kalerkantho


টিন তারকা

সবাই মিলে ফুঁ দেব

৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



সবাই মিলে ফুঁ দেব

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আতিফ আতাউর

মুহম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘যদি একদিন’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করছে আফরিন শিখা রাইসা। এর আগে বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাটকেও কাজ করেছে গ্রিনল্যান্ড মডেল স্কুলের এই শিক্ষার্থী। দলছুটের সঙ্গে কথা বলেছে ও

 

দলছুট : এত জলদি সিনেমার নায়িকা!

রাইসা : কাজটা কঠিন কিছু না। ভালোই লাগে। বড়রাই সহজ করে দিয়েছেন। কিছু না পারলে দেখিয়ে দেন। তাঁদের জন্যই অভিনয় করতে পারছি।

 

দলছুট : বড় হতে ইচ্ছা করে না?

রাইসা : অবশ্যই করে। সে জন্যই তো প্রতিদিন একটু একটু করে বড় হচ্ছি।

 

দলছুট : শুটিংয়ে মজার ঘটনা?

রাইসা : কোনটা রেখে কোনটা যে বলি! (ভাবনায় ডুব) মনে পড়েছে! একবার একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে আমাকে ৫০টিরও বেশি ড্রেস পরতে হয়েছিল। একটা করে ড্রেস পরি আর আয়নার সামনে দাঁড়াই। বেশ লেগেছিল!

 

দলছুট : নাটক নাকি সিনেমা, কোনটা বেশি ভালো লাগে?

রাইসা : এই প্রথম সিনেমায় কাজ করছি। আগে কিছু বিজ্ঞাপন ও নাটক করলেও এই কদিনেই বুঝে গেছি, চলচ্চিত্রেই বেশি মজা। 

 

দলছুট : এক বাকসে পড়াশোনা আরেক বাকসে অভিনয়, কোনটা নেবে?

রাইসা : অভিনয়টাই আগে। তবে স্কুলের পড়াও শেষ করা চাই। অভিনয়ের জন্য স্কুল ফাঁকি দিই না।

 

দলছুট : তোমাকে বন্ধুরা কী ডাকে?

রাইসা : ওরা তো আমাকে এখন সুপারস্টার আর না হয় নায়িকা বলে ডাকে। তবে ‘যদি একদিন’ মুক্তির পর রূপকথা বলেও ডাকবে। এই ছবিতে আমার চরিত্রের নাম রূপকথা।

 

দলছুট : ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ার সিন থাকলে?

রাইসা : দিতেই যদি হয়, ট্রেন থামিয়ে তবেই লাফ দেব।

 

দলছুট : ট্রাফিক জ্যামে পড়লে কী ভাবো?

রাইসা : মানুষ দেখি, গাড়ি দেখি। নেমে হাঁটা দেওয়ার কথা ভাবি।

 

দলছুট : ঘুম ভেঙে দেখলে বড় হয়ে গেছ...

রাইসা : অবশ্যই তিশা (নুসরাত ইমরোজ তিশা) খালামণির মতো হতে চাই। পরদিন থেকে তাঁর মতো অভিনয় শুরু করে দেব। আমি তাঁর অনেক বড় ফ্যান।

 

দলছুট : অভিনয়ের বাইরে আর কী করো?

রাইসা : গান শিখি। আমার দুই ভাই। ওরা আমার গানের ভীষণ ভক্ত।

 

দলছুট : টিভিতে কী দেখো?

রাইসা : দুরন্ত টিভি বেশি ভালো লাগে। এর বাইরে মোটু-পাতলু।

 

দলছুট : যদি দেখো জন্মদিনের মোমবাতি তোমার ফুঁতে নিভছে না, কী করবে?

রাইসা : দশে মিলি করি কাজ। দশজনকে ধরে আনব। এরপর সবাই মিলে ফুঁ দেব।


মন্তব্য