kalerkantho


যেভাবে লেখা হলো 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'

মাহমুদ শাওন   

২৯ মে, ২০১৫ ০০:০০



যেভাবে লেখা হলো 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'

সাধারণত পাঠকের লেখক হোন বেশির ভাগ সাহিত্যিক। কিন্তু কেউ কেউ থাকেন লেখকের লেখক হিসেবে। আর যিনি লেখকেরও লেখক, পাঠকের লেখক তো তিনি অবশ্যই। সাতচল্লিশে দেশ ভাগের পর ঢাকাকেন্দ্রিক সাহিত্যচর্চার শুরু দারুণ উৎসাহ নিয়ে যে হয়েছিল-তা নতুন করে উল্লেখ না করলেও চলে। তবে দেশ ভাগের আগে যে বাঙালি কথাসাহিত্যিকরা খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমান লেখক, তাঁদের অনেকেই পরে পূর্ববঙ্গে থাকেননি। সৈয়দ মুজতবা আলী যেমন। আবার শওকত ওসমান কিন্তু পূর্ববঙ্গেই থেকে যান। আর 'প্রদোষে প্রাকৃতজন', 'যাত্রা', 'ওয়ারিশ', 'দলিল', 'দক্ষিণায়নের দিন', 'উত্তরের খেপ'-এর লেখক শওকত আলী তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের সাহিত্যিক। হাসান আজিজুল হকও। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, মাহমুদুল হক ও সৈয়দ শামসুল হককেও দেশ ভাগ-পরবর্তী দ্বিতীয় প্রজন্মের লেখক বলা যায়। আবার বাঙালি এ লেখকদের কিছু সৃষ্টির কথা যদি উল্লেখ করি, যেমন-সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু', 'কাঁদো নদী কাঁদো', 'চাঁদের অমাবস্যা'; শওকত ওসমানের 'জননী', 'ক্রীতদাসের হাসি', (শওকত আলীর 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'-এর কথা আগেই লিখেছি), আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'খোয়াবনামা', 'চিলেকোঠার সিপাই' ইত্যাদি আরো কিছু উপন্যাস বাংলাদেশের পাঠকের রুচি গড়তে যতটা ভূমিকা রেখে চলেছে, তার চেয়েও বড় ভূমিকা রাখছে লেখকদের জন্য। কোনো সাহিত্য সংগঠন কাউকে লেখক বানাতে পারে না। লেখা শেখার কোনো স্কুল হয় না। কিন্তু একটা ভাষার মহৎ সাহিত্য পরবর্তী প্রজন্মের লেখকের কাছে প্রতিষ্ঠানের মতো। লেখকও স্বয়ং একটি প্রতিষ্ঠান। আর সময়ের নিষ্ঠুর বিচার কখনো পক্ষপাতদুষ্ট নয় বলেই ওপরে উল্লেখ করা গ্রন্থগুলো আজও মর্যাদার সঙ্গে পঠিত হচ্ছে। হয়তো আরো বহু দিন হবে। বইটি কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠিত হলেও এ বই নিয়ে খুব বেশি আলোচনা-সমালোচনা চোখে পড়েনি। 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'-এর ভাষার ব্যবহার নিয়ে বোদ্ধা মহলে কিছুটা সমালোচনা অবশ্য আছে। তা সত্ত্বেও বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য একটি উপন্যাস হিসেবে 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' অবশ্যপাঠ্য।

