• ই-পেপার

এইচএসসি : বাংলা দ্বিতীয় পত্র প্রশ্নপত্র নির্দেশনা ও নমুনা

সপ্তম শ্রেণি : সমানুপাত ও লাভ-ক্ষতি

সাধন সরকার, সহকারী শিক্ষক, লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

সপ্তম শ্রেণি : সমানুপাত ও লাভ-ক্ষতি

গণিত

দ্বিতীয় অধ্যায় (অনুশীলনী-২.১)

[পূর্বপ্রকাশের পর]

বহু নির্বাচনী প্রশ্ন

   নিচের তথ্যের আলোকে ১৪ থেকে ১৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :

   শিক্ষক একটি শ্রেণিতে কোয়েল ও দোয়েল শাখার ৩৫ জন ও ৩০ জন শিক্ষার্থীর সংখ্যার অনুপাতে ২৬০টি চকোলেট সমভাবে বণ্টন করে দিলেন।

১৪।      শাখা দুটির শিক্ষার্থীর অনুপাত কত?

   ক. ৭ : ৬     খ. ১০ : ৭  

   গ. ৫ : ৫     ঘ. ৮ : ৭

১৫।      দোয়েল শাখায় কতটি চকোলেট দিলেন?

   ক. ১২০ খ. ৬০  

   গ. ৯০  ঘ. ১৩০

১৬।      কোয়েল শাখায় প্রতি শিক্ষার্থী কয়টি করে চকোলেট পেল?

   ক. ৫         খ. ৪ 

   গ. ৬         ঘ. ৮

১৭।      ৫, ১০, ৮-এর চতুর্থ সমানুপাতী কত?

   ক. ১৬  খ. ১২ 

   গ. ১৩  ঘ. ১৫

১৮।      ৫ : ৮ :: ১২ : ২৩ দুইটি অনুপাত। এদেরকে কী ধরনের অনুপাত বলে?

   ক. ধারাবাহিক

   খ. সমানুপাত

   গ. ক্রমিক সমানুপাত     ঘ. ব্যস্তানুপাত

১৯।      ৫ : ৮-এর ব্যস্তানুপাত কত?

   ক. ৪০ : ৮    খ. ৫ : ৮

   গ. ৮ : ৫     ঘ. ৫ : ৯

 

উত্তর : ১৪. ক ১৫. ক ১৬. খ ১৭. ক ১৮. খ ১৯. গ।

পঞ্চম শ্রেণি : বয়ঃসন্ধিকাল

সোনিয়া আক্তার, সহকারী শিক্ষক, ধামদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

পঞ্চম শ্রেণি : বয়ঃসন্ধিকাল

প্রাথমিক বিজ্ঞান

চতুর্থ অধ্যায়

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১।           বয়ঃসন্ধিকাল কাকে বলে?

  উত্তর : জীবনের যে পর্যায়ে একজন মানুষ নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাল্যকাল থেকে কৈশরে পা রাখে, মানবজীবনের সেই পর্যায়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। 

২।           জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
কোনটি?

  উত্তর : জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বয়ঃসন্ধিকাল।

৩।           কত বছর বয়সে মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয়?

  উত্তর : মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল ৮ থেকে ১৩ বছর বয়সে শুরু হয়।

৪।           কত বছর বয়সে ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয়?

  উত্তর : ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকাল ৯ থেকে ১৫ বছর বয়সে শুরু হয়।

৫।           বয়ঃসন্ধিকালের দুটি শারীরিক পরিবর্তন লেখ।

  উত্তর : বয়ঃসন্ধিকালের দুটি শারীরিক পরিবর্তন হলো—

  i. শরীর দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

  ii. শরীরের গঠন পরিবর্তন হয়।

৬।           বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের দুটি শারীরিক পরিবর্তন লেখ।

  উত্তর : বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের দুটি শারীরিক পরিবর্তন হলো—

  i. দাড়ি, গোঁফ গজাতে থাকে।

  ii. গলার স্বর মোটা ও ভারী হতে থাকে।

৭।           বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের যত্ন নেওয়ার দুটি উপায় লেখ।

  উত্তর : বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের যত্ন নেওয়ার দুটি উপায় হলো—

  i. পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকা।

  ii. নিরাপদ পানি পান, সুষম ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা।

৮।           জাংকফুড মানবদেহের কী ক্ষতি করে?

