kalerkantho


স্বাস্থ্য সংবাদ

বমি গর্ভপাতের ঝুঁকি কমায়

১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গর্ভকালীন সকালে যে বমি ও বমি বমিভাব হয়, তা যত খারাপই লাগুক- গর্ভধারণের জন্য কিন্তু উপকারী। নতুন এক গবেষণায় তাই দেখা গেছে।

এই গবেষণায় দেখা যায়, যাদের গর্ভকালীন সকালের দিকের বমিভাব বা মর্নিং সিকনেস হয় তাদের গর্ভ ভালো পরিণতি পায়। গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। বলা হচ্ছে, গর্ভকালীন বমি আসলে গর্ভপাত থেকে গর্ভকে রক্ষার সাধারণত শারীরবৃত্তিক প্রক্রিয়া।

গর্ভধারণের প্রথম তিন মাসে সাধারণত মর্নিং সিকনেস দেখা যায়। তবে রোগটির নাম মর্নিং সিকনেস হলেও সারা দিনই বমি বমি পেতে পারে। তবে বমিভাব সকালের দিকে বেশি হয়। শতকরা ৫০ জন নারীর এ সময় বমি হয়। কখনো কখনো বমি বেশি হলে রোগীকে হাসপাতালেও নিতে হতে পারে। সাধারণত চার মাস পার হলে বমির প্রকোপ কমে আসে। বলা হয়, গর্ভকালীন প্রথম ১২ সপ্তাহে শরীরে ঘটে যাওয়া হরমোনজনিত পরিবর্তনের জন্য এমনটি হয়। নতুন গবেষণায় মর্নিং সিকনেসকে ভালো হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। গবেষণাটি করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের চাইল্ড হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট বিভাগ। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে জেএএমএ ইন্টারনাল মেডিসিন জার্নালে। গবেষকদল ৭৯৭ জন নারী যাঁরা গর্ভধারণ করেছিলেন তাঁদের ওপর এটি পরিচালনা করেন। দেখা গেছে, যাঁদের মর্নিং সিকনেস হয়েছে তাঁরা অন্যদের তুলনায় সফলভাবে সন্তানদানে সক্ষম হয়েছেন।

সোহানী রাগিব এমএনটি থেকে।


মন্তব্য