কী আছে 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'-এ? একে যদি শুধু ইতিহাসআশ্রিত উপন্যাস বলি, তাহলেও সত্য হয়। তবে আংশিক। ইতিহাসে ব্রাত্যজনের কথা থাকে না। ইতিহাস শুধু মনে রাখে সফল আর জয়ীদের। যে সমাজ ও সময়ের কথা শওকত আলী তাঁর 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসে লেখেন, যখন ব্যক্তির স্বাধীনতা আর অর্থনৈতিক মুক্তি দুটিই জরুরি; অথচ সমাজের সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠীর শ্রম, মর্যাদা প্রতিনিয়ত লুণ্ঠিত হচ্ছে, অচ্ছুৎ সে প্রতিনিধিদের কথা তিনি বলে যান ইতিহাস সঙ্গে নিয়ে, ইতিহাসকে আভাসিত করে। মৃৎশিল্পী শ্যামাঙ্গ যখন ভাবে, 'প্রজাকুল সুখী। ব্রাহ্মণ সুখী, কায়স্থ সুখী, বৈশ্য সুখী। কেবল ব্রাত্য শূদ্রদের গৃহে অন্ন নেই, দেহে বস্ত্র নেই, মস্তকোপরী গৃহের আচ্ছাদন থাকে না। তথাপি আজ যদি গ্রামপতি বসবাসের স্থান দিলেন তো কালই বলবেন, দূর হ, পামরের দল।' তো এই অবস্থা বা তার চেয়েও ভয়াবহ চিরবাস্তবতার সত্যটি শওকত আলী আশ্রয় করেছেন 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'-এ। ইতিহাসের তিনটি ঘটনা-তুর্কিদের গৌড় ও বঙ্গবিজয়ের আগে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সনাতন ও ব্রাহ্মণ হিন্দুদের বিরোধ এবং রাজা লক্ষ্মণ সেনের শাসনামলের একেবারে শেষ দিকে সামন্তদের নিপীড়নের মুখে প্রান্তিক মানুষের অস্তিত্ব সংকট ও একই সঙ্গে যবনদের আগমনের সময়টা চিত্রিত আছে এখানে। প্রায় ৮০০ বছর আগের ইতিহাসের সেসব চরিত্র নিয়ে উপন্যাস লেখার আগ্রহ কিভাবে এলো শওকত আলীর মনে?

২০১০ সালে কালের কণ্ঠ প্রকাশ শুরুর কয়েক দিন পরই কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর একটা সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। তা ছাপাও হয়েছিল কালের কণ্ঠের শিলালিপিতে। তখন এই বইটি লেখার পেছনের গল্পটি বলেছিলেন শওকত আলী। তিনি বলেন, 'আমার চিন্তাটা এ কারণেই এসেছিল যে এখানকার সাধারণ মানুষ ব্রাহ্মণ্যবাদী রাজ্যশাসনের যে প্রক্রিয়াটা ছিল-তা তো তারা দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই প্রান্তে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার কারণ কী? এটা আমার একটা প্রশ্ন ছিল। আমি অনেকজনকে প্রশ্ন করেছি; কিন্তু কোনো সঠিক উত্তর পাইনি। মুসলমান যারা দিগ্বিজয় করতে এসেছে তারা তো ওই দিক দিয়ে এসেছে। তারপর মোগল-পাঠানরাও ওই দিক দিয়ে এসেছে। এটা কিন্তু অবাস্তব কৌতূহলের কিছু নয়। একসময় মুসলমানরা এখানে আধিপত্য করেছে, তারা শাসন করেছে ২০০-৪০০ বছর, তারা ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও ওই সব অঞ্চলে মুসলমানের সংখ্যা বাড়েনি। এখানে মুসলমানের সংখ্যা বেশি। এটা সম্পর্কে আমি অনেককে জিজ্ঞাসা করেছি, বইপত্র পড়েছি। একসময় একটা সংস্কৃত বই