  উত্তর : জাংকফুড গ্রহণে শরীরের স্থূলতা, হৃৎপিণ্ডের রোগ, অল্প বয়সে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

এইচএসসির প্রস্তুতি : হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল

মো. রবিউল আউয়াল, প্রভাষক, ফিন্যান্স বিভাগ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা

এইচএসসির প্রস্তুতি : হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল
অলংকরণ : শেখ মানিক

ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র

পঞ্চম অধ্যায়

সৃজনশীল প্রশ্ন

১।  সামি ৫০,০০০ টাকার মাল বিক্রয় করেছেন। ক্রেতা রাফি ১ মাস পর টাকা দিতে চান। সামি বললেন, আপনি স্ট্যাম্পযুক্ত একটি কাগজে ১ মাস পর আমাকে টাকা দেবেন এটি লিখে দেন। অন্যদিকে সামি, রাসেল থেকে নিজেই ৭০,০০০ টাকার মাল কিনেছেন। এক মাস পর টাকা দিতে চাইলে রাসেল বললেন, আমি স্ট্যাম্পযুক্ত সাদা কাগজে একটি দলিল তৈরি করে দিই, আপনি তাতে ‘স্বীকৃত’ লিখে স্বাক্ষর করবেন। সামি স্বাক্ষর কেন করতে হবে, এ নিয়ে ভাবছেন।

ক. পে-অর্ডার কী?

খ. হস্তান্তরযোগ্য দলিলকে প্রামাণ্য দলিল বলা হয় কেন?

গ. রাফি প্রদত্ত দলিলটি কোন ধরনের হস্তান্তরযোগ্য দলিল? ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর

ক. যে পত্রের মাধ্যমে ব্যাংকের কোনো শাখার প্রাপককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা দেয়, তাকে পে-অর্ডার বলে।

খ. সাধারণভাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরিত হয় এমন দলিলকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা হয়।

   ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত আর্থিক লেনদেন সম্পাদিত হয়। এসব আর্থিক লেনদেনের জটিলতা নিরসনে অনেক সময় প্রতিষ্ঠানকে আইনের আশ্রয় নিতে হয়। আইনের দৃষ্টিতে হস্তান্তরযোগ্য দলিলগুলো প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ জন্যই হস্তান্তরযোগ্য দলিলকে প্রামাণ্য দলিল বলা হয়ে থাকে।

গ. উদ্দীপকে রাফি প্রদত্ত দলিলটি একটি অঙ্গীকারপত্র।

   কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট দলিলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের শর্তহীন অঙ্গীকার প্রদান করে অঙ্গীকারপত্রের মাধ্যমে।

   উদ্দীপকে রাফির কাছে সামি ৫০,০০০ টাকার পণ্য বিক্রয় করেছেন। এ ক্ষেত্রে রাফি এক মাস পর অর্থ পরিশোধ করতে চাইলে সামি রাফির কাছে স্ট্যাম্পযুক্ত লিখিত দলিল চান। এটি একটি অঙ্গীকারপত্র। অঙ্গীকারপত্র সর্বদা লিখিত হয়। তা ছাড়া এতে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো শর্ত আরোপ করা হয়নি। তাই বৈশিষ্ট্যের বিচারে রাফি প্রদত্ত দলিলটি একটি অঙ্গীকারপত্র।

 

২। জনাব মবিন সাহেব বিক্রেতা মজনুকে একটি সাদা কাগজে লিখে দেন ‘প্রাপক পণ্য পাওয়া সাপেক্ষে তাকে অথবা তার আদেশ অনুসারে অদ্য হতে এক মাস পর ১,০০,০০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।’ দলিলটি ব্যাংকে উপস্থাপিত হলে ব্যাংক তা বাট্টা করতে চায় না। অপরদিকে জনাব মতিন তার পাওনাদার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে ৫০,০০০ টাকার জন্য প্রস্তুতকৃত একটি দলিলে স্বীকৃতির স্থানে স্বাক্ষর করে পাওনাদারকে ফেরত দিলেন। পাওনাদার মেয়াদপূর্তির পূর্বে দলিলটি ব্যাংক হতে বাট্টা করতে পেরেছেন।  

ক. হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল কী?

