kalerkantho


নজরুলকে নিয়ে প্রলয়োল্লাস

মোহীত উল আলম

১৯ মে, ২০১৭ ০০:০০



নজরুলকে নিয়ে প্রলয়োল্লাস

সাহিত্যের ইতিহাসে দেখা যায় কবি-লেখকদের কদর কালক্রমে বাড়ে বা কমে। এককালের খুব জনপ্রিয় লেখক বা কবি পরবর্তী প্রজন্মে নামহীন-গোত্রহীন হয়ে যেতে পারেন, আবার তাঁদের নিজেদের সময়ে যথেষ্ট আদৃত না থাকলেও অনেকে পরবর্তী সময়ে নতুনভাবে মনোযোগ পেয়েছেন পাঠক ও সমালোচক মহলে—এ রকমও দেখা যায়।

ওপরের কথাটি অবশ্য কবি নজরুল সম্পর্কে খাটে না। তিনি সব সময় জনপ্রিয় কবিদের প্রথম সারিতেই অবস্থান করেছেন। কিন্তু তার পরও বাংলাদেশ হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু তাঁকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়ার পর নতুনভাবে নজরুলের উদ্বোধন চলছে শুধু বাংলাদেশে বা পশ্চিমবঙ্গে নয়, বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যেও। নজরুলকে নিয়ে এ নবজাগরণকে আমি নিছক উদ্বোধন না বলে তার চেয়েও বেশি কিছু বোঝাতে নজরুলেরই অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’-এর শিরোনামটি ব্যবহার করলাম।

রবীন্দ্রজয়ন্তী আর নজরুলজয়ন্তী খ্রিস্টীয় বছরের একই মাসে অনুষ্ঠিত হয়—মে মাসে, ৮ মে রবীন্দ্র এবং ২৭ মে নজরুল। বছর দশেক আগে ঢাকায় পরপর দুটি অনুষ্ঠানেই যাওয়ার আমার সুযোগ হয়। রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানে দেখলাম, ঢাকার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এমন কেউ ছিলেন না, যিনি ওই অনুষ্ঠানে বাদ ছিলেন। কিন্তু এর কয়েক দিন পর নজরুলজয়ন্তীতে গেলে দেখি যে হাতেগোনা কয়েকজন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক-অধ্যাপক ও সংগীতশিল্পী ছাড়া পুরো হলেই ভর্তি ছিল অতি সাধারণ গোছের লোকজন। এ দৃশ্যমান পার্থক্য নিয়ে সে সময় আমি একটি জাতীয় দৈনিকে কলামও লিখেছিলাম।

কিন্তু এর পরপরই—অর্থাৎ গত বছর দশেক ধরে নজরুলকে গ্রহণের ব্যাপারে দৈন্য ঘুচতে থাকে। নজরুলকে গ্রহণের ক্ষেত্রে দৈন্য ঘুচে যাওয়ার ক্ষেত্রে চারটি স্পষ্ট কারণ কাজ করছে বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়। সে কারণগুলো হলো—রাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িকতা, তথ্য-প্রযুক্তির আগমন এবং নজরুলচর্চায় উত্তরাধুনিকতার রীতির অনুসরণ।