হাতে আসে। বইটির নাম হচ্ছে শেখ শুভদয়া। কেউ বলেছে সেন রাজত্বের পরপরই ওটা লেখা হয়েছিল। শেখের শুভ উদয় এই অর্থে। শেখ মানে মুসলমান। ভালো সংস্কৃত আমি জানি না। মোটামুটি পড়তে পারি। কিন্তু হিন্দি ভালো পড়তে পারি। তো ওর মধ্যে কিছু কিছু গল্পের মতো পেয়েছি। যেমন একটা দৃশ্য ওখানে পেয়েছি যে অশ্ব বিক্রেতারা নৌকায় চড়ে অশ্ব বিক্রয় করতে এসেছে। অশ্ব বিক্রয় হয়ে গেছে। সন্ধ্যা সমাগম। তখন ছয়-সাতজনের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ যিনি, তিনি উন্মুক্ত প্রান্তরে দাঁড়িয়ে পশ্চিম দিকে, মানে সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে কানে হাত দিয়ে উচ্চস্বরে কাকে যেন ডাকছেন। তারপর এক জায়গায় গোল হয়ে বসে প্রভু-ভৃত্য সবাই একপাত্র থেকে আহার গ্রহণ করছেন। আহার শেষে একজন সামনে দাঁড়িয়ে মন্ত্র পাঠ করছে, তারপর উবু হয়ে থাকছে, অবশেষে প্রণাম করছে। তিনি যা যা করছেন পেছনের সবাই তাঁকে অনুসরণ করছে। সামনে যে ছিলেন সে কিন্তু প্রভু নন; ভৃত্য। তবু সবাই তাঁকে অনুসরণ করছে। আমি এই দৃশ্যটা আমার প্রদোষে প্রাকৃতজনের মধ্যে ইচ্ছা করেই দিয়েছি। এই রকম একটা দৃশ্য যদি দেখে সাধারণ মানুষ, যে মন্দিরের ছায়ায় অচ্ছুৎ নিম্নববর্গের সাধারণ মানুষের পা যেন না পড়ে সে জন্য সকালে মন্দিরের পশ্চিম পাশের এবং বিকেলে মন্দিরের পূর্ব দিকের রাস্তা দিয়ে নিম্নবর্গীয় মানুষের চলাচল বন্ধ, তাহলে তাদের মনে প্রতিক্রিয়া কী হবে? এ রকম একটা অবস্থা সেখানে ছিল। এরপর যখন যবনরা এলো, তারা একসঙ্গে বসে, একসঙ্গে ওঠে, একসঙ্গে খায়, প্রভুর উপাসনা করে-আমার নিজের মনের থেকে ধারণা হলো, এই অঞ্চলে নিম্নবর্গের মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিল এবং এখানে সবাই যবন ধর্মটি গ্রহণ করেছিল। এর কিন্তু কোনো ঐতিহাসিক প্রমাণ আমি দিতে পারব না। এটা আমার অনুমান। এই ভিত্তিতে আমি আমার উপন্যাসে এই উপাদানগুলো ব্যবহার করেছি। বৌদ্ধদের তো মেরে ফেলা হয়েছিল। কেউ কেউ পালিয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিল। তার পরও যবনরা আসছে শুনে অত বড় রাজা লক্ষ্মণ সেন রান্না করা খাবার না খেয়েই নৌকা নিয়ে পালিয়ে গেল! এই ঘটনাগুলো পড়ে আমার মনে হয়েছিল, এই উপাদানগুলো নিয়ে একটা উপন্যাস লিখলে কেমন হয়। আমি ইসলাম প্রচার করতে যাচ্ছি না। কী হয়েছিল না হয়েছিল সেসবের কোনো সিদ্ধান্তও আমি দিইনি। এর মধ্যে প্রেমের ব্যাপারটা আছে। প্রেমিক-প্রেমিকারা যে সমাজ পরিবর্তনের জন্য উত্থান-পতন, গৃহযুদ্ধ-তাতে অংশ নিয়েছে। প্রেমিকাকে ফেলে প্রেমিক যুদ্ধে যাচ্ছে, সে কোন যুদ্ধে যাচ্ছে? কার জন্য যাচ্ছে? তার ধর্ম কী? একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ পরিবর্তনের কথাই আমি বলতে চেয়েছি আমার এ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে।'