খ. উদ্দীপকে জনাব মবিনের প্রদত্ত দলিলটি কেন বিক্রেতা মজনু বাট্টা করতে পারেননি? ব্যাখ্যা করো।  

   উত্তর

ক. যে ঋণের দলিল হস্তান্তরের মাধ্যমে গ্রহীতা এর মালিকানা লাভ করে, তাকে হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল বলে।

খ. উদ্দীপকে জনাব মবিনের প্রদত্ত বিনিময় বিল দলিলটি হস্তান্তরের আবশ্যকীয় শর্তাবলি পূরণ না করায় বিক্রেতা মজনু তা বাট্টা করতে পারেননি।

   বিনিময় বিল অর্পণের দ্বার হস্তান্তর হয়ে থাকে। তবে এ বিল সাদা কাগজে লেখা গেলেও স্ট্যাম্পযুক্ত হলেই কেবল তা ঋণের দলিল হিসেবে বৈধতা পায়।

   উদ্দীপকে জনাব মবিন মজনুর একজন দেনাদার। বিক্রেতা মজনুর কাছ থেকে তিনি বাকিতে পণ্য ক্রয় করেন। এ ক্ষেত্রে জনাব মবিন সাদা কাগজে লিখে দেন ‘প্রাপক পণ্য পাওয়া সাপেক্ষে তাকে অথবা তার আদেশ অনুসারে অদ্য হতে এক মাস পর ১ লক্ষ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।’ অর্থাৎ তিনি উক্ত কাগজকে বিনিময় বিল হিসেবে প্রস্তুত করেছেন। তবে পাওনাদার দ্বারা দলিলটি ব্যাংকে উপস্থাপনে ব্যাংক তা বাট্টা করেনি। এ ক্ষেত্রে উক্ত দলিলটিতে স্ট্যাম্পযুক্ত না থাকায় তা হস্তান্তরযোগ্য দলিলে পরিণত হয়নি। যা ব্যাংক কর্তৃক বাট্টা না করাই যৌক্তিক।

পঞ্চম শ্রেণি : দূরের পাল্লা

বিশ্বজিৎ সুর, সহকারী শিক্ষক, গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোতোয়ালি, ঢাকা

পঞ্চম শ্রেণি : দূরের পাল্লা

আমার বাংলা বই

পাঠ ৩

শব্দ দিয়ে বাক্য লিখি

  জঞ্জাল : রাস্তার পাশের জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করা দরকার।

  শ্যাওলা : পুকুরের জলে সবুজ শ্যাওলা ভেসে আছে।

  কঞ্চি : ছেলেরা কঞ্চি দিয়ে খেলার ঘর বানিয়েছে।

  মন্থর : মন্থরগতিতে নৌকা  চলছে।

  দিনভর : আমরা দিনভর পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করলাম।

  দাঁড় : নৌকায় দাঁড় থাকে।

 

বহু নির্বাচনী প্রশ্ন

১। কবিতায় কতজন মাঝির কথা বলা হয়েছে?

   ক. পাঁচ খ. চার
গ. তিন ঘ. দুই

   উত্তর : গ. তিন।

২। নদীর পারজুড়ে কী রয়েছে?

   ক. বাড়িঘর খ.ঝোপঝাড়
গ. ফসলের ক্ষেত 

   ঘ. কাশফুল

   উত্তর : খ. ঝোপঝাড়।

৩।          নদীতে ডুব দিচ্ছে।

   ক. গাংচিল খ. মাছরাঙা
গ. বক ঘ. পানকৌড়ি

   উত্তর : ঘ. পানকৌড়ি।

৪। কোথায় পানি ভরার বকবক শব্দ শোনা যাচ্ছে।

   ক. কলসিতে     খ. হাঁড়িতে
গ. বালতিতে     ঘ. মগে

   উত্তর : ক. কলসিতে।

৫। ছিপটিতে কতটি দাঁড় ছিল?