রাজনৈতিক বিষয়টি হলো, বাংলাদেশের জাতীয় কবি হওয়ার কারণে কবি নজরুল যে উপেক্ষিত অবস্থায় ছিলেন, তার অবসান হয়। এখানে উপেক্ষা বলতে বোঝাচ্ছি যে নজরুলকে নিয়ে এখন সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং অধ্যয়নিক যে ত্রিমাত্রিক কর্মসমন্বয়ের প্রচেষ্টা বেড়ে গেছে, সেটি আগে ছিল না। কাজটি হয়েছে ধীরে ধীরে, কিন্তু বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর নজরুলের প্রতিষ্ঠা পাওয়ার প্রক্রিয়াটি সরকারের আনুকূল্য নিয়ে শক্তভাবে এগোতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন যেমন ছিল সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, তেমনি কবি নজরুলের স্বপ্ন ছিল শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশ যখন বছর দশেক ধরে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী হচ্ছে, তার অর্থ হচ্ছে—দারিদ্র্য হ্রাস পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ বেড়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ নজরুলের স্বপ্ন ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন এক হয়ে যেন পদ্মা-যমুনার মিলিত স্রোত হয়ে পড়েছে। দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গবন্ধুবিষয়ক একাডেমিক চর্চা যেমন বৃদ্ধিমান, তেমনি নজরুলের ওপরও গবেষণা ও সমালোচনামূলক গ্রন্থের প্রকাশ আগের চেয়ে বহু গুণ বেড়ে গেছে। একজন নজরুলবিশেষজ্ঞ আমাকে বলেছেন, আগে নজরুলকে নিয়ে গবেষণা করার সময় হাতের কাছে সাত-আটটার বেশি বই পাওয়া যেত না, এখন সাত-আট শ বই পাওয়া যায়। নজরুল ইনস্টিটিউটসহ বহু গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আছে, যেখানে নজরুলের সাহিত্য ও সংগীতের ওপর চর্চাকৃত গবেষণালব্ধ গ্রন্থ বের হয়। আবার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বলতে গেলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার কথা বলা যায়। তবে একটা হেঁয়ালির কথা এখানে পরিষ্কার করা দরকার। ত্রিশালে অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার জন্য ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরাম প্রচেষ্টা নেয়। তখন এটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হবে—এ রকম ভাবা হয়েছিল। কিন্তু একপর্যায়ে সরকার দায়িত্ব নেয় এবং সবার ধারণা যে ছিল এটি দেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে, তা কিন্তু শেষ মুহূর্তে সংসদে বিলটি পাস হওয়ার সময় পাল্টে যায়। সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে এটিকে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। অর্থাৎ ঢাকা, রাজশাহী বা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই এটির অধ্যয়নিক কর্মকাণ্ড চলবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বাস্তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতি সরকারের সব মহলে এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের সব ক্ষেত্রেই অভিব্যক্তি হচ্ছে—এটি যেন একটি কবি নজরুলকে নিবেদিত বিশেষায়িত সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কবি নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও জীবনের ওপর চর্চার একটি প্রধান কেন্দ্র। অর্থাৎ সরকারিভাবে এটি একটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে এটিকে বিবেচনা করা হচ্ছে নজরুলচর্চার প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে। জাককানইবিতে নজরুলচর্চার জন্য একটি ইনস্টিটিউট ইউজিসি কর্তৃক বছর তিনেক আগে অনুমোদিত হয়েছে, যেটির তত্ত্বাবধানে নজরুলের ওপর কিছু প্রশংসনীয় প্রকাশনা এর মধ্যে বের হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়টি সাধারণ না হয়ে সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে জনগণের মধ্যে পরিচিতি পেয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও নজরুলকে নিয়ে নতুন উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। ২০১২ সালে আসানসোলে প্রতিষ্ঠিত হয় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকে নজরুলের জন্মস্থান চুরুলিয়া সড়কপথে মাত্র আধা ঘণ্টা দূরত্বে। বঙ্গবন্ধুর যেমন চিন্তা ছিল যে কবি নজরুলকে জাতীয় কবি করার ফলে মুক্তিযুদ্ধের নিহিত বিপ্লবী চরিত্র পরিপূর্ণ মাত্রা পাবে, ঠিক পশ্চিমবঙ্গের আগুয়ান মুখ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করার পেছনে এ রকম যুক্তি হয়তো কাজ করেছে, তিনি যে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, সে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হতে পারেন কেবল কবি নজরুল। সে কারণেই এ বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা। এভাবেও বলা যায় কি না জানি না। রবীন্দ্রনাথ সর্বভারতের কবি তো বটেই, আবার কংগ্রেসের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্রেরও প্রতিনিধি হিসেবে তারা তাঁকে বিবেচনা করছে বহুদিন ধরে। সে জায়গায় রাজনৈতিকভাবে মমতার মতো আগ্রাসী নেত্রী যে একজন কবিকে তাঁরই নিজস্ব কবি হিসেবে বেছে নেবেন, প্রতীকী অর্থে সেটি বলা বাহুল্য। উপরন্তু নজরুলের জন্মস্থান তো পশ্চিমবঙ্গে, সেটিও মমতা উপেক্ষা করেন কিভাবে? পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা-দীক্ষায়, গবেষণাকর্মে ও প্রকাশনায় বহু যুগ আগে থেকে এগিয়ে, এখন সেখানে নজরুল সরকারি আনুকূল্যে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর নজরুলের বিষয়ে নতুনভাবে আগ্রহী পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষক-গবেষক-রাজনৈতিক কর্মী তাঁদের কাজের ক্ষেত্র হিসেবে নজরুলের জীবন ও সাহিত্য বেছে নিয়েছেন। এর ফলে নজরুলের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা বহু গুণ বেড়ে গেছে। বাংলাদেশেও একই কাজ হচ্ছে। যেসব পণ্ডিত, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক আগে নজরুল সম্পর্কে ঐশ্বরিক ঔদাসীন্য নিয়ে থাকতেন, তাঁরাও দেখছি ক্রমেই নজরুলের বিষয়ে আগ্রহী হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রবন্ধ পড়ছেন বা বক্তৃতা দিচ্ছেন কিংবা তথ্য ও তত্ত্বমূলক গ্রন্থ প্রকাশ করছেন। বিদ্রোহী কবির জন্য দুই সরকারের আনুকূল্য নজরুলের চর্চায় রেনেসাঁর মতো জোয়ার সৃষ্টি করছে বলে প্রতীয়মান হয়।  

দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, সাম্প্রদায়িকতার বিভাজন সৃষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মুক্তি পাওয়া। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, যদিও এর বাস্তব প্রতিফলন প্রশ্নবিদ্ধ। তার পরও লক্ষ করার বিষয় হচ্ছে, বর্তমান সরকারের আমলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সখ্য আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আমরা এখন চোখ খুলে তাকিয়ে দেখতে পারি যে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংশ্লিষ্টতা আর সাম্প্রদায়িক বেড়ার মধ্যে আবদ্ধ নেই, বরং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সূত্র—যেমন অর্থনীতি, যার মৌল চরিত্রই হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক, বিশ্বরাজনীতি এবং অন্যান্য সূত্রের কারণে দুই দেশের মধ্যে সব রকম বিনিময়ের মধ্যে রাষ্ট্রে-রাষ্ট্রে যে রকম হওয়া উচিত সে রকমই হচ্ছে। কাব্যিক অর্থে না হলেও, সামাজিক প্রেক্ষাপটে সমকালীন রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মধ্যে সময়ের ব্যবধান মাথায় না রাখলে সাম্প্রদায়িক বিবেচনা প্রাধান্য পেয়ে যেতে পারে—যেটা এযাবৎ কিছুটা হয়েই এসেছে বলে আমার ধারণা এবং তার ফলে রবীন্দ্র-নজরুলের মধ্যে নিছক সাম্প্রদায়িক প্রতিপক্ষতা তৈরি হবে—যেটা কখনো কাম্য নয়।

নজরুলচর্চা বেড়ে যাওয়ার পেছনে তৃতীয় কারণটা অবশ্য শুধু তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, সব কবি ও লেখকের বেলায় তা ঘটছে। সেটা হলো তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার। ইউটিউব, ফেসবুক যেমন নজরুলের গান ও কবিতা জনসমক্ষে সর্বতোভাবে প্রচার করছে, তেমনি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রকাশিত নজরুলের সাহিত্যের ও গানের ঝকঝকে স্মার্ট প্রকাশনা বইয়ের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

রবীন্দ্রনাথ যেমন, নজরুলও তেমনি বাজারজাতকরণের একটি বিরাট উপকরণ। এবার জাককানইবির প্রথম সমাবর্তন উপলক্ষে জাককানইবির ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ কর্তৃক প্রকাশিত ‘চির বিদ্রোহী’ ভিডিও সিডিটা প্রচুর বিক্রি হয়েছে।

চতুর্থত, সাহিত্যপাঠে উত্তরাধুনিক রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় নজরুলচর্চার বেশ খানিকটা জোর বেড়েছে তাঁর জীবনকে পাশাপাশি রেখে তাঁর সাহিত্য ও সংগীতের মূল্যায়ন করার। গত বছর গরমের সময় চুরুলিয়া গ্রামটি ঘুরে এসে আমার মনে হয়েছিল যে এত রুক্ষ প্রকৃতির মধ্যে কেউ যদি কবি হিসেবে বড় হন, তাঁর বিদ্রোহী কবি হওয়া ছাড়া উপায় নেই। আরেকটা মিথ ভাঙা দরকার। দুখুমিয়া পেটের দায়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন—এ রকম একটি মন্তব্য একজন ভারতীয় তরুণ অধ্যাপক আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সেমিনারে করলে সঙ্গে সঙ্গে শ্রোতাদের মধ্যে উপস্থিত কবি নজরুলের আপন ভ্রাতুষ্পুত্র দাঁড়িয়ে আপত্তি জানিয়ে বললেন যে এমন তথ্য ওই অধ্যাপক কোথায় পেয়েছেন! প্রয়াত অধ্যাপক প্রীতিকুমার মিত্র বলেছেন যে নজরুলের সক্রিয় সৃজনশীল জীবন ছিল মাত্র তেইশ বছরের (১৯১৯-১৯৪২), তার মধ্যে সাহিত্য রচনা করেছেন মূলত প্রথম এগারো বছরে, আর প্রিয় শিশুপুত্র বুলবুল মারা যাওয়ার পর বাকি বারো বছর আধ্যাত্মিকতার দিকে চলে যান এবং রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত মরমি ও বিরহের গানগুলো। নজরুল শুধু যে বাইরের ধর্মের নারীকে বিবাহ করেছিলেন তা নয়, জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন কেন তিনি লিখেছিলেন, “মানুষেরে ঘৃণা করি’ / ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’। ”

তবে রবীন্দ্রনাথের একটি ভবিষ্যদ্বাণী অমোঘ হয়ে পড়ে নজরুলের জীবনে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন যে নজরুলের জীবনে শেলির মতো, কিটসের মতো ট্র্যাজেডি আছে।

ট্র্যাজেডির ফলে অভিমান। নজরুল আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিমানী কবি : ‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না। ’


মন্তব্য