kalerkantho


ঝটপট

নিজে বানাই দোলনা

৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



নিজে বানাই দোলনা

একগাদা বই কেনা তো হলো। এবার অবসরে আরাম করে পড়া চাই। এর জন্য একটা আরামদায়ক দোলনা-চেয়ার হলে মন্দ হয় না। খুব একটা কঠিন নয় বানানোর ধাপগুলো

 

 

যা যা লাগবে

একটা মজবুত কাঠের দণ্ড। সেটা গোলাকার বা চারকোনা হতে পারে। তবে তোমার ভার নেওয়ার মতো মজবুত যেন হয়।

মজবুত দড়ি ও কাঁচি।

দুই গজ মোটা ক্যানভাস কাপড়।

ড্রিল মেশিন, স্টেইনলেস স্টিলের হুক।

রং ও তুলি।

 

যেভাবে বানাবে

ড্রিল মেশিন দিয়ে কাঠের টুকরোয় ছবির মতো করে দুই পাশে দুটি করে ফুটো করতে হবে। এই ফুটো দিয়েই ঢোকাতে হবে দড়ি। তবে তার আগে ক্যানভাস কাপড়ে তৈরি করে নিতে হবে দুটি পকেট।

এই পকেট তোমার জামার পকেটের মতো নয়। এটা হলো দড়ি ঢোকানোর পকেট। এর জন্য ক্যানভাস কাপড়টা সমান দুই ভাগ করে নাও। ওপরের ডানের কোনা থেকে বাঁ দিক পর্যন্ত সাত ইঞ্চি মেপে নাও। সেখান থেকে নিচের ডান কোনা পর্যন্ত কেটে নাও (ছবি-১)।

এরপর ক্যানভাসটা মেলে ধরে নব্বই ডিগ্রি ঘুরিয়ে নাও (ছবি-২)। তিন ও চার নম্বর ছবির মতো ডান ও বাঁ পাশের কোনাগুলো ভাঁজ করে ইস্ত্রি করে নাও। পাঁচ নম্বর ছবির মতো সেলাই করে নিতে হবে দড়ির পকেট। কাঠের দণ্ডটির ফুটোর দূরত্ব কতখানি হবে, তা দেখে নাও ছয় নম্বর ছবিতে।

এবার ক্যানভাসে রং করে সেটি শুকিয়ে আসার পর পকেটের ভেতর দড়ি ঢোকানোর পালা। ঢোকানোর পর দড়িটার এক প্রান্ত কাঠের একটি ফুটো ও অন্য প্রান্ত আরেকটি ফুটো দিয়ে ঢোকাও। দড়িতে শক্ত করে গিঁট দিয়ে দাও। যেন দড়িটা ফুটো দিয়ে বের না হতে পারে। ওপরের বাঁ দিকের ছবি দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছ পরের কাজটা কী হবে। দড়ির দুই পাশের দুই প্রান্ত বেঁধে দাও হুকের সঙ্গে। আর হুকটাকে আটকে দাও সিলিংয়ের সঙ্গে। সিলিংয়ে হুক ঝোলানোর আংটা আগে থেকেই থাকতে হবে। এবার ভাঁজ হয়ে ঝুলে থাকা ক্যানভাসের কাপড়ে একটা গোলগাল বালিশ রেখে দিলেই হয়ে গেল দোলনা।

দড়িটা যেন বেশি ছোট না হয়। আর দোলনাটাও যেন বেশি উঁচুতে না থাকে। তা হলে আচমকা ছিঁড়ে গেলেও পড়ে গিয়ে বেশি ব্যথা পাবে না। খেয়াল রাখতে হবে, কাঠের যে দণ্ডটির মধ্যে দড়ির ভারসাম্য থাকবে, সেটির ফুটোগুলোর দূরত্বও যেন সমান হয়। তা না হলে দোলনাটা একপাশে কাত হয়ে থাকবে।

 

          —নূসরাত জাহান নিশা


মন্তব্য