   ক. একটি খ. দুটি
গ. তিনটি   ঘ. চারটি

   উত্তর : গ. তিনটি।

৬। নৌকা চালাতে চালাতে মাঝিরা কী করছে?

   ক. ছড়া বলছে   

   খ. গান গাইছে

   গ. ঝগড়া করছে 
ঘ. চুপ করে আছে

   উত্তর : খ. গান গাইছে।

৭। নদীর পানিতে কোন পাখি ডুব দিচ্ছে?

   ক. গাংচিল  খ. মাছরাঙা
গ. বক ঘ. পানকৌড়ি

   উত্তর : ঘ. পানকৌড়ি।

৮। ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় কিসের টাকশালের কথা বলা হয়েছে?

   ক. টাকার   খ. রুপার
গ. হিরার   ঘ. পান্নার

   উত্তর : ঘ. পান্নার।

৯। ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় ঘরগুলো কোথায় অবস্থিত?

   ক. নদীর তীর    খ. শহরে
গ. বাজারে ঘ. পুকুর পারে

   উত্তর : ক. নদীর তীরে।

১০।      ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় ঘরগুলো কী দিয়ে তৈরি?

   ক. মাটি খ. কঞ্চি
গ. ইট ঘ. পাথর

   উত্তর : খ. কঞ্চি।

১১।      কে শ্যাওলা দিয়ে ডিম ঢেকে রাখে?

   ক. বন-হাঁস     খ. কাক
গ. কচ্ছপ   ঘ. বক

   উত্তর : ক. বন-হাঁস।

১২।      বন-হাঁস কোথায় ডিম পাড়ে?

   ক. পানিতে খ. নৌকায়
গ. চরে ঘ. নদীতে

   উত্তর : গ. চরে।

১৩।      ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় পানকৌড়ি কী করে?

   ক. ডিম পাড়ে   
খ. আকাশে ওড়ে
গ. ডুব দেয়    
ঘ. গান বায়

   উত্তর : গ. ডুব দেয়।

১৪।      ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় উল্লিখিত কলসি দেখতে কেমন?

   ক. ঝকঝকে খ. মসৃণ
গ. সুন্দর ঘ. মলিন

   উত্তর : ক. ঝকঝকে।

১৫।      মাল্লার নৌকা বাইতে বাইতে কী করে?

   ক. ছড়া বলে     খ. মাছ ধরে
গ. গান গায়     ঘ. স্নান করে

   উত্তর : গ. গান গায়।

১৬।      পাল্লা কোন রঙের হয়?

   ক. লাল খ. হলুদ
গ. নীল ঘ. সবুজ

   উত্তর : ঘ. সবুজ।

১৭।      কারা দিনভর দূরে পাল্লা দেয়?

   ক. হাঁস খ. বধূয়া
গ. পানকৌড়ি    ঘ. মাল্লারা

   উত্তর : ঘ. মাল্লারা।

১৮।      টাকা তৈরির কারখানাকে কী বলে?

   ক. চৌপর   খ. টাকশাল
গ. মান্না ঘ. পান্না

   উত্তর : খ. টাকশাল।

১৯।      ‘দূরের পাল্লা’ কবিতাটি  কে লিখেছেন?

   ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. কাজী নজরুল ইসলাম

   গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ. জসীমউদ্দীন

   উত্তর : গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

২০।      ‘পাড়ময় ঝোপঝাড়’ এর পরের লাইনটি কী হবে?

   ক. পান্নার টাকশাল     
খ. জঙ্গল-ঝঞ্জাল

   গ. জলময় শৈবাল      
ঘ. দ্যায় দূর-পাল্লা।

     উত্তর : ক. পান্নার টাকশাল।

 

এইচএসসি : বাংলা দ্বিতীয় পত্র প্রশ্নপত্র নির্দেশনা ও নমুনা | কালের কণ্ঠ