?

     উত্তর : প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।

২৪।   মুক্তিযুদ্ধ প্রবল আকার ধারণ করে কখন?

     উত্তর : ১৯৭১ সালের নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসের দিকে মুক্তিযুদ্ধ প্রবল আকার ধারণ করে।

২৫।   মুক্তিযুদ্ধের শরণার্থীদের ভারত সরকার কিভাবে সাহায্য করে?

     উত্তর : প্রাণভয়ে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের ভারত সরকার খাদ্য, বস্ত্র, আশ্রয় ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে সাহায্য করে।

২৬।   যুদ্ধকালীন ভারতীয় সহায়তাকারী বাহিনীকে কী বলা হতো?

     উত্তর : যুদ্ধকালীন ভারতীয় সহায়তাকারী বাহিনীকে মিত্রবাহিনী বলা হতো।

২৭।   যৌথ বাহিনী কিভাবে গঠন করা হয়?

     উত্তর : মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর যৌথ বাহিনী গঠন করা হয়।

২৮।   পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করে কখন?

     উত্তর : পাকিস্তান ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করে।

২৯।   মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?

     উত্তর : মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান বাহিনীর প্রধান ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজি।

৩০।   যৌথ বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?

     উত্তর : লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ছিলেন যৌথ বাহিনীর প্রধান।

৩১।   কত তারিখ আমরা বিজয় দিবস পালন করি?

     উত্তর : প্রতিবছর ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় দিবস পালন করি।

৩২।   মুক্তিযুদ্ধে কত লাখ মানুষ প্রাণ হারায়?

     উত্তর : প্রায় ৩০ লাখ মানুষ।


মন্তব্য