কথাশিল্পী শওকত আলীর জন্ম ১৯৩৬ সালে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে। দেশ ভাগের চার বছর পর তাঁর চিকিৎসক বাবা সপরিবারে পূর্ববঙ্গে আসেন। থিতু হন দিনাজপুরে। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত পিঙ্গল আকাশ তাঁর প্রথম উপন্যাস। এরপর প্রকাশিত হয়েছে দুটি ছোটগল্প সংকলন। বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১৯৬৮ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখকশিবির তাঁকে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে। ১৯৯০ সালে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদকে ভূষিত হন। নৃতত্ত্ব, সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাসে তাঁর আগ্রহ অত্যন্ত গভীর। বাংলার প্রায় লুপ্ত ও ঝাপসা হয়ে যাওয়া ইতিহাসে তাঁর সৃজনশীল অনুসন্ধান আমাদের সাহিত্যকে যথেষ্ট সমৃদ্ধ করেছে।

 

শাকিব লোহানী

আঘাত

তুমি আমাকে আঘাত দিও না

তোমার বানানো ক্ষতে।

হৃদয় আমার ভঙ্গুর কাচ

ভেঙে খান খান হাতে ধরা ঐ গ্লাস

তোমার মেঝেতে পড়ে ছড়িয়ে আছে

কেমন সকরুণ অযত্নে।

এসব অনুভূতিতে ক্লান্ত হবার ভয়ে তুমি জড়সড়।

উদ্বেগ, মায়া আর অনুগ্রহ নিয়ে কী লাভ বেঁচে

প্রয়োজন ছিল এতটুকু ভালোবাসা,

ছোট একটুকরো হৃদয়ের বিনিময়ে

জীবনের পূর্বাপর ইতিহাস পুঙ্খানুপুঙ্খ লেখা দেখতে

গায়ে চড়ানো ঐ রক্তাক্ত জামায়।

পৃথিবীর কোলাহল, দানবীয় রাজনীতির অঘটন,

অসহায় দেশের রক্তক্ষরণ,

সব কিছু ছাপিয়ে অবিরত আচ্ছন্ন করে রাখো তুমি

অগ্নিদগ্ধ শরীর, নার্স ওষুধে ঢাকে আকুল যত্নে,

ফিরে এসে, আবার আঘাত দিও না

তোমার বানানো সেই ক্ষতে।

 

চন্দন চৌধুরী

ছায়া চুরি

 

গ্রামে যাচ্ছি নিজের ছায়া চুরি করতে

সেই কবে রেখে এসেছিলাম সবুজের কাছে

সেই কবে নিজের আয়ুকে নদীর জলে ভাসিয়ে

দেখেছিলাম রোদ আর ঢেউয়ে মিলে কতটা মুক্তা তৈরি করে

সেই মুক্তার ছায়াও পড়ে জলে

আমার সমস্ত ছায়া আজও লুকিয়ে আছে বৃক্ষলতাবনে

কচুরিফুলের চোখে জলযোগিনীর মায়ায়

এবার চুরি করব সমস্ত ছায়া

লুকিয়ে ফেলব মনে ও শরীরে

নিজের ভেতরে দেখব পরমের জন্ম

 

জাহিদ সোহাগ

চিরদিন তোমাকে

 

ছায়াশূন্য হব ভেবে তোমার শরীর দিয়ে ঘষে ঘষে একটি বিন্দুর চেয়েও কম হয়ে আছি-আজ যখন সেই বিন্দুকেও ঘষতে গিয়েছি, দেখি তোমার শরীরভর্তি জ্যান্ত কালি, একটি ছাপাখানা উল্টে আছে; দাঁতাল লোহার হরফে ঠাসা, একটি দুটি হাইফেন ড্যাশও নেই।

এত হিজিবিজি লেখা নিয়ে নিজেকে করাতে কেটে কেটে দেখি একটা গ্রন্থ হয়ে আছি : এটা কবিতার বই কমিক নাকি বাইবেল কে তা পড়ে দেখবে। যেখানে যোনি-লিঙ্গ ছাড়া আর কোনো ব্যবহার জানা নেই কারো।

আমি চিৎকার করে বলি : 'এটা প্রেমের কবিতা, এটা প্রয়াণের কবিতা।' আমার কথা শুনে তারা লুঙ্গি-সালোয়ার-শাড়ি তাড়াতাড়ি ঘরে তোলে-যেন আমার কণ্ঠ সবেমাত্র আবহাওয়ার পূর্বাভাস ঘোষণা করেছে।

ফলে কোনো কাজ নেই। শিশু বানাবার ছলে ঘরে ঘরে তারা একমাত্র শেখা খেলাটাই খেলে।

 

গিরীশ গৈরিক

শ্লোক

 

এই অভিধানে গুড় জাতীয় কোনো শব্দ নেই

কেননা তার বাড়ির পাশে খুনি পিঁপড়েদের বসবাস

যৌনতাত কিংবা মহুয়াবসন্ত শব্দবীজ বুনতে পারে

কিন্তু কলসি তলা ফুটো হলে-কৌমর্য ঘুঙুর আর বাজে না

এ সকল বিষয় অধ্যয়ন করে বুঝেছি-জন্মদাগ ঘষে ওঠানো যায় না

বিষয়টা বাহিরের নয়-ভেতরের

কপালের ভাঁজ গুনে জীবনের অর্থ না জানলেও

খেজুর গাছের খাঁজ গুনে বলতে পারি তার বয়স কত

কিংবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখে চোখ রেখে বলতে পারি

কাঁদতে পারা মানুষের একটি বড় গুণ

যদিও আমি জন্মের সময় কাঁদিনি বলে-মা জ্ঞান হারিয়েছিলেন

যেমন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে-ব্যবচ্ছেদবিদ্যায় ব্যবহৃত ব্যাঙ।

 

 



মন্তব্য